২৬ মে ২০১৯

ভারতে বিজেপিবিরোধী জোটের মহড়া

ভারতে বিজেপিবিরোধী জোটের মহড়া - ফাইল ছবি

ভারতের রাজনীতিতে মনে রাখার মতো একটি দিন ২৩ মে । টাইমস অব ইন্ডিয়ার ২৪ মে একটি শিরোনাম ছিল, ‘মোদি বনাম বাকি সবাই : ১৯৯৬ সালের পর সবচেয়ে বড় বিজেপিবিরোধী ঐক্যজোটের মহড়া। ২০১৯ সাল পর্যন্ত টিকবে তো?’ [Modi vs Rest : Biggest anti-BJP unity show since 1996. Will it hold till 2019?] কিন্তু ২৩ মে দিনটি কী ছিল? ভারতে ছোট-বড় মিলিয়ে প্রায় ৩০টি রাজ্য বা প্রাদেশিক সরকার আছে। এসব রাজ্যে নির্বাচন অথবা সরকার গঠনের ভাঙাগড়া, স্থানীয় ইস্যুতে সঙ্কট লেগেই আছে। ২৩ মে ছিল দক্ষিণ ভারতের পুরনো গুরুত্বপূর্ণ রাজ্য কর্নাটকের নবনির্বাচিত প্রাদেশিক বা রাজ্যসরকারের মুখ্যমন্ত্রীসহ অন্যদের শপথ নেয়া ও নতুন সরকার গঠনের দিন। কিন্তু এটা নিয়ে এত রাজনৈতিক হইচইয়ের কারণ কী? কারণ হলো, মোদি বা বিজেপিবিরোধী যত মুখ্যমন্ত্রী বা রাজনৈতিক দলের নেতা বর্তমানে ভারতে আছেন, তারা প্রায় সবাই সোনিয়া-রাহুলসহ এই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের আমন্ত্রিত অতিথি ছিলেন এবং তারা সবাই এসেছিলেন। আর ওই শপথ অনুষ্ঠানের পর তারা নিজেরাই শপথ মঞ্চে এসে হাতে হাত ধরে দাঁড়িয়ে আসন্ন ভারতের কেন্দ্রীয় নির্বাচনে মোদি যেন দ্বিতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হয়ে জিততে না পারেন, সে লক্ষ্যে একাত্মতা প্রকাশ করেন। যেটি বিশাল অর্থপূর্ণ মোদিবিরোধী সম্ভাব্য জোটের এক প্রদর্শনী হয়ে উঠেছিল।

এভাবেই এক স্থানীয় রাজ্যসরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ঘটনা কেন্দ্রীয় রাজনীতির ঘটনা হিসেবে হাজির হলো। আর সেই সাথে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের নির্বাচন বা লোকসভার নির্বাচনী লড়াই যে শুরু হয়ে গেল তা বলা চলে। যদিও মোদি সরকারের পাঁচ বছর পূর্ণ হবে প্রায় আরো এক বছর পর, পরের বছর ২০১৯ সালের মে মাসে। তাহলে এখন ‘নির্বাচনী লড়াই শুরু’ বলার কারণ হলো, আসলে ২৩ মের ঘটনাটি ছিল প্রক্সি নির্বাচনী লড়াই। অর্থাৎ আগামী বছরের হবু লড়াইয়ের একটি ছায়া ভিন্ন পাত্রপাত্রী আর ভিন্ন এক ঘটনায় প্রকাশ হলো। ভারতের রাজনীতি ১৯৮৫ সালের পর থেকে কেন্দ্রীয় নির্বাচনে এক দলের বিরুদ্ধে আরেক দল কেন্দ্রে সরকার গড়বে এমন ধারায় চলছিল। কিন্তু এখন বিষয়টি আর সেই জায়গায় নেই; বরং ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতার প্রার্থী বা প্লেয়ার এখন আর কংগ্রেস বা বিজেপির মতো সর্বভারতীয় দল নয়, বরং আঞ্চলিক দলগুলোই (মূলত রাজ্যভিত্তিক স্থানীয় দল) গুরুত্বপূর্ণ ও নির্ধারক। ১৯৯৬ সালেও কিছু আঞ্চলিক দলের জোট কেন্দ্রে সরকারও গড়েছিল। আর ১৯৮৫ সালের পর থেকে কংগ্রেস অথবা বিজেপি নিজেরা এককভাবে কেউই কেন্দ্রীয় সরকার গড়ে ক্ষমতায় ছিল না, বরং উভয়েই (কংগ্রেসের ইউপিএ অথবা বিজেপির এনডিএ নামে জোট) দুই ভিন্ন জোটের নামে ক্ষমতায় ছিল। আর এবার শুরুতে মোদি সরকারের একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকলেও এনডিএ জোট সরকার হিসেবে ক্ষমতাসীন আছে। এখন অবশ্য বিজেপি দলের একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়েছে, এক বা দুই আসনের কমতি হয়ে গেছে। যদিও জোট হিসেবে সরকারের কোনো সঙ্কট নেই। ভারতের রাজনীতি আঞ্চলিক দলগুলোর ভূমিকা ক্রমেই বড় থেকে আরো বড় ও প্রভাবশালী হয়ে উঠছে। মোদি বা বিজেপিবিরোধী জোটের ছায়ায় একাধিক আঞ্চলিক দল ও মুখ্যমন্ত্রীর উপস্থিতি গত ২৩ মের এক মুখ্যমন্ত্রীর সামান্য শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান ভারতের জাতীয় রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে হাজির হয়েছে।

চলতি মে মাসের ১২ তারিখে ভারতের গুরুত্বপূর্ণ রাজ্য কর্নাটকের রাজ্যসরকারের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। পরে ফল গণনা ও তা প্রকাশিত হয় ১৫ মে, কিন্তু ফলাফল আসে তিন দলের এক ঝুলন্ত সংসদ। মোট ২২৪ আসনের কর্নাটক সংসদে রাজ্যসরকার গঠন করতে গেলে ১১১ আসন দরকার (দুই আসন নির্বাচন হয়নি, ফাঁকা আছে তাই ১১৩ আসনের জায়গায় নির্বাচিত মোট ১১১ আসন পেলেই হবে), যা কোনো দলই পায়নি। যদিও বিজেপি গতবারের (৪০ আসন) চেয়ে এবার সবার চেয়ে বেশি, ১০৪ আসন পেয়েছে। আর গতবার ১২২ আসন পেয়ে সরকার গঠন করে থাকা কংগ্রেসের এবার আসন কমে নেমে এসেছে মাত্র ৭৮ আসনে। আর স্থানীয় দল, জনতা দল (এস) আগে পেয়েছিল ৪০ আর এবার অল্প কিছু কমে পেয়েছে ৩৭ আসন।

সারকথায়, বিজেপির একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা (১১১ আসন) না থাকায় সরকার গড়তে পারছিল না। বড় কারণ, স্বতন্ত্র বা এক-দুই আসন পাওয়া কোনো ছোট-বড় দল নেই। আসলে এমন মোট আসনই ছিল মাত্র দু’টি। অর্থাৎ সরকার গঠনে বিজেপির ঘাটতি সাত আসন, এটা পূরণ করতে হলে তাকে মূলত জনতা দল (এস) থেকে অথবা না পারলে কংগ্রেস দল থেকেই টাকা দিয়ে এদের এমপি ভাগিয়ে আনতে হবে। যেটা সহজ নয়। অপর দিকে কংগ্রেস দল ফল প্রকাশের সাথে সাথে উল্টো জনতা দল (এস)-কে মুখ্যমন্ত্রিত্বের প্রস্তাব দেয়। বিনিময়ে কোয়ালিশন বা জোট সরকার গড়তে রাজি করে। এরপরও বিজেপি কর্নাটক রাজ্যের রাজ্যপালের সাথে দেখা করে ‘সরকার গঠন করতে সক্ষম হবে’ এই দাবি জানায়। তাতে রাজ্যপাল যেন বিজেপিকে সরকার গঠনের আমন্ত্রণ জানায়, সেই দাবি করা হয়। এর এক দিন পর ১৮ মে রাজ্যপালও বিজেপি নেতা ইয়েদুরাপ্পাকে শপথ নিতে আহ্বান জানিয়ে চিঠি দেন।

ভারতের রাজনীতিক কাঠামো ও সরকারব্যবস্থায় মূলত কেন্দ্রীয় সরকারের সুপারিশেই রাষ্ট্রপতি রাজ্যপাল নিয়োগ দিয়ে থাকেন। তাই রাজ্যপালরা কেন্দ্রে ক্ষমতাসীন সরকারি দলের মুখ হয়ে থাকেন এবং তিনি প্রধানমন্ত্রীর হুকুম তামিলের ব্যক্তি হয়ে ওঠেন। ফলে ভারতের রাজনৈতিক ব্যবস্থাপনায় কখনো কখনো রাজ্যপাল বিরাট ফাঁক-ফোকর হয়ে ওঠে। কর্নাটকে এটা স্পষ্ট ছিল যে বিজেপি (গোপনে টাকার বিনিময়ে) অন্য দলের এমপি ভাগিয়ে আনা বা হর্স ট্রেডিং ছাড়া সরকার গঠনের সংখ্যাগরিষ্ঠতা দেখাতে পারবে না। বিপরীতে কংগ্রেস-জনতা দল (এস)-এর জোট তাদের মোট ১১৫ আসনের সবার নামসহ তালিকা রাজ্যপালের কাছে সরবরাহসহ আবেদন করলেও তিনি তাদের সরকার গঠনের দাবি অগ্রাহ্য করেন। সম্ভবত রাজ্যপালের দুর্বল যুক্তি এই যে, একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা না থাকলেও তিনি সবচেয়ে ‘বেশি আসন পাওয়া’ বিজেপিকেই সবার আগে সরকার গঠন করে দেখানোর জন্য ডাকতেই পারেন। বিজেপি তাতে ব্যর্থ হলে এর পরে তিনি কংগ্রেস জোটকে ডাকবেন। অর্থাৎ এতে রাজ্যপালের কথা ও আইনের ফাঁক হলো, জেনেশুনে তিনি বিজেপিকে হর্স ট্রেডিং করে অন্য দলের লোক ভাগিয়ে আনার সুযোগ করে দিচ্ছেন। শুধু তাই নয়, এই কেনাবেচার কাজ করতে বিজেপির সভাপতি অমিত শাহ যেন যথেষ্ট সময় পান; সেজন্য বিজেপি নেতা হবু মুখ্যমন্ত্রী ইয়েদুরাপ্পাকে সংখ্যাগরিষ্ঠতার প্রমাণ দেখাতে ১৫ দিনের সময় দেন। ফলে কংগ্রেস জোট এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ভারতের সুপ্রিম কোর্টে যায়।

সুপ্রিম কোর্ট সব শুনে রায়ে হবু মুখ্যমন্ত্রী ইয়েদুরাপ্পাকে শপথ নিতে বাধা দেননি বটে; কিন্তু হর্স ট্রেডিংয়ের বিরুদ্ধে দু’টি পদক্ষেপ নেন। আদালত শর্ত দেন, ১৫ দিন নয়, ৪৮ ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যে পূর্ণ সংসদ ডেকে সেখানে নিজ সমর্থক সংখ্যাগরিষ্ঠতা দেখাতে হবে। এ ছাড়া এর সব কিছুই ঘটতে হবে অন ক্যামেরা। ফলে সোজাকথায় বললে, টাকা দিয়ে এমপি কেনার কোনো সুযোগ ও সময় আদালত বিজেপির জন্য রাখেননি। এতে অবস্থা এতই বেগতিক ও বিপজ্জনক বলে মোদিসহ বিজেপি দল অনুমান করে, বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী ইয়েদুরাপ্পার শপথ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী মোদি ও দলীয় সভাপতি অমিত শাহ অনুপস্থিত হয়ে যান। অথচ এ পর্যন্ত সব বিজেপি মুখ্যমন্ত্রীর শপথে তারা গর্বের সাথে উপস্থিত থাকতেন। শুধু তাই নয়, শপথের পরপরই কয়েক ঘণ্টার মুখ্যমন্ত্রী ইয়েদুরাপ্পাকে মোদি খবর পাঠান যে, তিনি যেন সংসদ ডেকে সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণের দিকে আর চেষ্টায় না যান। এর বদলে আগেই রাজ্যপালের কাছে অপারগতা জানান ও পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে দেন। কারণ, সংসদ ডেকে বসলে বিজেপির বেইজ্জতি আরো বেশি হতো। ফলে ইয়েদুরাপ্পার পদত্যাগের পর উপায়হীন রাজ্যপাল এবার কংগ্রেস- জনতা দল (এস)-এর জোটের নেতা কুমারস্বামীকে সরকার গঠনের আহ্বান জানান। আর এই কুমারস্বামীর মুখ্যমন্ত্রিত্বের সরকারের শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠানই ছিল মূলত ২৩ মের অনুষ্ঠান। মোদির এই অনৈতিক হর্স ট্রেডিং করতে গিয়ে ব্যর্থতা মোদি বা বিজেপিবিরোধী জোটের নৈতিক বিজয় হয়ে হাজির হয়েছে। এই বিজয় উদযাপনই যেন হয়ে উঠে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান।
এখন দেখা যাক আঞ্চলিক জনতা দল (এস) এবং তার নেতা মুখ্যমন্ত্রী কুমারস্বামী কে? আমাদের মনে থাকার কথা এইচ ডি দেবগৌড়ার নাম। দেবগৌড়া ১৯৯৬ সালে কলকাতার জ্যোতি বসুর সিপিএমসহ অন্যান্য আঞ্চলিক দলের সহযোগিতায় গড়া কেন্দ্রীয় সরকারের প্রথম প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন। আর একমাত্র সেই সরকারের আমলেই বাংলাদেশ-ভারত পানিচুক্তি হয়েছিল এবং আমরা কিছু দিন গঙ্গা নদীর পানি পেয়েছিলাম। সেই দেবগৌড়া একজন কর্নাটকি। তারই দলের নাম জনতা দল (এস) এবং তিনি এখনো দলের প্রধান। আর তারই বড় ছেলে হলেন এইচ ডি কুমারস্বামী, তিনি এবার মুখ্যমন্ত্রীর শপথ নিলেন। দেবগৌড়া এখনো দলে সক্রিয় আছেন; তবে ছেলেকে সামনে রাখেন।

এ দিকে নির্বাচনের ফল প্রকাশের পরপরই কর্নাটকের জোট সরকার গড়ার ক্ষেত্রে দেবগৌড়া-সোনিয়ার সাথে কথা বলে সবচেয়ে সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যয়। তার সাথে আরো আছেন উত্তর প্রদেশের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী বিএসপি দলের মায়াবতী, সমাজবাদী দলের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী অখিলেশ যাদব। ফলে এটা কেবল দেবগৌড়া-সোনিয়ার জোটের রাজ্যসরকার নয়; বলতে গেলে যেসব আঞ্চলিক নেতা বা মুখ্যমন্ত্রী ওই শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, তারা সবাই মোদিবিরোধী জোটের একেকজন কারিগর।

আগামী বছর ভারতের কেন্দ্রীয় নির্বাচনের ফলাফল কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে, আমরা এখনই জানি না। এ ছাড়া বাংলাদেশের স্বার্থের দিকে তাকিয়েও এই নির্বাচনে ভোট পড়বে না, সরকার গঠনও হবে না। তবে আমরা কেবল বলতে পারি, ভারতে কোন দল জোট ক্ষমতায় এলে তা বাংলাদেশের জন্য কী প্রভাব পড়তে পারে। এই বিচারে ভারতে আঞ্চলিক দলের এক জোট কোয়ালিশন সরকার (কংগ্রেসের নেতৃত্বের কোনো জোট সরকার অথবা বিজেপির নেতৃত্বে কোনো জোট সরকার নয়) বাংলাদেশের স্বার্থের জায়গায় বসে দেখলে আমাদের জন্য সবচেয়ে সুবিধাজনক সরকার হবে। ১৯৯৬ সালের অভিজ্ঞতা আমাদের তাই বলে। আবার ভারতের সরকার বাংলাদেশে কোন দলকে ক্ষমতায় বসিয়ে দিক কিংবা আজীবন রাখুক- এ আকাক্সক্ষা যাদের আছে, এদেরকে বাইরে রেখে বাংলাদেশের জনগণের স্বার্থের দিক থেকে দেখলে, ১৯৯৬ সালের কোয়ালিশন সরকার ছাড়া তুলনামূলক অর্থে ভারতের সব সরকারই মূলত ছিল হকিশ (ঐধশিরংয) মানে, বাজপাখির মতো ধরো-মারো-খাও স্বভাবের সরকার। সে তুলনায় ১৯৯৬ সালের ভারতের সরকারকে বলা যায় লিবারেল সরকার। এই লিবারেলিজম দেখতে পাওয়ার সাথে তাদের ওই আঞ্চলিক জোট সরকারের কোয়ালিশন বৈশিষ্ট্য থাকা সম্পর্কিত বলে মনে করার কারণ আছে। অর্থাৎ আঞ্চলিক জোট বলেই তারা লিবারেল বৈশিষ্ট্যের। এমনকি আগামীতে সম্ভাব্য আঞ্চলিক জোট বা কোয়ালিশন সরকারের ভেতরে কংগ্রেস থাকতে পারে, তবে সেই কংগ্রেস আঞ্চলিক কোনো দলের মতো প্রভাবের দল হবে।

কোনোভাবেই সেটি প্রভাবশালী এক কংগ্রেস দলের নেতৃত্বে আঞ্চলিক দলের জোট যেমন ২০০৪-২০১৪ সাল পর্যন্ত দুই ইউপিএ মতো হবে না। আগামী আঞ্চলিক জোট এমন হলে তবেই তা বাংলাদেশের স্বার্থের পক্ষে যেতে পারে বলে অনুমান করা যায়। এই বিচারে তৃণমূলের মমতা বা সিপিএমের ইয়াচুরিসহ অনেকের মাথায় কংগ্রেস বা বিজেপির বাইরে একটি কাক্সিক্ষত আঞ্চলিক জোট দেখতে পাওয়ার আকাক্সক্ষার কথা জানা যায়। মূলত আঞ্চলিক দলের ভেতর দিয়ে ভারতের নির্বাচনী ক্ষমতার প্রধান প্রকাশিত ধারা- ভারতের এমন জোট সরকার বাংলাদেশের সবচেয়ে ফেবারেবল হবে। আমরা কি এমন আঞ্চলিক দলের জোট দেখতে পাবো?
লেখক : রাজনৈতিক বিশ্লেষক
[email protected]


আরো সংবাদ




Instagram Web Viewer
agario agario - agario