ইতালিয়ান ফুটবল ফেডারেশনের (এফআইজিসি) দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ করেছেন পাওলো মালদিনি ও লিওনার্দো। সোমবার (২৭ জুলাই) এমনটাই জানিয়েছে স্কাই স্পোর্ট ইতালিয়া।
জাতীয় দলের ব্যবস্থাপনায় বড় ধরনের পুনর্গঠনের অংশ হিসেবে কয়েক দিন আগেই দুইজন দায়িত্ব নিতে সম্মত হয়েছিলেন। তবে সেই পরিকল্পনা শেষ পর্যন্ত বাস্তবায়িত হলো না।
টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জনে ব্যর্থ হওয়ার পর ইতালির জাতীয় দলকে পুনর্গঠনের লক্ষ্যে গত ১১ জুলাই এফআইজিসির টেকনিক্যাল ডিরেক্টর হিসেবে নিয়োগ পান মালদিনি। তার প্রথম দায়িত্বগুলোর একটি ছিল জেন্নারো গাত্তুসোর উত্তরসূরি খুঁজে বের করা। গাত্তুসোর বিদায়ের পর থেকেই প্রধান কোচের পদটি শূন্য ছিল।
তবে নিয়োগ পাওয়ার মাত্র ১৬ দিনের মাথায় মালদিনি পদত্যাগ করেন। তার সাথে পদত্যাগ করেন সাবেক ব্রাজিল আন্তর্জাতিক খেলোয়াড় লিওনার্দোও, যিনি মালদিনির উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করছিলেন।
মালদিনি ও লিওনার্দোর এই সিদ্ধান্ত আসে সাবেক জাতীয় দলের খেলোয়াড় আন্দ্রে পিরলো জাতীয় দলের কোচ হওয়ার দৌড় থেকে নিজেকে সরিয়ে নেয়ার ঘোষণা দেয়ার পরই। একটি রুশ বেটিং কোম্পানির সাথে তার বাণিজ্যিক সম্পর্ক থাকায় সম্ভাব্য নিয়োগটি ব্যাপক বিরোধিতার মুখে পড়েছিল।
এই দুই শীর্ষ কর্মকর্তার একযোগে পদত্যাগ সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত এফআইজিসি সভাপতি জিওভান্নি মালাগোর জন্য তাৎক্ষণিক সঙ্কট তৈরি করেছে। এর ফলে প্রায় ৪০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে কঠিন সময় পার করা ইতালিয়ান ফুটবল এখন জাতীয় দলের জন্য সুস্পষ্ট কোনো কৌশল ছাড়াই পড়ে রইল। গত মৌসুমে ইউরোপীয় প্রতিযোগিতায় ইতালির ক্লাবগুলোর আগেভাগেই বিদায় নেয়া এবং আবারো বিশ্বকাপে খেলতে ব্যর্থ হওয়ার পর এই সঙ্কট আরো গভীর হয়েছে।
পেপ গার্দিওলা ফেডারেশনের প্রাথমিক প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করার পর প্রধান কোচের পদে আন্দ্রে পিরলোই ছিলেন মালদিনির প্রথম পছন্দ। তবে এখন শূন্য পদটির জন্য আরো কয়েকজন পরিচিত কোচের নাম আলোচনায় এসেছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন রবার্তো মানচিনি, থিয়াগো মোত্তা এবং এন্টোনিও কন্টে।
এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য দেয়নি ইতালিয়ান ফুটবল ফেডারেশন (এফআইজিসি)। সূত্র : বাসস



