শেরপুরবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত সরকারি মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল স্থাপনের লক্ষ্যে সম্ভাব্য স্থানসমূহ পরিদর্শন করেছে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদফতর ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে গঠিত একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল।
সোমবার (৮ জুন) দুপুরে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা: ফারুক আহাম্মদের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলটি জেলার প্রস্তাবিত বিভিন্ন স্থান সরেজমিনে পরিদর্শন করে।
প্রতিনিধি দলে ছিলেন— ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফ্যাকাল্টি অব মেডিসিনের ডিন অধ্যাপক ডা: মো: রফিকুল হক, জামালপুর মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা: মো: আবুল কালাম আজাদ, বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (বিএমডিসি) মনোনীত প্রতিনিধি অধ্যাপক ডা: মো: খালেকুল ইসলাম, স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদফতরের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) ডা: ওয়াসেক-বিন-শহীদসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন শেরপুর জেলা প্রশাসক (ডিসি) ফরিদা ইয়াসমিন, পুলিশ সুপার (এসপি) এ কে এম জহিরুল ইসলাম, সিভিল সার্জন ডা: মুহাম্মদ শাহীন, জেলা সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা: সেলিম মিঞা, প্রেসক্লাব সভাপতি কাকন রেজা, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় জনসাধারণ।
প্রতিনিধি দলটি নৌহাটা (খোয়ারপাড়), শেরপুর (ঢাকলহাটি), নৌহাটা (অর্কিড এলাকা), শেরীব্রিজের লছমনপুর পূর্বপাশ, পশ্চিমপাশ ও মোবারকপুরের ইছলিবিলসহ মোট ছয়টি সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শন করে। পরিদর্শনকালে স্থানগুলোর ভৌগোলিক অবস্থান, যোগাযোগ ব্যবস্থা, অবকাঠামোগত সুবিধা ও মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল স্থাপনের উপযোগিতা মূল্যায়ন করা হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মাঠপর্যায়ের এই পরিদর্শনের পর প্রতিনিধি দল তাদের পর্যবেক্ষণ, কারিগরি বিশ্লেষণ ও সুপারিশ আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদফতরে জমা দেবে। পরে ওই প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই শেরপুর সরকারি মেডিক্যাল কলেজের চূড়ান্ত স্থান নির্ধারণ করা হবে।
প্রস্তাবিত মেডিক্যাল কলেজ পরিদর্শনে উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের আগমনে জেলার সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। দীর্ঘদিনের দাবি বাস্তবায়নের সম্ভাবনা তৈরি হওয়ায় শেরপুরবাসীর মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে।



