হলে হলে তৌকীর আহমেদের হালদা

অভি মঈনুদ্দীন

নিজের নির্দেশনায় নির্মিত চলচ্চিত্রতে তৌকীর আহমেদ সর্বশেষ ‘রূপকথার গল্প’তে অভিনয় করেছিলেন। এরপর তিনি আর কখনোই নিজের নির্মিত চলচ্চিত্রে অভিনয় করেননি। এর কারণ হিসেবে তৌকীর আহমেদের ব্যাখ্যা এমন যে নির্দেশকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়ে যদি আবার অভিনয়ও করতে হয় চলচ্চিত্রে তাহলে সে ক্ষেত্রে বিহাইন্ড দি ক্যামেরার কন্ট্রোলটা থাকে না। যে কারণে ক্যামেরার পেছনে এক শূন্যতা তৈরি হয়। এই কারণেই যথারীতি তৌকীর আহমেদ নির্মিত ‘হালদা’ চলচ্চিত্রেও তাকে অভিনয়ে পাওয়া যায়নি। পাওয়া গেছে বেশ কয়েকজন শক্তিমান অভিনয়শিল্পী। তারা হলেন- দিলারা জামান, ফজলুর রহমান বাবু, জাহিদ হাসান, মোশাররফ করিম, নুসরাত ইমরোজ তিশাসহ আরো বেশ ক’জন।

বিজয়ের মাসের শুরুর প্রথম দিনেই মুক্তি পেয়েছে তৌকীর আহমেদের ‘হালদা’ চলচ্চিত্রটি। আজাদ বুলবুলের মূল গল্পে ‘হালদা’র চিত্রনাট্য ও সংলাপ করেছেন তৌকীর আহমেদ নিজেই। ‘হালদা’ কেন দর্শকের দেখা উচিত? এমন প্রশ্নের জবাবে তৌকীর আহমেদ বলেন, ‘হালদা একটি বাংলাদেশের চলচ্চিত্র, একটি মৌলিক গল্পের চলচ্চিত্র। যেখানে বাংলাদেশের নদীর কথা বলা আছে, নদীর সুরক্ষার কথা বলা হয়েছে। একই সাথে হালদা একটি প্রেমের গল্পের চলচ্চিত্র। এখানে নদীর সাথে এক নারীর গল্প আছে। এই নদী ও নারী হালদা চলচ্চিত্রের উপজীব্য। হালদার বিষয়বস্তু যেমন গ্রামীণ বাংলার প্রেক্ষাপট , তেমনি হালদার উপস্থাপনাও তেমন শৈল্পিক ও মিউজিক্যাল। অনেকগুলো গান আছে এই চলচ্চিত্রে, যে গানের সুরে সুরে অনেক উত্থান পতনের মধ্যদিয়ে প্রেমের গল্প এগিয়ে যায়। দর্শকের জন্য যেমন কালারফুল প্রেজেন্টেসন আছে ঠিক তেমনি ভাবার মতো উপাদানও আছে। দর্শক যদি হলে গিয়ে হালদা দেখেন তারা হতাশ হবেন না, এটা আমি মনে করি।’

‘হালদা’ চলচ্চিত্রটি পরিবেশনায় আছে ‘অভি কথাচিত্র’। শুক্রবার থেকে প্রায় এক শ’টি সিনেমা হলে মুক্তি পেয়েছে ‘হালদা’। ‘হালদা’র সঙ্গীত পরিচালনায় আছেন পিন্টু ঘোষ। চলচ্চিত্রের গান লিখেছেন তৌকীর আহমেদ, রমেশ শীল ও পিন্টু ঘোষ। তৌকীর আহমেদ জানান, মুক্তির প্রথম দিনে তিনি রাজধানীর বেশ কয়েকটি হলে গিয়েছেন দর্শকের পাশে বসে ‘হালদা’ চলচ্চিত্রটি উপভোগ করার জন্য। তৌকীর আহমেদ নির্মিত সর্বশেষ দর্শকনন্দিত এবং অনেক আন্তর্জাতিক উৎসবে পুরস্কৃত চলচ্চিত্র ‘অজ্ঞাতনামা’। 

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.