মুন্সীগঞ্জের সিরাজদীখানে ফাতেমা আক্তার (৬) নামে প্রথম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা করে বাড়ির পাশে দিঘিতে ফেলে দেয়া হয়। এ ঘটনায় রশুনিয়া গ্রামের দিঘি থেকে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে ওই দিঘির কচুরিপানার নীচ থেকে নিহত শিশুর লাশ উদ্ধার করা হয়।
ফাতেমা উপজেলার রশুনিয়া ইউনিয়নের পূর্ব রশুনিয়া গ্রামের কুয়েত প্রবাসী শহিদুল ইসলামের মেয়ে এবং রশুনিয়া মাহমুদিয়া নূরানীয়া মাদরাসার প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী বলে জানা গেছে।
এর আগে মঙ্গলবার উপজেলার রশুনিয়া ইউনিয়নের পূর্ব রশুনিয়া গ্রামের বাড়ির পাশে ওয়াজ মাহফিলে ফাতেমা আক্তার নামে বছরের শিশু মেয়ে নিখোঁজ হয়। মঙ্গলবার রাতে রশুনিয়া গ্রামের পূর্বপাড়ায় ওয়াজ মাহফিলকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন ধরনের অস্থায়ী দোকান বসে। আইসক্রিম বিক্রেতা একই ইউনিয়নের উত্তর তাজপুর গ্রামের নাহিদ খানের ছেলে সাব্বির খান (২৫) ফ্রিতে ফাতেমাকে আইসক্রিম খাওয়ান।
স্থানীয়রা বুধবার দুপুরে সন্দেহজনকভাবে আইসক্রিম বিক্রেতাকে আটক করে সিরাজদিখান থানায় সোপর্দ করে। এ ঘটনায় বুধবার ফাতেমার মা বিলকিস বেগম সিরাজদিখান থানায় মামলা করেন। মামলায় সাব্বিরকে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করলে হত্যার কথা স্বীকার করে সাব্বির।
নিহত ফাতেমার চাচা মাওলানা মো: এরশাদ জানান, ‘সাব্বির একজন মাদকসেবী, তার সর্বোচ্চ শাস্তি চাই।’
সিরাজদিখান থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাহেদ আল মামুন বলেন, ‘শিশু ফাতেমাকে ধর্ষণের পর হত্যা করে লাশ ফেলে দেয়া হয় পাশের একটি ডোবায়। সাব্বিরের তথ্যমতে বৃহস্পতিবার রাত দেড়টার দিকে তাজপুর গ্রামের ব্যঙ্গ দিঘি নামে পুকুর থেকে ফাতেমার লাশ উদ্ধার করে মুন্সীগঞ্জ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরো জানান, ‘সাব্বিরকে গ্রেফতার করে রিমান্ড চাইলে আদালত রিমান্ড মঞ্জুর করে। রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করলে শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যার দায় স্বীকার করে সাব্বির।



