চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে ভোররাতে চারটি যানবাহনের সংঘর্ষে দু‘জন নিহত হয়েছেন। এতে প্রায় ২০ জন আহত হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার ভোররাতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মিরসরাইয়ের মিঠাছরা বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত ব্যক্তিরা হলেন- ঝালকাটি জেলার কাঠালিয়া থানার মুশিরাবাদ গ্রামের লতিফ হাওলাদারের ছেলে সুমন হাওলাদার (৩৫) এবং চট্টগ্রাম নগরীর পশ্চিম মাদারবাড়ি থানার পুরা মসজিদ গ্রামের শাহা আলমের ছেলে সোহাগ (৩৫)।
অন্যদিকে, আহতরা হলেন- শাহরিয়া (১৮), শারমিলা (১৬), রোমেলা (১২), উম্মে ছালমা (১৬), আলমিয়া (১৪), মারিয়া (১৫), কামরুজ্জমান (৪২), আবদুর রশিদ (৫০), আয়েশা আক্তার (৪২), মিজান উদ্দিন (৬৩)। আহত বাকিদের পরিচয় পাওয়া যায়নি।
পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, ভোররাতে চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা নীরব পরিবহন একটি বাস, আরেকটি শ্যামলী পরিবহন বাসকে চাপ দেয়। এতে নীরব পরিবহনের বাসটি মহাসড়কের আইল্যান্ড পার হয়ে চট্টগ্রামমুখী হয়ে গেলে দ্রুতগামী একটি কাভার্ডভ্যান গাড়ির সাথে ধাক্কা লাগে। অন্যদিকে, শ্যামলী পরিবহন বাসকেও ঢাকাগামী একটি কাভার্ডভ্যান ধাক্কা দিলে, এই দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটে। এতে করে চারটি গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এ সময় ঘটনাস্থলে দু‘জন নিহত হয়। আহত হয় বাসের প্রায় ২০ জন যাত্রী। খবর পেয়ে জোরারগঞ্জ হাইওয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এঘটনায় মহাসড়কে প্রায় ২ ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ ছিল। এতে মহাসড়কের উভয় পাশে প্রায় তিন কিলোমিটারজুড়ে যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে যান চলাচল স্বাভাবিক করে।
জোরারগঞ্জ হাইওয়ে পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) বোরহান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘ভোররাতে মহাসড়কের মিঠাছরা বাজার এলাকায় চারটি গাড়ির সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই দু‘জন নিহত হয়। আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়া হয়েছে।‘ আইনানুগ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলেও জানান তিনি।



