সিংড়া (নাটোর) সংবাদদাতা
নাটোরের সিংড়া উপজেলার চৌগ্রাম ইউনিয়নের কান্তনগর গ্রামে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির সংঘর্ষে উভয়পক্ষের পাঁচজন আহত হয়েছেন।
শনিবার (১ মার্চ) রাত ৯ টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন- বিএনপি কর্মী সায়বর আলী (৪০), চৌগ্রাম ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদ রানা (৩৫), স্থানীয় আ’লীগ কর্মী ইউনুছ আলী (৪৫), বিএনপি কর্মী তাহের আলী (৫০) ও আ’লীগ কর্মী রাজিব হোসেন (৩০)।
জানা যায়, স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে ধারালো অস্ত্র নিয়ে ঘণ্টাব্যাপী চলে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা। খবর পেয়ে রাত সাড়ে ১০ টার দিকে সেনাবাহিনী ও পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছালে পরিস্থিতি শান্ত হয়।
পরে আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয় সায়বর আলী (৪০) নামের এক স্থানীয় বিএনপি কর্মীকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে (রামেক) এবং চৌগ্রাম ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদ রানা (৩৫) ও স্থানীয় আ’লীগ কর্মী ইউনুছ আলীকে (৪৫) বগুড়া শহীদ জিয়া মেডিক্যালে পাঠানো হয়।
অপরদিকে বিএনপি কর্মী তাহের আলী (৫০) ও আ’লীগ কর্মী রাজিব হোসেনকে (৩০) উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
এ বিষয়ে আহত আ’লীগ কর্মী ইউনুছ আলীর ভাই স্থানীয় ইউপি সদস্য শামীম হোসেন বলেন, ‘পূর্ব বিরোধের জের ধরে তার ভাইয়ের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। তাদের পক্ষের একটি দোকান ভাংচুর করে লুট করা হয়েছে। এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত গ্রামে থমথমে পরিবেশ বিরাজ করছে।’
হাসপাতালে ভর্তি আহত বিএনপি কর্মী তাহের আলী এ বিষয়ে মুঠোফোনে বলেন, ‘কান্তনগর গ্রামে তারা অল্প কয়েক ঘর বিএনপি করেন। তাদেরকে গ্রাম ছাড়া করতেই আওয়ামী লীগের ভোলা বাহিনী এই হামলা চালিয়েছে।’
সিংড়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) রফিকুল ইসলাম সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘কথা কাটাকাটির সূত্র ধরেই দু’পক্ষের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে রাতেই পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। তবে এখন পর্যন্ত থানায় অভিযোগ আসেনি।’



