১২ মে ২০২১
`

একই পরিবারের ৪ জনকে হত্যা মামলায় ৬ জনের মৃত্যুদণ্ড

একই পরিবারের ৪ জনকে হত্যা মামলায় ৬ জনের মৃত্যুদণ্ড - ছবি : প্রতীকী

কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারী উপজেলার দিয়াডাঙ্গা গ্রামের সুলতান আহমেদের বাড়িতে রাতে একই পরিবারের চারজনকে কুপিয়ে হত্যার দায়ে ছয়জনের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছে আদালত। মামলার সাত আসামির মধ্যে একজনকে খালাস দেয় হয়েছে। এ ছাড়াও মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত এক আসামি পলাতক রয়েছেন।

মঙ্গলবার দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতে বিচারক আব্দুল মান্নান এ রায় ঘোষণা করেন।

মামলায় সাত আসামির মধ্যে মমতাজ উদ্দিন, নজরুল ইসলাম মজনু, আমির হামজা, জাকির হোসেন, জালাল গাজী ও হাসমত আলীকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়। এর মধ্যে জালাল গাজী পলাতক রয়েছেন। অপর আসামি নাইনুল ইসলামকে খালাস দেয় আদালত।

মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট আব্রাহাম লিংকন। এ ছাড়াও আসামি পক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট আজিজুর রহমান দুলুসহ পাঁচ আইনজীবী।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৪ সালের ১৪ জানুয়ারি ভুরুঙ্গামারী উপজেলার দিয়াডাঙ্গা গ্রামে সুলতান মিয়ার বাড়িতে একদল মুখোশধারী গভীর রাতে প্রবেশ করে সুলতান মন্ডল তার নাতনী রোমানা, আনিকা ও স্ত্রী হাজেরাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে। ঘটনার পরের দিন নিহত সুলতানের ছেলে হাফিজুর রহমান ভুরুঙ্গামারী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

মামলায় আরো উল্লেখ করা হয়, আসামি মমতাজ উদ্দিনের সাথে ছোট ভাই নিহত সুলতান আহমেদের বিরোধ ছিল। মমতাজ উদ্দিন সুলতান আহমেদকে হত্যার জন্য বাকি দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের পাঁচ লাখ টাকা ও একবিঘা জমি দেয়ার চুক্তিতে ভাড়া করে।

রায় ঘোষণার পর নিহতদের স্বজন রফিক আহমেদ বলেন, ‘এ রায়ে আমরা সন্তুষ্ট। আমরা চাই দ্রুত এ রায় কার্যকর করা হোক।’

পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট আব্রাহাম লিংকন বলেন, চার্জশীট দাখিলের দ্রুততম সময়ে এ রায় ঘোষণা করা হলো। এ রায়ে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। রায় ঘোষণার পর দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের কাঠগড়া ভাংচুরের ঘটনার মতো ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচারণই প্রমাণ করে তারা কতটা দুর্ধর্ষ।



আরো সংবাদ