২২ সেপ্টেম্বর ২০২০

সীতাকুণ্ডে চাচাকে হত্যা করেছে ভাতিজা

সীতাকুণ্ডে চাচাকে হত্যা করেছে ভাতিজা - প্রতীকী ছবি

সীতাকুণ্ডে পুকুরে গোসল করাকে কেন্দ্র করে ঝড়গার জেরে ভাতিজার হাতে চাচা নিহতের এক মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে। নিহতের নাম মোঃ রুহুল আমিন (৭০)। শনিবার দুপুরে উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের আলম পুকুর পাড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নারী ও পুরুষসহ তিন জনকে গ্রেপ্তার করেছে। নিহতের লাশ পোষ্টমর্টেমের জন্য মর্গে প্রেরণ করে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের উত্তর বাঁশবাড়িয়া আলম পুকুর পাড় এলাকার মীর হোসেন সেরাং বাড়ির মোঃ রুহুল আমিনের পরিবারের সাথে জায়গা-জমি নিয়ে রফিকুল আলমের পরিবারের দীর্ঘদিন বিরোধ চলছিলো। সম্পর্কে তারা চাচাত-জেঠাত ভাই।

শনিবার সকাল ১০টার দিকে দুই পরিবারের গৃহবধূরা পুকুরে গোসল করতে গিয়ে ঝগড়ায় লিপ্ত হয়। এক পর্যায়ে এ নিয়ে দুই পরিবারের লোকজন মারামারিতে লিপ্ত হন। এসময় প্রতিপক্ষের লোকজন লাঠি নিয়ে বৃদ্ধ রুহুল আমিনের মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারধর করলে তিনি গুরুতর আহত হন। এসময় তার পরিবারের লোকজন তাকে নিয়ে সীতাকুণ্ড হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রুহুল আমিনকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত রুহুল আমিন ওই বাড়ির মৃত মীর হোসেনের ছেলে। ঘটনার খবর পেয়ে সীতাকুণ্ড সডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ফিরোজ হোসেন মোল্লা সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। তারা ভুক্তভোগি পরিবারের অভিযোগের প্রেক্ষিতে ৩ নারী-পূরুষকে আটক করে থানায় নিয়ে যান।

বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. শওকত আলী জাহাঙ্গীর বলেন, আমি ঘটনাটি শুনেছি পুলিশের কাছে। পরে সেখানে গিয়ে জানতে পারি প্রতিপক্ষের হামলায় বৃদ্ধ রুহুল আমিনের মৃত্যু হয়। সীতাকুণ্ড থানার ওসি মো. ফিরোজ হোসেন মোল্লা বলেন, চাচাচ-জেঠাত ভাইয়ের পরিবারের মধ্যে পূর্ব থেকে শত্রুতা ছিলো। শনিবার সকালে দুই পরিবারের দুই মহিলা পুকুরে গোসল করতে গিয়ে ঝগড়ায় লিপ্ত হয়। এর জেরে পরবর্তীতে দুটি পরিবারের নারী-পূরুষরা মারামারিতে লিপ্ত হলে প্রতিপক্ষের লাঠি-সোটার আঘাতে রহুল আমিন মারা যান। তিনি বলেন, আমরা নিহতের পরিবারের অভিযোগের প্রেক্ষিতে তিন নারী-পূরুষকে আটক করেছি।


আরো সংবাদ