২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০

চীনে ভয়াবহ প্লেগে মৃত্যু! নতুন মহামারির আশঙ্কায় চূড়ান্ত সতর্কতা জারি


প্রথমে করোনা, তার পর হান্টাভাইরাস, তারও পরে সোয়াইন ফ্লু আর এ বার বাবোনিক প্লেগ। একের পর এক ভয়াবহ ভাইরাস আর ব্যাক্টিরিয়ার সংক্রমণে আতঙ্কিত চীনের সাধারণ মানুষ।

সূত্রের খবর, ইতোমধ্যেই বাবোনিক প্লেগে মৃত্যু হয়েছে এক ব্যক্তির। ফলে লকডাউন করা হয়েছে গোটা গ্রাম।

নতুন করে চীনে ছড়াতে শুরু করেছে ইঁদুর বাহিত ব্যাক্টিরিয়া ঘটিত রোগ প্লেগ। চিনের উত্তরাঞ্চলের ইন্নার মঙ্গোলিয়া এলাকায় সুজি জিনকান গ্রামে গত বৃহস্পতিবার বাবোনিক প্লেগে মৃত্যু হয় এক ব্যক্তির। মৃতের পরিবারের ৯ সদস্যকে কোয়ারান্টিনে থাকতে বলা হয়েছে। গত কয়েকদিনে ওই পরিবারের সংস্পর্শে যারা এসেছেন, তাদেরও খোঁজ চলছে।

এর আগে জুলাই মাসের শুরুতেই পশ্চিম মঙ্গোলিয়ার খোভদ প্রদেশের বায়ান্নুরে সম্প্রতি দুই সম্ভাব্য বাবোনিক প্লেগে আক্রান্ত রোগীর সন্ধান মিলেছিল। ওই দুই আক্রান্ত একই পরিবারের সদস্য। এই দুই আক্রান্তের সংস্পর্শে আশা আরও অন্তত ১৪৬ জনকে চিহ্নিত করে আইসোলেট করা হয়েছিল।

জানা গিয়েছে, আক্রান্তরা মারমেটের মাংস খেয়েছিলেন। বাবোনিক প্লেগের সংক্রমণ রুখতে মঙ্গোলিয়া প্রদেশের বেশ কিছু অঞ্চলে লেভেল-থ্রি সতর্কতা জারি করেছে সেখানকার প্রশাসন। ওই এলাকাগুলিতে সব রকম পশু শিকারের উপর আপাতত নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

বাবোনিক প্লেগ একটি ব্যাক্টিরিয়া ঘটিত ভয়াবহ রোগ। এই রোগে আক্রান্ত হলে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে একজন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তিরও মৃত্যু হতে পারে। বাবোনিক প্লেগে শরীরে সংক্রমণ যত ছড়ায়, আক্রান্ত ব্যক্তির ত্বক তত কালো হয়ে যেতে থাকে। তাই বাবোনিক প্লেগে মৃত্যুকে ‘ব্ল্যাক ডেথ’ বলা হয়। জিনিউজ


আরো সংবাদ

নতুন বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র সামনে আনলো ইরান (১৮৩৫০)ছাত্রাবাসে গণধর্ষণ : সেই রাতের ঘটনা আদালতকে জানালেন ভুক্তভোগী গৃহবধূ (১১১৬৩)ক্রিকেট ছেড়ে সাকিব এখন পাইকারি আড়তদার! (১০৩৩৩)নর্দমা পরিষ্কার করতে গিয়ে ধরা পড়ল দৈত্যাকার ইঁদুর! (ভিডিও) (৮০৪১)করোনার দ্বিতীয় ঢেউ : বাড়বে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি (৭৮৭৫)আজারবাইজানের পাশে দাঁড়ালেন এরদোগান, আর্মেনিয়াকে হুমকি (৬৮৩১)যে কারণে আবারো ভয়াবহ যুদ্ধে জড়ালো আর্মেনিয়া-আজারবাইজান (৬০৩৬)সিসিবিরোধী অব্যাহত বিক্ষোভে উত্তাল মিসর (৫৩৯৭)এবার মথুরা! ঈদগাহ মসজিদ সরিয়ে জমি ফেরানোর দাবিতে আদালতে ‘‌ভগবান শ্রীকৃষ্ণ’‌ (৫২৬৯)ড. কামাল ও আসিফ নজরুল ঢাবি এলাকায় অবা‌ঞ্ছিত : সন‌জিত (৪৭১০)