০৩ জুন ২০২০

ইউরোপে ডিমে 'বিষ' মেশানোর অভিযোগ প্রমাণিত

ইউরোপে ডিমে 'বিষ' মেশানোর অভিযোগ প্রমাণিত - সংগৃহীত

ডিমে বিষাক্ত ফিপ্রোনিল মেশানোর অভিযোগ উঠেছিল নেদারল্যান্ডস আর বেলজিয়ামের দুটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে৷ পরিণামে হত্যা করা হয়েছিল ৩০ লাখ মুরগি, নষ্ট করা হয়েছিল লাখ লাখ ডিম৷ অবশেষে সেই মামলার রায় হয়েছে৷

চিকফ্রেন্ড ও ঠিকক্লিন নামের প্রতিষ্ঠান দুটির কাজ মুরগি শিল্পকে জীবাণুমুক্ত রাখা৷ ২০১৭ সালে তাদের বিরুদ্ধেই উঠেছিল ডিম বিষাক্ত করার অভিযোগ৷ অভিযোগে বলা হয়, প্রতিষ্ঠান দুটি মুরগি খামারিদের প্রাকৃতিক উপাদানে তৈরি নিরাপদ জীবাণুনাশক বলে যা সরবরাহ করেছিল তা আসলে ছিল মাছি, উকুন এবং এঁটেল পোকা মারার ওষুধ ডেগা-১৬৷ প্রতিষ্ঠান দুটো ইউক্যালিপটাস এবং মেন্থল মিশিয়ে তৈরি করা নিরাপদ জীবাণুনাশক বলে চালিয়ে দিলেও সেই ওষুধে আসলে ফিপ্রোনিল থাকে৷

অভিযোগ ওঠার পর ইউরোপের ২৫টি দেশ এবং হংকংয়ের বাজার থেকে লাখ লাখ ডিম ফিরিয়ে নিয়ে নষ্ট করতে বাধ্য হন মুরগি খামারিরা৷ হত্যা করতে হয় ৩০ লাখ মুরগি৷

২০১৭ সালে চিকফ্রেন্ড এবং চিকক্লিনের দুই নির্বাহীকে গ্রেফতার করা হলেও পরে মামলা নিষ্পত্তির আগ পর্যন্ত তারা জামিনে মুক্তি পান৷

বুধবার নেদারল্যান্ডসের আরনেম শহরের আদালত ডিম জীবাণুমুক্ত করার নামে বিষাক্ত করার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় প্রতিষ্ঠান দুটিকে দোষী সাব্যস্ত করেছে৷

আড়াই বছর আগে ইউরোপের ১২০ জন মুরগি খামারি নেদারল্যান্ডস ও বেলজিয়ামের প্রতিষ্ঠান দুটির মালিকের বিরুদ্ধে মামলা করেছিল৷ মামলায় ক্ষতিপূরণও দাবি করেছিলেন তারা৷
সূত্র : ডয়চে ভেলে

 


আরো সংবাদ