প্রেমিকা আসমা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় প্রেমিক মারুফ হাসান বাঁধনের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন ঢাকার একটি আদালত।
আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৫ এর বিচারক মুহাম্মদ সামছুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন।
এদিন কারাগারে আটক আসামি মারুফকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর তার উপস্থিতিতে বিচারক রায় পড়া শুরু করেন। রায় পড়া শেষে আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়া তার মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন। একইসাথে সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এর আগে ২০১৯ সালের ২৩ আগস্ট তাকে পঞ্চগড় থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এরপর থেকে তিনি কারাগারে আটক রয়েছেন।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা গেছে, বাধনের সাথে ভুক্তভোগী আসমা আক্তারের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। ২০১৯ সালের ১৮ আগস্ট তারা পঞ্চগড় থেকে পালিয়ে ঢাকায় চলে আসেন। তারা কোনো আবাসিক হোটেল না পেয়ে কমলাপুর রেলস্টেশনে অবস্থান করেন। একপর্যায়ে বলাকা ট্রেনের একটি পরিত্যক্ত বগিতে তাকে নিয়ে যান বাঁধন। সেখানে আসমাকে ধর্ষণ করেন তিনি। তবে আসমা চিৎকার করলে তার ওড়না দিয়ে গলা পেচিয়ে হত্যা করেন বাঁধন। এরপর বাঁধন পঞ্চগড়ে ফিরে যান। ট্রেনের বগি বুঝে নিতে গিয়ে ১৯ আগস্ট সকাল সাড়ে ৯টার দিকে লাশ দেখতে পায় রেলওয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগ। পরে ওই তরুণীর সাথে থাকা একটি ব্যাগের মধ্যে জন্ম সনদ দেখে তার বাবার সাথে যোগাযোগ করে পরিচয় নিশ্চিত হয় পুলিশ। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর চাচা রাজু আহমেদ ঢাকার রেলওয়ে থানায় মামলা করেন। তদন্ত শেষে একমাত্র আসামি বাঁধনকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র দেয়।
মামলার বিচার চলাকালে ১৪ জন আদালতে সাক্ষ্য দেন।
সূত্র : বাসস



