ডারউইনে অজিদের দর্প-অহম গুঁড়িয়ে দিয়েছিল বাংলাদেশ। অস্ট্রেলিয়াকে তাদের ঘরের মাঠে ৯ উইকেটে হারিয়ে দেয় টাইগাররা। ফলে চারিদিকে শোরগোল পড়ে যায়, প্রশ্ন উঠতে থাকে অজি ক্রিকেটারদের নিয়ে।
এমতাবস্থায় ম্যাকাইয়ে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে অস্ট্রেলিয়া। মাত্র দুই দিনেই বাংলাদেশকে ইনিংস ও ৫১ রানে হারিয়ে দিয়েছে তারা। সেই সাথে সিরিজে ফিরিয়েছে সমতা। আর এই জয়ে স্বস্তি ফিরে পেয়েছে যেন অজিরা।
ম্যাচ জিতে অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক প্যাট কামিন্স জানালেন, এই জয় তাদের জন্য ছিল আত্মসম্মানের ব্যাপার। বলেন, ‘এটা আসলে আত্মসম্মানের ব্যাপার। একটা ম্যাচ হেরে যাওয়ার পর পরেরটা জিততেই হতো। আমাদের ঘুরে দাঁড়ানোটা খুব দরকার ছিল। আমরা তা করতে পেরে আনন্দিত।’
ম্যাকাইয়ে বাংলাদেশের ব্যাটিং বিপর্যয়ের সুযোগ পুরোপুরি কাজে লাগিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। দুই ইনিংসেই ১০০ রানের আগে অলআউট হয়েছে বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে ৬৪ রানের পর দ্বিতীয় ইনিংসে ৯৫ রানেই থেমে যায় সফরকারীদের ইনিংস।
তবে দুই দিনেই টেস্ট শেষ হয়ে যাবে, তা ভাবেননি কামিন্সও। অস্ট্রেলিয়া অধিনায়কের চোখে পিচও ছিল ব্যাটিংয়ের জন্য যথেষ্ট ভালো। ‘সবকিছু যেন চোখের পলকে ঘটে গেল। পিচ বেশ ভালোই ছিল। দেখে মনে হয়নি যে এটা পাঁচ সেশনের মাঝে ৩০ উইকেট পড়ে যাওয়ার মতো।’
ম্যাচে বল হাতে সবচেয়ে বড় পার্থক্য গড়ে দিয়েছেন মিচেল স্টার্ক। দুই ইনিংস মিলিয়ে ১০ উইকেট নিয়েছেন এই বাঁহাতি পেসার। বাংলাদেশের হয়ে একমাত্র ইনিংসে ৭ উইকেট নিয়ে পাল্টা আলোচনায় ছিলেন শরিফুল ইসলাম।
দুই দলের বোলারদের প্রশংসা করলেও বাংলাদেশের ব্যাটিং ব্যর্থতার কথাও এড়িয়ে যাননি কামিন্স। তার মতে, দ্রুত ম্যাচ শেষ হওয়ার পেছনে দুর্দান্ত বোলিংয়ের পাশাপাশি বাজে ব্যাটিংও বড় কারণ।
‘দুর্দান্ত বোলিং যেমন ছিল, তেমনই মাঝে মাঝে গড়পড়তার চেয়েও বাজে ব্যাটিং দেখা গেছে। যার মাঝে আমি নিজেও আছি। সম্ভবত এসব কারণেই ম্যাচটা দ্রুত শেষ হয়ে গেল,’ বলেন অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক।



