গাজা যুদ্ধে ইসরাইলি হামলায় এ পর্যন্ত ২৩২ জন সাংবাদিক নিহত

‘গাজা যুদ্ধে প্রাণ হারানো সাংবাদিকের সংখ্যা দু’টি বিশ্বযুদ্ধ, ভিয়েতনাম যুদ্ধ, যুগোস্লাভ যুদ্ধ এবং আফগানিস্তানে মার্কিন যুদ্ধে এই পেশায় নিহত সাংবাদিকদের সম্মিলিত সংখ্যার চেয়েও বেশি।‘

নয়া দিগন্ত অনলাইন
গাজা যুদ্ধে ইসরাইলি হামলায় এ পর্যন্ত ২৩২ জন সাংবাদিক নিহত
গাজা যুদ্ধে ইসরাইলি হামলায় এ পর্যন্ত ২৩২ জন সাংবাদিক নিহত |সংগৃহীত

ওয়াটসন ইনস্টিটিউট ফর ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড পাবলিক অ্যাফেয়ার্সের ‘কস্টস অফ ওয়ার‘ প্রকল্পের প্রতিবেদনে ঘোষণা করা হয়েছে যে গাজার বিরুদ্ধে ইসরাইলের আগ্রাসনের সময় ২৩২ জন সাংবাদিক নিহত হয়েছেন।

প্রতিবেদনে দেখা গেছে যে গাজা যুদ্ধে ইসরাইলি হামলায় এখন পর্যন্ত ২৩২ জন সাংবাদিক নিহত হয়েছেন, যা প্রতি সপ্তাহে গড়ে ১৩ জন। এই পরিসংখ্যান গাজা যুদ্ধকে মিডিয়া কর্মীদের জন্য ইতিহাসের সবচেয়ে মারাত্মক যুদ্ধে পরিণত করেছে।

আল জাজিরা টিভি চ্যানেল এই নিবন্ধটি প্রকাশ করে লিখেছে, ‘গাজা যুদ্ধে প্রাণ হারানো সাংবাদিকের সংখ্যা দু’টি বিশ্বযুদ্ধ, ভিয়েতনাম যুদ্ধ, যুগোস্লাভ যুদ্ধ এবং আফগানিস্তানে মার্কিন যুদ্ধে এই পেশায় নিহত সাংবাদিকদের সম্মিলিত সংখ্যার চেয়েও বেশি।‘

এই যুদ্ধটি সাংবাদিকদের জন্য ইতিহাসের সবচেয়ে খারাপ সামরিক সঙ্ঘাত।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে গাজার কতজন ফিলিস্তিনি সাংবাদিক সরাসরি ইসরাইলি আগ্রাসনের শিকার হয়েছে এবং তাদের মধ্যে কতজন হাজার হাজার বেসামরিক নাগরিকের মতো ইসরাইলি বোমা হামলার শিকার হয়েছেন এবং নিহত হয়েছেন তা স্পষ্ট নয়।

তবে প্রতিবেদনে প্যারিস-ভিত্তিক সংস্থা রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডার্সের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের শেষ নাগাদ ৩৫টি ঘটনা নথিভুক্ত করা হয়েছে যেখানে দখলদার বাহিনী সাংবাদিকদের লক্ষ্যবস্তু করে হত্যা করেছে, সম্ভবত তাদের পেশাগত কাজের কারণে।

‘কস্টস অফ ওয়ার‘ প্রকল্পের প্রতিবেদন অনুসারে, গাজায় সাংবাদিকদের উপর হামলা, যেখানে প্রায় কোনো বিদেশী সাংবাদিককে প্রবেশের অনুমতি নেই। এসব সাংবাদিক যাদের বেশিরভাগই কম বেতন পায়।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘সাংবাদিকদের হত্যা এবং সংবাদ পরিবেশনে সেন্সরশিপ আরোপের সবচেয়ে স্পষ্ট উদাহরণ হলো গাজা।‘

সূত্র : পার্সটুডে