২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০
রিফাত হত্যা

তদন্তকারী কর্মকর্তাকে জেরা শেষ

-

বরগুনার বহুল আলোচিত শাহনেওয়াজ রিফাত শরীফ হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার জবানবন্দি শেষে আসামি পক্ষের সাতজন আইনজীবী জেরা শেষ করেছেন।

বৃহস্পতিবার জেরা শুরু হয়ে মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত রিফাত ফরাজি, কামরুল হাচান সায়মুন, রাব্বি আকন,সাগর, রাফিউল ইসলাম রাব্বি, মো. হাসান, মো. মুছা, টিকটক হৃদয়, সিফাত ও আয়শা সিদ্দিকা মিন্নির জেরা করেছেন তাদের আইনজীবীরা। মঙ্গলবার আয়শা সিদ্দিকা মিন্নির পক্ষে সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত জেরা করেছেন তার আইনজীবী।

বরগুনা জেলা ও দায়রা জজ মো: আছাদুজ্জামানের আদালতে তদন্তকারী কর্মকর্তাকে যখন আইনজীবীরা জেরা করেন, তখন হাজতে থাকা আট আসামি ও জামিনে থাকা আয়শা সিদ্দিকা মিন্নি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। আসামি মুছা পলাতক রয়েছে।

শিশু আসামীদের বিচারক ও জেলা জজ মো: হাফিজুর রহমানের আদালতে মঙ্গলবার চারজন সাক্ষ্য দিয়েছেন।

এদিকে, মিন্নির জামিন বাতিলের আবেদন শুনানি ষষ্ঠ বারের মতো পিছিয়েছে। আসামি পক্ষে শুনানির জন্য সময় আবেদন করলে আদালত তা মঞ্জুর করেন।

মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টায় এ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো: হুমায়ূন কবির আদালতের সাক্ষ্য বক্সে সাক্ষ্য দিতে উঠেন। তাকে জেরা করেন আয়শা সিদ্দিকা মিন্নির পক্ষে তার আইনজীবী মাহবুবুল বারী আসলাম।

আদালতে সাক্ষ্য শেষে বরগুনা সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক ও তদন্তকারী কর্মকর্তা নয়া দিগন্তকে বলেন, মামলায় আমি তদন্ত করে যা পেয়েছি তা আদালতে বর্ণনা করেছি। এখন পর্যন্ত সাতজন বিজ্ঞ আইনজীবীরা আমাকে জেরা করছেন। সাতজন আসামীর জেরার মধ্য দিয়ে প্রাপ্তবয়স্ক আসামিদের পক্ষে জেরা সমাপ্ত করেছেন তাদের আইনজীবীরা। একটি বিচারাধীন মামলায় এর বেশি কিছু বলার নেই।

আসামি আয়শা সিদ্দিকা মিন্নির আইনজীবী মাহবুবুল বারী আসলাম বলেন, তদন্তকারী কর্মকর্তাকে জেরা শেষ করেছি। এ ছাড়া মিন্নির জামিন বাতিল আবেদন শুনানির জন্য আদালতে সময় চেয়েছি। আদালত আবেদন মঞ্জুর করেছেন।

রাষ্ট্রপক্ষের পিপি ভুবন চন্দ্র হাওলাদার বলেন, তদন্তকারী কর্মকর্তার জবানবন্দি শেষ হয়েছে। আসামি পক্ষে সাতজন আইনজীবী জেরা শেষ করেছেন। মিন্নির পক্ষে তার আইনজীবীর জেরা শেষ হওয়ার মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষ্য শেষ হয়েছে।

শিশু আদালতে মঙ্গলবার দুপুরে মোস্তফা আলম, সাইফুল ইসলাম সুমন, সাকিব হাসান ও খোকন সাক্ষ্য শেষে মোস্তফা আলম বলেন, ২৬ জুন বিকালে আমার মেয়ে ফোন করে জানায় রিফাত শরীফকে কয়েকজন সন্ত্রাসীরা কুপিয়ে জখম করেছে। আমি বরিশাল শেরেই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যাই। বিকাল সাড়ে তিনটায় রিফাত মারা যায়। পরের দিন পুলিশ রিফাত শরীফের সুরাতহাল রিপোর্ট তৈরী করেন। আমি রিপোর্টে স্বাক্ষর করি।

তিনি আরো বলেন, রিফাত শরীফ আমার বোনের ছেলে। আমি শুনেছি রিফাত ফরাজি রিশান ফরাজিরা সেদিন নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করে। আমি কোপগুলো দেখেছি।

শিশু আদালতের বিশেষ পিপি মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, শিশু আদালতে এ পর্যন্ত ৪৮ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন। সাক্ষ্যরা যখন সাক্ষ্য দেয় তখন হাজতে থাকা সাতজন ও জামিনে থাকা সাতজন শিশু আসামি আদালতে উপস্থিত ছিল। সকল সাক্ষ্যরা বাদীর মামলা সমর্থন করে সাক্ষ্য দিয়েছেন।


আরো সংবাদ

সকল

সীমান্তে মাইন, মুংডুতে ৩৪ ট্যাংক (১০৯১৫)যে কারণে এই মুহূর্তেই এ সরকারের পতন চান না নুর (১০২৬২)কেন বন্ধু প্রতিবেশীরা ভারতকে ছেড়ে যাচ্ছে? (৮১৭৮)সৌদি রাজতন্ত্রকে চ্যালেঞ্জ করে সৌদি আরবে বিরোধী দল গঠন (৮০২৬)সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে বেঁধে স্ত্রীকে গণধর্ষণ ছাত্রলীগ কর্মীদের (৭৪৬২)এমসি কলেজে গণধর্ষণ : আ’লীগ নেতারা ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করেছিলেন! (৭০৪১)ঐক্যবদ্ধ হামাস-ফাতাহ, ১৫ বছর পর ফিলিস্তিনে ভোট (৬৫২৮)সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে বেঁধে স্ত্রীকে গণধর্ষণ ছাত্রলীগ কর্মীদের (৫৭০৪)৫৪,০০০ রোহিঙ্গাকে পাসপোর্ট দিতে সৌদি চাপ : কী করবে বাংলাদেশ (৫১৪৫)আ’লীগ দলীয় প্রার্থী যোগ দিলেন স্বতন্ত্র এমপির সাথে (৪৭১৪)