পরামর্শক সভায় শিল্প উপদেষ্টা

এসএমই খাত শুধু ব্যবসা নয় অর্থনীতির মেরুদণ্ড

Printed Edition
এসএমই খাত শুধু ব্যবসা নয় অর্থনীতির মেরুদণ্ড
এসএমই খাত শুধু ব্যবসা নয় অর্থনীতির মেরুদণ্ড

বিশেষ সংবাদদাতা

এসএমই খাত শুধু ব্যবসা নয়, দেশের অর্থনীতির মেরুদণ্ড। এসএমই উদ্যোক্তারা তাদের লাভের শতকরা ৩০ ভাগই আবার বিনিয়োগ করেন। যা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে বলে মন্তব্য করেছেন শিল্প উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান। তিনি বলেন, সত্যিকার অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে এসএমই খাতের উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।

ঢাকার একটি হোটেলে গতকাল এসএমই নীতিমালা ২০২৫-এর খসড়া নিয়ে জাতিসঙ্ঘ ও আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সাথে এসএমই ফাউন্ডেশন এবং আইএলও বাংলাদেশের উদ্যোগে আয়োজিত পরামর্শ সভায় তিনি এই মন্তব্য করেন। এসএমই ফাউন্ডেশনের চেয়ারপারসন মো: মুসফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে আয়োজিত পরামর্শ সভায় বক্তব্য রাখেন, শিল্প মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো: নূরুজ্জামান এনডিসি ও রশিদুল হাসান, এসএমই ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আনোয়ার হোসেন চৌধুরী ও উপব্যবস্থাপনা পরিচালক নাজিম হাসান সাত্তার এবং আইএলও বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর তুওমো পওটিআনিন।

বর্তমানে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে এসএমই খাতের অবদান প্রায় ৩২ শতাংশ। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর ২০১৩ সালের অর্থনৈতিক সমীক্ষা অনুযায়ী, দেশে ৭৮ লাখের বেশি কুটির, মাইক্রো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি (সিএমএসএমই) শিল্পপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। যা মোট শিল্পপ্রতিষ্ঠানের ৯৯ শতাংশের বেশি। শিল্প খাতের মোট কর্মসংস্থানের প্রায় ৮৫ শতাংশই এসএমই খাতে। এই খাতে প্রায় আড়াই কোটিরও বেশি জনবল কর্মরত আছে। অধিক জনসংখ্যা এবং সীমিত সম্পদের দেশ হিসেবে বাংলাদেশের আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে এসএমই খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।