২৭ মে ২০২০

মুখ ঢেকে বাইরে বের হওয়ার ‘যৌক্তিক’ কারণ

মুখ ঢেকে বাইরে বের হওয়ার ‘যৌক্তিক’ কারণ - ছবি : সংগৃহীত

এটাকে মাস্ক বলার দরকার নেই। আপনি এটাকে স্কার্ফ বলতে পারেন, নয়তো উড়না অথবা রুমাল। ডাকাতদের মুখোশ বললেও অসুবিধা নেই। যেটাই বলেন না কেন, বাইরে বের হওয়ার আগে অবশ্যই করোনাভাইরাস থেকে বাঁচার জন্য আপনার নাক-মুখ ঢেকে বের হন। সেটা যে কোনো কাপড় বা কাপড়ের টুকরাই হোক না কেন। তারপর বাড়ি ফিরতেই সেটি ধুয়ে ফেলুন। এর সাথে যদি আপনি চশমা ব্যবহার না করে থাকেন তাহলে সানগ্লাসটি পরে বের হবেন।

যুক্তরাষ্ট্রের রোগ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র (সিডিসি) সাধারণ মানুষকে জনসমাগমে যাওয়ার আগে নাক-মুখ ঢেকে যেতে অনুরোধ করেছে; তবে কেবল চিকিৎসকদেরই মাস্ক ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছেন। তারা মুখ ঢেকে রাখার তিনটি যৌক্তিক কারণ দেখিয়েছেন-

প্রথমত, চোখ, মুখ, নাক ঢেকে রাখলে করোনাভাইরাস আপনার শরীরে প্রবেশ করতে পারবে না। দ্বিতীয়, মুখমণ্ডল ঢাকা থাকলে আপনার মাধ্যমেও করোনাভাইরাস অন্য কারো শরীরে ছড়াবে না। তৃতীয়ত, মুখ এবং চোখ ঢাকা থাকলে অসাবধানতবশতও আপনিও হাত দিয়ে স্পর্শ করতে পারবেন না। কেননা বেশিরভাগ সময় হাতের মাধ্যমেই ভাইরাসটি ছড়ায়।

এন নাইনটিফাইভ রেস্পিরেটরি মাস্ক

সরকার এবং স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা সাধারণ মানুষকে মুখ ঢেকে বাইরে যাওয়ার অনুরোধ করতে ইতস্তত বোধ করছেন। কারণ সবাই যদি মাস্ক এবং ‘এন নাইনটিফাইভ রেস্পিরেটর’ব্যবহার করে, তাহলে এটা হাতের নাগালে থাকবে না। ফলে যাদের খুব বেশি প্রয়োজন হবে তারাও সেগুলো পাবে না। তাদের এই ধারণা ভুলও বলা যাবে না। যদি আপনার পেশার ক্ষেত্রে এটা প্রয়োজন হয় অথবা চিকিৎসক পরামর্শ দেন তবেই আপনি ‘এন নাইনটিফাইভ রেস্পিরেটর’ব্যবহার করুন। অন্যথায় শুধু নাক-মুখ ঢেকে বাইরে যান। কারণ সাধারণ মানুষের সার্জিক্যাল মাস্কের কোনো প্রয়োজন নেই। আর ‘এন নাইনটিফাইভ রেস্পিরেটর’তো নয়ই। এগুলো চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্যকর্মীদেরই ব্যবহার করতে দিন।

আর আপনি স্কার্ফ বা রুমাল দিয়েই নাক-মুখ ঢেকে বাইরে বের হন। সূত্র : নিউইয়র্ক ডেইলি নিউজ

 


আরো সংবাদ