বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়নসের সামনে কঠিন লড়াই, অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ

আসরে বাংলাদেশের পথচলা হবে একের পর এক কঠিন প্রতিপক্ষের বিপক্ষে। পাকিস্তানের বিপক্ষে উদ্বোধনী ম্যাচের পর ৫ অক্টোবর ইংল্যান্ড, ৭ অক্টোবর অস্ট্রেলিয়া, ৯ অক্টোবর ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ১১ অক্টোবর ভারত এবং ১৪ অক্টোবর দক্ষিণ আফ্রিকার মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়নস।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
টুর্নামেন্টের তৃতীয় আসরে প্রথমবারের মতো অংশ নিতে যাচ্ছে বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়নস
টুর্নামেন্টের তৃতীয় আসরে প্রথমবারের মতো অংশ নিতে যাচ্ছে বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়নস |সংগৃহীত

একদিকে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, অন্যদিকে শহিদ আফ্রিদি— আছেন এবি ডি ভিলিয়ার্সও। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের পরিচিত মুখগুলো আবারো ফিরছেন ব্যাট-বলের লড়াইয়ে। ফিরছেন একেবারে বিশ্বমঞ্চে।

আগামী ৩ অক্টোবর সংযুক্ত আরব আমিরাতে শুরু হবে সাবেক তারকাদের ক্রিকেট উৎসব- ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপ অব লেজেন্ডসের (ডব্লিউসিএল)। আর টুর্নামেন্টের তৃতীয় আসরে প্রথমবারের মতো অংশ নিতে যাচ্ছে বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়নস।

উদ্বোধনী ম্যাচেই বাংলাদেশের সামনে পাকিস্তান। শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়নস ও পাকিস্তান চ্যাম্পিয়নস। খেলবে আরো পাঁচ দল- ভারত, অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

বাংলাদেশের নেতৃত্বে থাকবেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। তার সাথে দলে থাকার কথা রয়েছে ইমরুল কায়েস, রুবেল হোসেন, নাসির হোসেন, জিয়াউর রহমান ও কামরুল ইসলাম রাব্বির মতো জাতীয় দলের সাবেক ক্রিকেটারদের।

প্রথম পর্বে রাউন্ড রবিন লিগ পদ্ধতিতে একে অপরের মুখোমুখি হবে সাত দল। শারজাহ ও দুবাইয়ে ১৪ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে লিগ পর্ব। এরপর পয়েন্ট তালিকার শীর্ষ চার দল উঠবে সেমিফাইনালে।

১৬ অক্টোবর শারজাহতে হবে দুটি সেমিফাইনাল। একই মাঠে ১৮ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে ফাইনাল।

আসরে বাংলাদেশের পথচলা হবে একের পর এক কঠিন প্রতিপক্ষের বিপক্ষে। পাকিস্তানের বিপক্ষে উদ্বোধনী ম্যাচের পর ৫ অক্টোবর ইংল্যান্ড, ৭ অক্টোবর অস্ট্রেলিয়া, ৯ অক্টোবর ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ১১ অক্টোবর ভারত এবং ১৪ অক্টোবর দক্ষিণ আফ্রিকার মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়নস।

নতুন দল হিসেবে বাংলাদেশের জন্য তাই ডব্লিউসিএলের অভিষেকটা সহজ হওয়ার সুযোগ নেই। উল্টো মাহমুদউল্লাহদের সামনে শুধু অংশ নেয়া নয়—নিজেদের সামর্থ্যের জানান দেয়ারও সুযোগ। প্রমাণ করতে হবে যে, বুড়িয়ে গেলেও তারা ফুরিয়ে যাননি।

উল্লেখ্য, গত আসরের ফাইনালে পাকিস্তান চ্যাম্পিয়নসকে ৯ উইকেটে হারিয়ে শিরোপা জিতেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা চ্যাম্পিয়নস। ১৯৬ রানের লক্ষ্য মাত্র এক উইকেট হারিয়ে পেরিয়ে গিয়েছিল তারা।