ঢাকা, বুধবার,২৪ জানুয়ারি ২০১৮

উপসম্পাদকীয়

শিক্ষায় অব্যাহত অরাজকতা

ড. আবদুল লতিফ মাসুম

১৩ জানুয়ারি ২০১৮,শনিবার, ০০:০০


প্রিন্ট

শিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ডÑ এটি অনেক পুরনো কথা। সম্ভবত এর আরো পুরনো হয়ে গেছে। বাক্যটি কদাচিৎ উচ্চারিত হয়। হয়তো শিক্ষার পরিবর্তে অন্য কিছু জাতির মেরুদণ্ড হিসেবে পরিগণিত হচ্ছে বলে। যেভাবে অর্থবিত্ত ও সন্ত্রাস সমাজকে রাহুগ্রাসে চেপে ধরেছে, তা থেকে মুক্তির উপায় প্রায় অসম্ভব। সবচেয়ে ক্ষতির ব্যাপার হচ্ছেÑ শিক্ষা যে মূল্যবোধ লালনপালন ও সম্প্রসারণ ঘটাত, তা আর হচ্ছে না। প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে বিশ^বিদ্যালয় পর্যন্ত সর্বাত্মক ধস নেমেছে। এ ধসের রকমফের আছে। প্রথমত, শিক্ষা গোটা জাতির জন্য যে নৈতিক ভিত্তি নির্মাণ করে, তা বলতে গেলে ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়েছে। দ্বিতীয়ত, জাতি গঠনের জন্য এবং রাষ্ট্রের প্রয়োজনে যে দক্ষ, যোগ্য ও শিক্ষিত ‘মানবসম্পদ’ সৃষ্টি হওয়ার কথা, তা হচ্ছে না। তাই বিবেকবান মানুষ ও দেশপ্রেমিক রাজনীতিবিদ গোটা জাতির ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত। কিন্তু যাদের চিন্তা করার কথা তারা একটুও উদ্বিগ্ন বলে মনে হয় না। একদল লোক ক্ষমতায় আছে, যারা মনে করে তারা অনাদিকাল ক্ষমতায় থাকলেই হলো। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের পৌষ মাস না সর্বনাশ ঘটছে তা দেখার তাদের সময় কৈ! অপর দিকে, যাদের বলা হয় মানুষ গড়ার কারিগর, তাদের নিয়েও হতাশার কথা শুনতে হচ্ছে। শিক্ষকেরা লেখাপড়া জানেন না। তাদের সম্পর্কে পত্রপত্রিকায় যে খবরাখবর ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলো যে নমুনা পেশ করছে তা দুঃখের ও হতাশার। শিক্ষকেরা অতীতে এই সমাজে একটি উচ্চ নৈতিকতাসম্পন্ন জনগোষ্ঠী বলে কথিত ছিল। চোর চুরি করলে খবর হয় না, কিন্তু যখন শিক্ষক চুরি করে তখন সেটি সংবাদ হয়ে দাঁড়ায়। অহরহ যত্রতত্র শিক্ষকদের বিরুদ্ধে যৌন অপরাধের প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে। সেখানেও প্রাথমিক, মাধ্যমিক, মহাবিদ্যালয় ও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিস্তর উদাহরণ প্রকাশিত হচ্ছে। শিক্ষা ক্ষেত্রে আরেকটি বড় দুঃসংবাদ হচ্ছে শিক্ষার বাণিজ্যিকায়ন। রাজনীতির বাণিজ্যিকায়নের সাথে সাথে শিক্ষার বাণিজ্যিকায়ন ঘটেছে। এখন অর্থ যার ‘শিক্ষা’ তার। কোটিপতিরা শিক্ষাকে বাণিজ্যের পণ্য হিসেবে ব্যবহার করছে। দেশে ব্যাঙের ছাতার মতো ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল গজিয়ে উঠছে। বেসরকারি বিশ^বিদ্যালয় অনুমোদন পাচ্ছে রাজনৈতিক বিবেচনায়। রাজনীতিবিদেরা যেমন শিক্ষার বাণিজ্যিকায়ন করেছেন, তেমনি শিক্ষার দুর্বৃত্তায়নও করেছেন। বাণিজ্যিকায়ন দেখতে চাইলে এদিক-ওদিক গজিয়ে ওঠা কোচিং সেন্টারের আদলের বেসরকারি বিশ^বিদ্যালয়গুলো দেখুন। আর দুর্বৃত্তায়ন দেখতে চাইলে সোনার ছেলেদের দিকে তাকান। উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে তাদের কীর্তিকলাপ দেখে অবশেষে তাদের একজন বড় অভিভাবক বললেন, স্কুল পর্যন্ত তাদের সম্প্রসারণ ঠিক হবে না। কিন্তু কোনো স্কুলের শাখা বাতিল হয়েছে, এ রকম সুসংবাদ শোনা যায়নি। ইভটিজিং এখন নারীর মর্যাদা লুণ্ঠনের মহামারীতে পরিণত হয়েছে। এ ক্ষেত্রেও নায়ক প্রায়ই সোনার ছেলেরা। এমন কোনো দিন নেই যে, পত্রপত্রিকায় তাদের সুনামের খবর প্রকাশিত হচ্ছে না।
এ তো গেল শিক্ষার পরিবেশের কথা। শিক্ষার সর্বনাশ সাধনে আরো খবর আছে। ক্ষমতাসীন সরকারের বিগত প্রায় ১০ বছরে শিক্ষা নিয়ে যে গিনিপিগের পরীক্ষা-নিরীক্ষা হয়েছে, তা বোধ হয় আর কখনো ঘটেনি। শিক্ষার প্রতিটি স্তরেÑ প্রাথমিক, মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিকপর্যায়ে ঘন ঘন পরীক্ষার ব্যবস্থা কার্যত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে পরীক্ষাকেন্দ্রে পরিণত করা হয়েছে। বিদেশে বাংলাদেশের শিক্ষায় হাইব্রিড উন্নয়ন প্রদর্শনের জন্য পাসের হার অসম্ভব রকম বাড়ানো হয়েছে। কোনো লেখাপড়া ছাড়াই এই সোনার গ্রেডের ছড়াছড়ি শিক্ষাহীনতাকেই নিশ্চিত করেছে। শিক্ষকদের নির্দেশ দেয়া হয়েছেÑ না লিখলেও নম্বর দিতে হবে। ফেল করলেও পাস করাতে হবে। এখন বিশ^বিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় সোনার মেডেলওয়ালারা যে পারঙ্গমতা প্রদর্শন করছেÑ সে সম্পর্কে বিদ্বজ্জন মহল আশা করি অবগত আছে। তারা ইংরেজিতে একটি বাক্যও শুদ্ধ করে লিখতে জানে না। এমসিকিউর বাহুল্য এতটাই বেড়েছে যে, মজা করে বলা হয়Ñ যদি কাউকে জিজ্ঞেস করা হয় তোমার বাবার নাম কী? তখন সে বলবে চারটা নাম লিখে দিন, আমি ঠিক চিহ্ন দিয়ে দেবো।
বাংলাদেশ আজকাল নানা ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক পুরস্কার লাভ করছে। প্রশ্নফাঁসের জন্য যদি বিশ্বব্যাপী কোনো প্রতিযোগিতা হয় তাহলে বাংলাদেশ নিশ্চয়ই চ্যাম্পিয়ন হবে। আর শিক্ষামন্ত্রীর মাথায় সোনার মুকুট পরিয়ে দেয়া হবেÑ এ বিরল অর্জনের জন্য। তার কারণ প্রথম শ্রেণী থেকে এমন কোনো শ্রেণী এখন আর বাদ নেইÑ যেখানে বা যে স্তরে প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়নি। শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে তিনি নৈতিকতা বা নীতিবিদ্যার সবচেয়ে বড় অগ্রনায়ক। সম্প্রতি তিনি ঘুষ কম খাওয়ার মূল্যবান উপদেশ দিয়ে আরেকটি সোনার মুকুট অর্জনের কৃতিত্ব লাভ করেছেন। উল্লেখ্য, তারই একজন অগ্রজ ক্ষমতাসীন সরকারের ধনভাণ্ডারের মালিক-মোক্তার ঘুষ খাওয়াকে ইনসেন্টিভ বা স্পিডমানি বলে অভিহিত করেছিলেন। অবশ্য পরে তিনি তার বক্তব্যের অপব্যাখ্যা হয়েছে বলে দাবি করেছিলেন। সে ক্ষেত্রে বুদ্ধিমানেরা ইউটিউবে তার আদি ও আসল বক্তব্য শ্রবণ করে সত্যতার প্রমাণ নিতে পারেন।
শিক্ষা ক্ষেত্রে আরেকটি মহামারীর নমুনা গোটা জাতি কিছুকাল ধরে প্রত্যক্ষ করছে। তার নাম আন্দোলন বা ধর্মঘট। ক. গত অর্থবছরের শুরুতে যখন নতুন বেতন কাঠামো ঘোষণা করা হলো তখন বিশ^বিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা তাদের অর্থনৈতিক ও পদায়নে বৈষম্যের বিরুদ্ধে জোরদার আন্দোলন করেছিলেন। বরাবরের মতো তখনো প্রধানমন্ত্রী হস্তক্ষেপ করেছিলেন। শিক্ষকেরা ক্লাসে ফিরে গিয়েছিলেন। খ. দু-এক মাস আগে সরকারি কলেজের বিসিএস উত্তীর্ণ শিক্ষকেরা আন্দোলনে নেমেছিলেন। তাদের উদ্দেশ্য অন্যরকম। সরকার শিক্ষাকে উন্নয়নের মহাসড়কে পৌঁছানোর জন্য পাইকারিহারে কলেজ জাতীয়করণ করছে। বাস্তবে সেখানে দেখা যায়, যারা কখনোই বিসিএসের মতো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অবতীর্ণ হয়নি অথবা ওই রকম প্রতিযোগিতামূলক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বেসরকারি কলেজে নিয়োজিত হননি, তারা বিসিএস উত্তীর্ণদের সাথে একই ক্যাডারভুক্ত হচ্ছে। বাস্তব সত্য এই যে, বেসরকারি কলেজের ওইসব শিক্ষকের বেশির ভাগই থার্ডক্লাস বা সাধারণ ¯œাতক পাস। বিসিএস শিক্ষা সমিতির দাবি, তারা ওই নি¤œমানের ডিগ্রি নিয়ে তাদের মতো উচ্চমানের সমমান হতে পারে না। অবশেষে তাদের দীর্ঘ আন্দোলনেরও অবসান ঘটে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে।
এরপর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা আন্দোলনে নামেন। তাদের বক্তব্যÑ আগের বেতন স্কেলগুলোতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকদের একধাপ নিচে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষকেরা বেতন পান। কিন্তু ২০১৫ সালের বেতন কাঠামোতে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষকদের সাথে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকদের ব্যবধান তিন ধাপ। এখন প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষকেরা ১৪তম গ্রেডে (মূল বেতন ১০ হাজার ২০০ টাকা) বেতন পাচ্ছেন। আর প্রধান শিক্ষকেরা পাচ্ছেন ১০তম গ্রেডে (মূল বেতন ১৬ হাজার টাকা)। সহকারী শিক্ষকেরা এ বৈষম্য নিরসনে প্রধান শিক্ষকদের এক ধাপ নিচে ১১তম গ্রেডে (১২ হাজার ৫০০ টাকা) বেতন চান। গত ২৫ ডিসেম্বর তাদের দাবিদাওয়া পালনে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর আশ^াসের পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলন স্থগিত করেন।
শিক্ষকদের সাম্প্রতিক সবচেয়ে বড় আন্দোলনটি ছিল এমপিওভুক্ত নয়, এমন বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের মাধ্যমে। ২০১০ সাল থেকে এমপিওভুক্তি বন্ধ থাকলেও নতুন নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। দেশের পাঁচ হাজার ২৮২টি নন-এমপিও স্কুল, কলেজ ও মাদরাসার প্রায় ৮০ হাজার শিক্ষক-কর্মচারীর বেশির ভাগই বিনা বেতনে সেখানে চাকরি করছেন। এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীর সংখ্যাও ২০ লাখের মতো। প্রতিষ্ঠানগুলো গড়ে উঠেছে সরকারের স্বীকৃতি নিয়েই। কিন্তু বছরের পর বছর এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত হয়নি। এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের মতো নন-এমপিও প্রতিষ্ঠানও একই নিয়মে পরিচালিত হয়। শিক্ষার্থীরা বোর্ডের পরীক্ষায় যথারীতি উত্তীর্ণ হচ্ছে। পার্থক্য শুধু এই যে, শিক্ষকেরা এমপিওভুক্ত নন। জাতীয় সংসদে বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার আলোচনার দাবি উঠলেও সিদ্ধান্ত কিছুই হয়নি। শিক্ষকেরা বুদ্ধিমানের মতো নির্বাচনকে সামনে রেখে আন্দোলন করেছেন। এবারো প্রধানমন্ত্রীর আশ^াসে তারা অনশন ভঙ্গ করেন এবং ঘরে ফিরে যান।
সর্বশেষ যে অনশন আন্দোলনটি চলছে তা মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের রেজিস্ট্রেশন পাওয়া সব স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদরাসা-শিক্ষকদের। তারা সব স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদরাসা জাতীয়করণের দাবিতে আন্দোলনে নেমেছেন। জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ১ জানুয়ারি থেকে তারা অবস্থান ধর্মঘট করছেন। আন্দোলনের কর্মসূচির পাশাপাশি তারা ৭ জানুয়ারি কারিগরি ও মাদরাসা বিভাগের নতুন প্রতিমন্ত্রী কাজী কেরামত আলী বরাবর স্মারকলিপি জমা দেন। আন্দোলনকারী শিক্ষকেরা বলছেন, সারা দেশে রেজিস্ট্রেশনকৃত স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদরাসার সংখ্যা ১৮ হাজার ১৯৪টি। চালু আছে ১০ হাজারের মতো। এগুলোতে মাদরাসা শিক্ষার প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত পড়ানো হয়। এসব মাদরাসায় শিক্ষক আছেন প্রায় ৫০ হাজার। এর মধ্যে ১৫১৯টি মাদরাসার ছয় হাজার ৬৭৬ জন শিক্ষক সরকার থেকে কিছু ভাতা পান। এর মধ্যে প্রধান শিক্ষকেরা মাসে আড়াই হাজার টাকা ও সহকারী শিক্ষকেরা পান দুই হাজার ৩০০ টাকা। অন্যরা সরকার থেকে কোনো বেতনভাতা পান না। সরকার থেকে বেতনভাতা না পাওয়ায় তাদের মানবেতর জীবনযাপন করতে হচ্ছে। এ জন্য তারা দাবি করছেন তাদেরও জাতীয়করণ করা হোক; যেমন করে সরকারীকরণ করা হয়েছে রেজিস্ট্রিকৃত বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোকে।
শিক্ষা ক্ষেত্রে যে সামগ্রিক চিত্র উপস্থাপিত হলো তা অত্যন্ত অসম্মানজনক। বলতে গেলে প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে বিশ^বিদ্যালয় পর্যন্ত একটা অরাজক অবস্থা বিরাজ করছে। সঙ্কটের যে ব্যাপকতা ও মাত্রা আমরা দেখলাম তা শিক্ষার ক্ষেত্রে হতাশা ও অনিশ্চয়তার প্রমাণ দেয়। কোনো শিক্ষক বা প্রতিষ্ঠানকে অনুদান প্রদান বা জাতীয়করণ করা হলে তা সামগ্রিকভাবে শিক্ষার পরিবেশ ও পরিবর্তনকে নিশ্চিত করবে না। সাময়িক বা আংশিক সমাধান বা সংস্কার জাতির জন্য কোনো স্থায়ী সুফল বয়ে আনবে না। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যে হাল-হকিকত এবং অব্যাহত আন্দোলন, তাতে সুশীলসমাজ ভেবেছিল, দায়দায়িত্ব নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বিদায় নেবেন। মন্ত্রিসভার সাম্প্রতিক রদবদলে তার পদ ও মর্যাদার কোনো ব্যতিক্রম হয়নি। সম্ভবত পৃথিবীর কোনো দেশে, কোনো মন্ত্রণালয়ের এত বিপর্যয়ের পর কারো মন্ত্রিত্ব টিকে থাকেনি। তবে পদ নিয়ে কথা নয়। দেশের বিবেকবান মানুষ পরিবর্তন চায়। যদি সত্যিকার পরিবর্তন আনতে হয় তাহলে সামগ্রিক পরিবর্তন প্রয়োজন। সে পরিবর্তন ব্যক্তিগত ও পদ্ধতিগত। পরিবর্তনের আশায় উন্মুখ মানুষ। সুতরাং ‘শুভস্য শীঘ্রম।’
লেখক : অধ্যাপক, সরকার ও রাজনীতি বিভাগ
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
Mal55ju@yahoo.com

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫