১০ ডিসেম্বর ২০১৮

চীন-ভারতের শত্রুতা ও মিত্রতা

নরেন্দ্র মোদি ও শি জিনপিং - ফাইল ছবি

আমরা এমন এক দুনিয়ায় এসে পৌঁছেছি, যেখানে মিত্রতা আর শত্রুতা পাশাপাশি চলে। কথাটা শুনতে স্ববিরোধী মনে হলেও কথা সত্য। আর তা বোঝার জন্য কথা আরো ভেঙে বলা যেতে পারে। এখন দু’টি রাষ্ট্রের মধ্যে একই সাথে মিত্রতা আর শত্রুতা পাশাপাশি চলতে পারে এবং চলে। এখন কূটনীতি চালাতে হয় ইস্যুভিত্তিক। ইস্যুটা কী- আলাদা করে শুধু সেই ইস্যুর ওপর নির্ভর করে রাষ্ট্রের অবস্থান বা নীতি-পলিসি নিতে হয়। তাই অপর রাষ্ট্রের সাথে এক ইস্যুতে মিত্রতা বা আপসের একই অবস্থান আছে তো দেখা যাবে অন্য ইস্যুতে অপর ওই রাষ্ট্রের সাথেই শত্রুতা, মানে প্রবল ঝগড়া-দ্বন্দ্বের অবস্থান দাঁড়াতে পারে, দাঁড়াতে হয়। এর অনেক উদাহরণই আছে, তবে সবচেয়ে ভালো উদাহরণ হলো চীন-ভারত সম্পর্ক। ভারত বর্তমানে নিজেদের দুই রাষ্ট্রের মধ্যকার বিভিন্ন ইস্যুতে খুবই নরম ও ঐক্যকামী।

কিন্তু এশিয়ার তৃতীয় কোনো রাষ্ট্রে চীনের প্রভাব বেড়ে যাওয়ার বিরুদ্ধে চরমতম বিরোধী। এ কারণে এমন খারাপ-ভালো অথবা উত্থান-পতনের সম্পর্কের মাঝেও তাদের এক বড় সফলতা হলো য়ুহান সম্মেলন। ট্রাম্পের আমেরিকার বিভিন্ন রাষ্ট্রের ওপর ট্যারিফ আরোপের যুদ্ধে ভারতকেও যুক্ত করাতে ভারত আমেরিকায় রফতানিবাজার হারানোর পর থেকে এই নাটকীয় পরিবর্তনের শুরু। চীন-ভারতের বিরোধ মিটিয়ে না হলেও কমিয়ে আরো কাছাকাছি আসার বিরাট উদ্যোগ ছিল মোদির চীনের য়ুহান প্রদেশ সফরে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সাথে এক বিশেষ ধরনের বৈঠক। এই সম্মেলন আর এর প্রবল প্রভাবের কাল ছিল এ বছরেরই গত এপ্রিল-মে মাসজুড়ে।

এটা বিশেষ ধরনের বৈঠক মানে এখানে লক্ষ করলে দেখা যাবে, আনুষ্ঠানিক রেকর্ডে এখানে বলা হয়েছে, এটা ছিল এক ‘ইনফরমাল সামিট’; মানে অনানুষ্ঠানিক শীর্ষ সম্মেলন। অর্থাৎ যে বৈঠকের কথা বিস্তারিত প্রকাশ করতে হবে না। আবার কোনো ইস্যুতে ঠিক কী কথা হয়েছে সেটি যেহেতু অনানুষ্ঠানিক, তাই এমন বা অমন কথা হয়েছে সে রকম কোনো আনুষ্ঠানিক রেকর্ড রাখার দায়ও কোনো পক্ষের নেই। এ এক বিরাট সুবিধা। বিশেষ করে ভারতের। কারণ, ভারতে রাজনীতি চর্চার স্টাইলে সস্তা পপুলিস্ট কারণে অনেক সময় ক্ষমতাসীন দলের বিরুদ্ধে অন্য বিরোধীরা আপসের নানা অভিযোগ তুলে বসে। আর এই ভয় থাকার কারণে দুই রাষ্ট্রের অনেক বিরোধ আর কাটে না।

এ বিষয়ে সবচেয়ে ভালো উদাহরণ হলো, পাকিস্তান ইস্যুতে ভারতের যেকোনো সরকারের নেয়া সিদ্ধান্ত বা পদক্ষেপ। য়ুহান সম্মেলনে আলোচনার কাঠামোই এমন ছিল যে, এখানে সেসব সমস্যা নেই। ফলে এই সম্মেলনে চীন-ভারতের বহু বা প্রায় সব ইস্যুতে দুই শীর্ষ নেতা মন খুলে কথা বলেছে সাক্ষ্য প্রমাণ না রেখে বা ফরমাল নোট না রেখে। দোভাষী ছাড়া অন্য কোনো সহায়ক ব্যক্তিকেও কোনো পক্ষ সাথে না রেখে।

অথচ এখানেই উভয়পক্ষ বহু বিষয়ে মৌলিক নীতিগত দিক সেটেল করা হয়েছে। অথচ এই মৌলিক নীতিগত দিকের ওপর দাঁড়িয়ে পরবর্তীকালে বহু অমীমাংসিত ইস্যুতে আনুষ্ঠানিকভাবে সমাধান টানা হতে পারবে। এটি ছিল এই সম্মেলনের বড় সুবিধা।

তবে মিত্রতা আর শত্রুতা পাশাপাশি নিয়ে চলার দুনিয়ায় আমরা এসে পৌঁছানো কি খারাপ হয়েছে? না, অবশ্যই নয়। আসলে ‘খারাপ’ হতে পারে এই ধারণাই কোল্ড ওয়ার আমলের চিন্তার অভ্যাসে বলা কথা। কারণ, কোল্ড ওয়ার মানেই দুনিয়াকে পরস্পর দুই শত্রুর দু’টি রাষ্ট্রের গ্রুপে, সোভিয়েত ইউনিয়ন আর আমেরিকা এ দুটো ব্লকে ভাগ করে ফেলা। এটা এমনই ব্লক যে, এখানে শত্রুতা ছাড়া অন্য কিছুর জায়গাই নেই। একেবারে হিন্দু জাতপ্রথার ছোঁয়াছুঁয়ির মতো দুই রাষ্ট্রজোটের পরস্পর সম্পর্কহীন থাকা আর শত্রুতাই এর একমাত্র বাস্তবতা। সবচেয়ে বড় কথা, কেন এমন সম্পর্কহীনতার দুই ব্লক চালু রাখা সম্ভব হয়েছিল? এর জবাব হলো, যেহেতু দুই ব্লকের মধ্যে কোনো অর্থনৈতিক সম্পর্ক বা বিনিময় সম্পর্ক ছিল না, তাই এটা টিকে ছিল। অর্থনৈতিক বা বিনিময় সম্পর্ক মানে হলো- কোনো পণ্য পুঁজি বা বিনিয়োগ বিনিময় সম্পর্ক। ফলে এমনকি কোনো ভাব বিনিময় সম্পর্কও সেখানে ছিল না। তাই সম্পর্কহীনতার দুই রাষ্ট্রজোট বা ব্লক চালু রাখা সম্ভব হয়েছিল।

বিপরীতভাবে বললে, এ কালে সম্পর্কহীনতার এমন কোনো দুই ব্লক থাকা সম্ভব নয়। অথবা ইতিবাচকভাবে বললে, একালেই ‘য়ুহান ইনফরমাল সামিট’ সম্ভব। কেন? এর মূল কারণ দুনিয়ায় এখন সব রাষ্ট্র একই ‘গ্লোবাল অর্থনৈতিক অর্ডার’ এই নিয়মশৃঙ্খলার অংশ। পুঁজির জন্ম-স্বভাব হচ্ছে গ্লোবাল; দুনিয়াজুড়েই বিস্তৃত হবে। দুনিয়ার বিভিন্ন দেশ-মহাদেশের প্রতিটি কোনায় বিচ্ছিন্নভাবে শুরু হওয়া পুঁজিতান্ত্রিক তৎপরতা ক্রমেই পরস্পরের হাত ধরে ফেলবে, আর ক্রমেই গভীর সম্পর্কিত হয়ে যাবে। আর এই সম্পর্ক মানে? মনে রাখতে হবে, এটা হলো পরস্পরের ওপর পরস্পরের গভীরভাবে নির্ভরশীল হয়ে পড়া এক সম্পর্ক। আবার একই ‘গ্লোবাল অর্থনৈতিক অর্ডার’Ñ এই সিস্টেম শৃঙ্খলার অংশ বলেই এটা সহজ এবং তা হতে বাধ্য। এই ইতিবাচক দিকটিই চীন-ভারতের চরম স্বার্থবিরোধ সঙ্ঘাতের মধ্যেও ‘য়ুহান ইনফরমাল সামিট’ ঘটিয়ে ফেলেছিল।

চলতি ২৩-২৪ নভেম্বর ২০১৮, চীন-ভারত সীমান্ত-বিরোধ মীমাংসার ২১তম বৈঠক শুরু হয়েছে।
২১তম মানে এ ধরনের বৈঠকের শুরু অনেক পুরনো, সেই ২০০৩ সালে বাজপেয়ির চীন সফর থেকে। এর বৈশিষ্ট্য হলো দুই রাষ্ট্রপক্ষের পূর্বঘোষিত স্থায়ী দুই ‘স্পেশাল রিপ্রেজেন্টেটিভ’-এর ডায়ালগের মাধ্যমে চীন-ভারত সীমান্তের কলোনি আমল থেকে অমীমাংসিত থেকে যাওয়া সমস্যা মেটানোর চেষ্টা চালানো। সে হিসেবে এই বৈঠক এখন রুটিনের মতো হয়ে গেলেও য়ুহান ‘ইনফরমাল সামিট’-এর পরে এর গুরুত্ব এবার অনেক বেশি।

কোনটা কত দূর কার সীমানা- সে ব্যাপারে উভয়ের একমত হয়ে এভাবে পুরো চীন-ভারত সীমান্তকে ‘চিহ্নিত সীমানা’ হিসেবে এঁকে ফেলা অবস্থায় পৌঁছানোই ‘এমন বিশেষ বৈঠক’ উদ্যোগের লক্ষ্য। তবে এক মতে ‘সীমানা চিহ্নিত’ করে ফেলার আগে এখন সীমান্ত-ভূমি যেখানে যার দখলে যা আছে ও স্থিতাবস্থায় আছে, সেটাকেই উভয়ে ‘লাইন অব কন্ট্রোল বা এলওসি’ বলে মানে। যেটাকে আসলে ‘অস্থায়ী কিন্তু বাস্তব সীমানা’ বলা যায়। এবারের আলোচনায় উভয়পক্ষ এখানেই পৌঁছানোর চেষ্টা করবে। সীমানা বিরোধ মেটানোতে অগ্রগতি আর কিছু হোক আর না-ই হোক, বর্তমান এলওসি বা ‘অস্থায়ী বাস্তব সীমানা’- এটা মেনে নেয়াই সবচেয়ে ভালো সমাধান; এ বিষয়ে উভয়ের ঘোষিত ঐকমত্য প্রতিষ্ঠা করা।

ভারতের এক প্রাক্তন কূটনীতিক এমকে ভদ্রকুমার। ভারতের প্রায় সব প্রাক্তন কূটনীতিক যেখানে প্রো-আমেরিকান; মানে প্রো-আমেরিকান থিংকট্যাংক প্রতিষ্ঠানে কাজ খুঁজে নিতে ব্যস্ত, সেখানে তিনি হাতেগোনা দু-তিন কূটনীতিকের মধ্যে একজন, যিনি তা নন। উজবেকিস্তান ও তুরস্কে ভারতের প্রাক্তন রাষ্ট্রদূত ভদ্রকুমার, যিনি ভারতের ভবিষ্যৎ আমেরিকার মধ্যে দেখেন না। চীনের সাথে ভারত তার নানান বিরোধের ইস্যুগুলো মেটানোর প্রবল আগ্রহী হয়ে উঠতেই এ কালের চলতি সময়ে মোদির ভারতকে ভদ্রকুমার দেখছেন।

অবশ্য শুধু সীমান্ত-বিরোধ মীমাংসার বৈঠক দেখে তিনি এ কথা বলেননি। তিনি আরো এক ইস্যু দেখেছেন। এই ১৩-১৪ নভেম্বর সিঙ্গাপুরে ‘ইস্ট এশিয়া সামিট’ অনুষ্ঠিত হয়ে গেল। এটা আমেরিকা, রাশিয়া, চীন, ভারতসহ মোট ১৮ রাষ্ট্রের এক সম্মেলন; যার শুরু হয়েছিল আসিয়ান রাষ্ট্রকে কেন্দ্র করে সাথে অন্যান্য ইস্ট এশিয়ান রাষ্ট্রকে নিয়ে। কিন্তু এখন তা বাড়তি অনেককেই সদস্য করে নিয়েছে।

এবারের এই বৈঠক থেকে চীনের অর্জন হলো, চীন-সিঙ্গাপুরের মধ্যে এক ফ্রি ট্রেড এগ্রিমেন্টের (আপগ্রেড ভাষ্য) স্বাক্ষরিত হয়েছে। ভদ্রকুমার বলছেন, শুধু তা-ই নয়, এতে এই প্রথম ‘বেল্টরোড উদ্যোগ’ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বলাই বাহুল্য, যারা চীনের ‘বেল্টরোড উদ্যোগে’ অন্তর্ভুক্ত হতে আপত্তি বা দ্বিধা করে, তাদের মধ্যে সিঙ্গাপুর অন্যতম ছিল। বিশেষ করে পশ্চিমের কাছে সিঙ্গাপুর এক বিশেষ অর্থ বহন করে। যেখানে তারা সিঙ্গাপুরকে গড়ে তুলেছিল ফ্রি-পোর্টসহ নিজেদের উৎপাদিত পণ্যের এশিয়ান গোডাউন হিসেবে; আর একই সাথে ওয়াল স্ট্রিট বিনিয়োগ পুঁজির স্থানীয় বা বর্ধিত অফিস হিসেবে। এই হলো ফ্রি-পোর্ট সিটি মানে বিনা মাশুলে পুনঃরফতানিযোগ্য করে নিয়ম বানানো সিঙ্গাপুর। পশ্চিমের সেই সিঙ্গাপুরে এখন বেল্ট-রোড উদ্যোগকে জায়গা দেয়া গুরুত্বপূর্ণ বৈকি। অবশ্য এটিও মনে রাখতে হবে, আজকাল খোদ সেই সিঙ্গাপুর চীনের ওপরও কত বিরাট নির্ভরশীল।

পশ্চিম চীনের সাথে বহু সম্পর্ক করে থাকে সিঙ্গাপুরের মাধ্যমে, সিঙ্গাপুরে অফিস খুলে। যেমন একটা উদাহরণ দেই। আজকাল চীনে উঠতি সম্পদের মালিক যারা, এমন এক মিলিয়ন ডলারের বেশি বিনিয়োগ সক্ষমতা আছে যাদের- এমন এদেরকে বাজারে নিয়ে আসা সহজ করতে সাহায্য করতে, এমন ব্যক্তি ক্লায়েন্টদের ধরতে আমেরিকা বা সুইজারল্যান্ডের বিনিয়োগ কোম্পানিগুলো সিঙ্গাপুরে অফিস খুলেছে। আর সেখান থেকে তাদের রিলেশনশিপ ম্যানেজাররা চীনে সরাসরি ক্লায়েন্টদের বাসা সফর করছে। ফলে সার কথায় সিঙ্গাপুর আর পশ্চিমের এক্সটেনডেড দোকান থাকেনি, চীনেরও হয়ে উঠছে। তাহলে এখন বেল্ট-রোড উদ্যোগে নতুন অন্তর্ভুক্তি, সেটা শুধু কি সিঙ্গাপুরই?

না আরো আছে, আরো বড় নাম হলো খোদ জাপান। কারণ কী? ব্যাপারটা হলো, চীনের নতুন এক সিদ্ধান্ত। চীনের বেল্ট-রোড উদ্যোগ এক বহুরাষ্ট্রীয় (৬৫ রাষ্ট্রেরও বেশি) অবকাঠামো বিনিয়োগ প্রকল্প। ফলে এতে বিনিয়োগ সুযোগের বড় অংশই চীনের বাইরে। চীন ‘বেল্ট-রোড উদ্যোগের’ অংশ হিসেবে তৃতীয় রাষ্ট্রে চীনের সাথে যৌথ বিনিয়োগে সিঙ্গাপুর বা জাপানকে সংশ্লিষ্ট হতে অফার দিয়েছে। সিঙ্গাপুরের মতো জাপানও প্রবল আগ্রহ দেখিয়েছে।

এশিয়ায় চীনের ‘বেল্ট-রোড উদ্যোগ’-এর পাল্টা আমেরিকান নেতৃত্বের যে উদ্যোগ আছে, সেটি মূলত ‘ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজি’ নামে হাজির আছে। আর এর সহযোগী উদ্যোগ হলো ‘কোয়াড’, মানে চীনবিরোধী ‘আমেরিকা, জাপান, ভারত ও অস্ট্রেলিয়া’ এই চারদেশীয় জোট। কিন্তু কখনই এই চার দেশ একসাথে একমতে খাড়া হতে পারেনি। মূল কারণ এরা সবাই আবার চীনের সাথেও ব্যবসায়িক স্বার্থে এবং একই সাথে অন্য স্বার্থবিরোধে জড়িয়ে আছে। ফলে সব সময়ই দেখা গেছে এই চারের কেউ একজন চীনের সাথে নিজের ব্যবসায়িক স্বার্থের প্রাবল্য অনুভব করে বাকিদের সাথে থাকেনি।

‘বেল্ট-রোড উদ্যোগ’ চীনের সাথে তৃতীয় রাষ্ট্রে যৌথ বিনিয়োগের অফার পাওয়া জাপান, তাদের প্রতিক্রিয়া বোঝাতে ভদ্রকুমার কিছু ঘটনা টেনেছেন। এক জাপানি কূটনীতিকের ভাষ্যে তিনি বলছেন, ‘আমাদের কিছু আসিয়ান সদস্য বেল্ট-রোড উদ্যোগের সাথে ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজিকে তুলনা করতে পছন্দ করছে না। ফলে জাপানের প্রধানমন্ত্রী আবে আর ‘ইন্দো-প্যাসিফিক’ শব্দটি বলা বন্ধ করেছেন। তা না বলে এর বদলে বলছেন ‘ভিশন’। এতে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক জাপানি কর্মকর্তা বলছেন, আসলে ‘স্ট্র্যাটেজি শব্দটির মধ্যে অন্য রাষ্ট্রকে পরাজিত করানোর একটা অর্থ লেপটে আছে, সে কারণেই এই পরিবর্তন।’ অর্থাৎ জাপানও কোয়াড থেকে নিজেকে দূরে নিচ্ছে। কিন্তু এত কিছুর পরও ছাড়া ছাড়াভাবে চলা কোয়াডের যুগ্মসচিব পর্যায়ের এক বৈঠকে ভারত যোগ দিচ্ছে। সেই রেফারেন্স তুলে ভদ্রকুমার বলছেন, জাপান ভারতকে পেছনে ফেলে সিদ্ধান্ত নিয়ে চলে গেল। এভাবে এশিয়া-প্যাসিফিকের ভূকৌশলগত অবস্থা পরিস্থিতিই বদলে যাচ্ছে। আর মোদির ভারত এতে বিরাট কিছু সুবিধা হারাচ্ছে, সিদ্ধান্ত নিতে পারছে না।
লেখক : রাজনৈতিক বিশ্লেষক
[email protected]


আরো সংবাদ

যেসব আসনে ‘ধানের শীষের’ প্রার্থী পরিবর্তন করা হয়েছে (২৮৭৩৪)বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাদের মধ্যে যারা প্রার্থী হলেন (১৩০২৭)মনোনয়ন না পাওয়া বিএনপির আনিসুল হক বললেন- ব্যক্তি নয় মার্কাই বড় (১১৮১৮)অভিমানে বিএনপি ছাড়লেন মনির খান (১১১৭৬)জোটে ২২ আর উন্মুক্তভাবে ১ আসনে লড়বে জামায়াত (১০৮৭৮)ঢাকা-১৭ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ (৯৭০৯)বিএনপির প্রার্থী ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শাহ মোয়াজ্জেমকে লক্ষ্য করে গুলি! (৯২৭০)এত কিছু করেও মির্জা আব্বাসকে ঠেকাতে পারলেন না মেনন (৯২৪৯)বিএনপির চূড়ান্ত মনোনয়ন পেলেন খন্দকার মাহবুব (৮৬১২)বিএনপির আরো চূড়ান্ত মনোনয়ন পেলেন যারা (৭৯২০)