শেরপুরে উজানের পাহাড়ি ঢলে নদী উপচে বাজার প্লাবিত

চেল্লাখালি নদী বিপৎসীমার ওপরে

‘উজান থেকে আসা আকস্মিক পাহাড়ি ঢলে নদ-নদীগুলোতে পানিবৃদ্ধি ঘটেছে। আমরা মাঠপর্যায়ে সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করছি।’

নয়া দিগন্ত অনলাইন

Location :

Sherpur
পাহাড়ী ঢলে প্লাবিত ঝিনাইগাতী উপজেলার সদর বাজার
পাহাড়ী ঢলে প্লাবিত ঝিনাইগাতী উপজেলার সদর বাজার |ইউএনবি

শেষ রাতের ভারী বর্ষণ ও উজানে ভারত থেকে নেমে আসা আকস্মিক পাহাড়ী ঢলে শেরপুরে সীমান্ত জনপদের নদ-নদীগুলোতে পানি বৃদ্ধি ঘটেছে। মহারশি নদীতে পানিবৃদ্ধির ফলে নদী তীর উপচে ঝিনাইগাতী উপজেলার সদর বাজার প্লাবিত হয়েছে।

সোমেশ্বরী নদীর পানিবৃদ্ধিতে আয়নাপুর বাজারে প্রবেশ করেছে ঢলের পানি। এতে করে বাজারে ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের চলাচলে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

এদিকে, পাহাড়ি ঢলের তোড়ে নালিতাবাড়ীতে চেল্লাখালি নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

শেরপুর জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্যমতে, আজ শনিবার সকাল ৯টা পর্যন্ত গত ১২ ঘণ্টায় জেলার নালিতাবাড়ীতে ৩৫ মিলিমিটার এবং সীমান্তবর্তী নাকুগাঁও পয়েন্টে সর্বোচ্চ ১৮০ মিলিমিটার ও শেরপুর সদরে ২৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এ সময়ে চেল্লাখালি নদী নালিতাবাড়ীর বাতকুচি পয়েন্টে বিপৎসীমার ২ মিটার ওপর দিয়ে দিয়ে ২৩ দশমিক ৯৪ মিটার উচ্চতায় প্রবাহিত হচ্ছিল। ঝিনাইগাতীতে মহারশি রশি নদী ২১ দশমিক ৫০ মিটার এবং শ্রীবরদীতে সোমেশ্বরি নদী ২৩ দশমিক ৬৫ মিটার উচ্চতায় প্রবাহিত হচ্ছিল।

শেরপুর জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপসহকারী প্রকৌশলী মোসা: জিয়াসমীন খাতুন রুনা জানিয়েছেন, উজান থেকে আসা আকস্মিক পাহাড়ি ঢলে নদ-নদীগুলোতে পানিবৃদ্ধি ঘটেছে। আমরা মাঠপর্যায়ে সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করছি। নতৃন করে বৃষ্টিপাত না হলে ঢলের পানি দ্রুত নেমে যাবে বলে আশা করছি।

সূত্র : ইউএনবি