২৮ অক্টোবর ২০২০

হিমায়িত মাছ-গোশতেও করোনা?

হিমায়িত মাছ-গোশতেও করোনা? - ছবি : সংগৃহীত

কীভাবে জন্ম এই করোনাভাইরাসের?‌ কোথা থেকে আসলে ছড়াল?‌ এসব প্রশ্ন নিয়ে এখনো ধাঁধায় বিজ্ঞানীরা। এর মধ্যেই চিন্তা বাড়াল হিমায়িত মাছ, গোশত। অর্থাৎ ফ্রোজেন ফুড। আবারো করোনা সংক্রমণের কারণ হলো এই ফ্রোজেন ফুড। সেই চীনে।

গত প্রায় এক মাস চীনে নতুন করে কেউ করোনায় আক্রান্ত হননি। এবার নতুন করে আক্রান্ত হলেন শেংডং প্রদেশের কুইংডাও শহরে দুই বন্দরকর্মী। যদিও করোনার কোনো লক্ষণ নেই। তারা আমদানি করা হিমায়িত মাছ, গোশত জাহাজ থেকে নামানোর কাজ করেন। পরীক্ষা করে দেখা গেল, ওই ফ্রোজেন ফুডেও রয়েছে করোনার জীবাণু। এর পর স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগে চীন।

চীনে শেষবার ২০ আগস্ট উপসর্গহীন সংক্রমণ হয়েছিল। আর ১৫ আগস্ট শেষবার উপসর্গ নিয়ে সংক্রামিত হয়েছেন। চীন উপসর্গহীন এবং উপসর্গযুক্ত করোনা রোগীদের আলাদা আলাদা পরিসংখ্যান রাখে।

এমনিতে বন্দর কর্মীদের নিয়মিত করোনা পরীক্ষা করানো হয় চীনে। তাতেই কুইংডাও শহরের ওই দুই কর্মীর করোনা রিপোর্ট পজিটিভ আসে। যদিও তাদের লক্ষণ ছিল না। প্রশাসন জানিয়েছে, ওই দু’জনের সংস্পর্শে আসা ১৩২ জনকে কোয়রান্টিনে রাখা হয়েছে। তাদের সবার টেস্ট করা হয়েছে। তবে তিনজনের রিপোর্ট এখনো আসেনি। বাকি ১২৯ জনের রিপোর্ট নেগেটিভ।

চীনের বন্দরে আসা হিমায়িত সামুদ্রিক মাছ, গোশত ও সেগুলোর কন্টেনারে করোনার জীবাণু মেলায় সম্প্রতি ইকুয়েডর, ব্রাজিল, ইন্দোনেশিয়া থেকে পণ্য আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে বেইজিং। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনস্ট্রেশনের দাবি, ফ্রোজেন খাদ্যপণ্য বা প্যাকেজিং থেকে করোনা সংক্রমণের কোনো নজির এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।

যদিও চীনের গবেষকদের দাবি, ফ্রোজেন স্যামন মাছে সাত দিন পর্যন্ত করোনার জীবাণু থাকতে পারে। তাই তিন দেশ থেকে আমদানি বন্ধ করার সিদ্ধান্ত বদলায়নি চীন। বছরের শুরুর দিকে বেইজিং ও দালিয়ানে আমদানিকৃত খাদ্যপণ্যের বাজারে কাজ করা মানুষ জনের মধ্যেই ফের ছড়িয়েছিল করোনা। কীভাবে, তা এখনো গবেষণা করে দেখা হচ্ছে। নিউজিল্যান্ডেও ১০২ দিন পর একজন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। তিনিও অকল্যান্ডের হিমঘরেই কাজ করতেন।
সূত্র : আজকাল


আরো সংবাদ