বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ও সংরক্ষিত নারী আসনের সাবেক এমপি ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেছেন, আমাদের লড়াই এখনো শেষ হয়নি, আমরা এখনো ভোটের অধিকার নিশ্চিত করতে পারিনি। এখন বলা হচ্ছে, বিএনপি নাকি কথায় কথায় নির্বাচন নির্বাচন করে। করবেইতো, বিএনপি গণতন্ত্রে বিশ্বাসী দল।
শুক্রবার (৪ এপ্রিল) বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জের লালপুর সূর্য কুমার দাস চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এক জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। স্থানীয় ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের উদ্যোগে বিএনপি ঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এ জনসভার আয়োজন করা হয়।
তিনি বলেন, নির্বাচন ছাড়া কেউ যদি দেশের শাসন ক্ষমতা দীর্ঘদিন আঁকড়ে ধরে রাখার চিন্তা করে তাহলে তা জনগণ মেনে নেবে না। ১৫ বছর আগে যে তরুণ-তরুণীরা ভোটার হয়েছিল তারা আজও ভোট দিতে পারেনি। তারা এখন ভোট দিতে উন্মুখ হয়ে আছে। তাই ভোটের মাধ্যমে দ্রুত জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে রুমিন ফারহানা বলেন, স্বার্থান্বেসী নেতাদের ব্যক্তিগত স্বার্থে বহিষ্কার নাটক আর হুমকি দিয়ে দলের ইমেজ নষ্ট করা হচ্ছে। অথচ কারা আন্দোলন করেছে, মিটিং-মিছিল করেছে, রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে জুলুম শাসনের বিরুদ্ধে টকশোতে ঝড় তুলেছে জনগণ তা জানে। মনে রাখতে হবে বিএনপি এখনো ক্ষমতায় আসেনি। কোনোরকম অন্যায়ের সাথে ও মামলা-বাণিজ্যের সাথে নিজেকে জড়াবেন না।’
তিনি স্বার্থান্বেসীদের হুঁশিয়ার করে বলেন, ‘আমি বাউনবাইরার মাইয়া। বাউনবাইরার মানুষ হাছা কথা কইতে ভয় পায় না। আমরা অন্যায়ের কাছে কোনোদিন মাথা নত করিনি, করব না ইনশাআল্লাহ। আমাদের এলাকার মোরগও লড়াইয়ে না জিতে থামে না। আমাকে বলা হতো মাত্র ছয়জন লোক নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সামনে সংসদে এমন বক্তৃতা করতে ভয় হয় না? আমি বলতাম, আমি বাউনবাইরার মাইয়া।’
লালপুর ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মো: জামাল মিয়ার সভাপতিত্বে জনসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র হাফিজুর রহমান মোল্লা কচি, জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম জহির, সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক এ বি এম মুমিনুল হক মুমিন, বিএনপি নেতা ভিপি জহিরুল হক লিটন, সরাইল উপজেলা বিএনপি নেতা আনোয়ার হোসেন মাস্টার ও আশুগঞ্জ উপজেলা বিএনপি নেতা মো: নাসির মুন্সী প্রমুখ।



