শিবির নেতা জিসানের ব্যাপারে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তদন্ত কমিটি

জিসানের প্রকৃত শারীরিক অবস্থা জানতে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

কুমিল্লা প্রতিনিধি

Location :

Cumilla
জিসান আহমেদ
জিসান আহমেদ |সংগৃহীত

ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় নেতা জিসান আহমেদকে কুমিল্লার দাউদকান্দির এক নারীর ধর্ষণের অভিযোগে করা মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। তিনি কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের কারা ওয়ার্ডে ভর্তি রয়েছেন।

পুলিশের দাবি, তার শরীরে কোনো প্রকার সমস্যা ধরা পড়েনি। তবে প্রকৃত অবস্থা সম্পর্কে নিশ্চিত না হওয়ায় তাকে আদালতে হাজির করা সম্ভব হচ্ছে না।

এদিকে, জিসানের প্রকৃত শারীরিক অবস্থা জানতে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। রোববার (১৪ জুন) বিকেলে এ কমিটি গঠন করা হয়। চার সদস্যের তদন্ত কমিটির সভাপতি করা হয়েছে হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান মো: হেলালুর রহমানকে। কমিটিকে এক দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের অনুরোধ করা হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ডা: মো: শাহাজাহান বলেন, ‘তদন্ত কমিটিকে সোমবার বেলা ১১টার মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে তার শরীরে কোনো জটিলতার প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল হলে আর অধিকতর নিশ্চিত হওয়া যাবে।’

কুমিল্লা ডিবি পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামসুল আলম শাহ বলেন, ‘হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করলে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

এর আগে, শনিবার বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলনে কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো: আনিসুজ্জামান বলেছিলেন, ‘মামলার বাদি ভুক্তভোগী নারীকে বিয়ে করা এড়াতে অপহরণের নাটক সাজিয়েছিলেন জিসান। পুলিশ তাকে উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়।’

অপরদিকে ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, দুই পক্ষ পুলিশ হেফাজতে রয়েছে। সংশ্লিষ্ট কোনো পক্ষের সাথে সরাসরি যোগাযোগের সুযোগ না থাকায় বাস্তবতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে জিসান ও ওই নারীর মধ্যে প্রেমের সম্পর্কের প্রাথমিক তথ্য পাওয়ায় তাকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

জিসান ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সহকারী আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক এবং সংগঠনটির কুমিল্লা জেলা পশ্চিম শাখার সাবেক সভাপতি ছিলেন।