আজকের পত্রিকা
Search by date :
প্রথম পাতা
রাজনীতি কি উল্টোরথে ফিরছে
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে শুরু করে মিডিয়ায় রাজনৈতিক বিশ্লেষণে ফ্যাসিস্ট রাজনীতির পতনের পর ঘাপটি মেরে বসে থাকা সুবিধাবাদী চিন্তকরা সোচ্চার হতে শুরু করেছেন। ফ্যাসিস্ট শাসনামলে বিচার বিভাগকে ব্যবহার করে যেমন সংবিধানকে তছনছ করে দেয়া হয়েছিল তারই লেজুরবৃত্তি হিসেবে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে সংস্কার নিয়ে গৃহীত অর্ডিন্যান্সগুলো সংসদে যাতে আইনিভিত্তি না পায় সেই রাজনৈতিক বাধা সৃষ্টি করা হয়েছে সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে। এতে সংস্কারের প্রশ্নে সমাধান সংসদে হওয়ার আশা ক্ষীণ হয়ে যাচ্ছে এবং দাবি বাস্তবায়নের বিকল্প হয়ে উঠছে রাজনৈতিক মাঠ ও রাজপথ। কারণ বিরোধী দলের ওয়াকআউট ও তাদের অনুপস্থিতিতে কমিটি গঠন বলে দিচ্ছে সংখ্যাগরিষ্ঠতার বলে বিরোধী দলকে উপেক্ষা করা হচ্ছে। সংবিধানের ওপরে গণরায় হলেও গণভোটকে পাত্তা দেয়া হচ্ছে না।
শেষের পাতা
আন্তর্জাতিক বাজার থেকে বন্ড ইস্যু করে ঋণ করতে চায় সরকার
স্থানীয় বাজার থেকে অতিরিক্ত ঋণ না নেয়ার পক্ষপাতি সরকার। তবে জরুরি প্রয়োজনে ব্যয় নির্বাহের জন্য আন্তর্জাতিক বন্ড মার্কেট থেকে ঋণ নেবে সরকার।
রাজনৈতিক পৃষ্টপোষকতায় ধ্বংস হচ্ছে পাহাড়
দেশ স্বাধীন হওয়ার অর্ধশতাব্দীতে এরই মধ্যে হারিয়ে গেছে সিকিশত পাহাড়। এর বাইরে যেসব পাহাড় টিকে ছিল সেগুলোও পাহাড় খেকোদের লোলুপ দৃষ্টিতে এখন একের পর এক হারিয়ে যাচ্ছে। পাহাড়খেকোরা এরই মধ্যে চট্টগ্রামের ৩৪ স্থানের পাহাড়ি ভূমিকে অন্য শ্রেণীভুক্ত করে রেখেছে যাতে সহজেই কেটে ফেলা যায়। একের পর এক পাহাড় ধ্বংসের সাথে হারিয়ে যাচ্ছে বিপুলসংখ্যক গাছপালা ও জীববৈচিত্র্য, ফলে বাড়ছে উত্তাপ। আর বর্ষাকালে ন্যাড়া পাহাড়গুলো প্রচুর পানি শোষণ করে একপর্যায়ে ধসে পড়ে জীবন হানি যেমনি ঘটাচ্ছে, তেমনি জলাবদ্ধতারও অন্যতম কারণ এই পাহাড়কাটা। আর পাহাড়কাটার সাথে রাজনৈতিক প্রভাবশালী ব্যক্তিরা যেমনি আছেন, তেমনি সরকারি সংস্থার বিরুদ্ধেও রয়েছে পাহাড় কাটার অভিযোগ।
দুর্যোগে চুপ পাহাড়ের আঞ্চলিক ও সশস্ত্র গোষ্ঠী, তৎপর সেনা-প্রশাসন
সম্প্রতি প্রবল বর্ষণ, পাহাড়ি ঢল, জলাবদ্ধতা এবং ভূমিধসের কারণে রাঙ্গামাটিসহ পার্বত্য চট্টগ্রামে জনজীবন মারাত্মকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। পাহাড়ি নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার পাশাপাশি অসংখ্য পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। এমন ভয়াবহ দুর্যোগেও পাহাড়ে আঞ্চলিক দল ও সশস্ত্র সংগঠনের নেতাকর্মীদের দেখা মেলেনি। অভিযোগ রয়েছে, বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন ও সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো বছরে হাজার কোটি টাকা চাঁদাবাজি করে আসলেও টানা বর্ষণে ক্ষতিগ্রস্ত গ্রামবাসীর কল্যাণে কোনো সংগঠনই এগিয়ে আসেনি। এতে গ্রামবাসীর মধ্যে চরম ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। মানবিক সঙ্কটের মধ্যে এ নিয়ে স্থানীয়ভাবে ব্যাপক আলোচনা তৈরি করেছে।
সদরঘাটে কুলিদের তাণ্ডব
দুর্বৃত্তদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে ঢাকার সদরঘাট। বিশেষ করে কুলি নামের কিছু দুর্বৃত্ত যাত্রীদের স্বাভাবিক চলাচল বিষিয়ে তুলেছে। এরা যাত্রীদের কাছ থেকে কোনো কারণ ছাড়াই অর্থকড়ি হাতিয়ে নিচ্ছে। প্রতিবাদ করতে গেলে উল্টো যাত্রীদেরকে মারধরের শিকার হতে হচ্ছে।


































