ঢাকা, শনিবার,২০ জুলাই ২০১৯

উপসম্পাদকীয়

চীনা সামরিক শক্তি বাড়লে আমেরিকার উদ্বেগ কেন?

গৌতম দাস

২০ আগস্ট ২০১৭,রবিবার, ১৮:৪৩ | আপডেট: ২১ আগস্ট ২০১৭,সোমবার, ১১:৪৭


গৌতম দাস

গৌতম দাস

প্রিন্ট

ইস্যুটা হলো গ্লোবাল পরিসরে চীন, রাশিয়া ও আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র- এ তিন শক্তির পারস্পরিক শত্রুতা। আর সেই সাথে বন্ধুত্ব না হলেও কে কার কতটুকু কাজে আসে, সেটাও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। চীনের পিএলএ মানে পিপলস লিবারেশন আর্মির ৯০ বর্ষপূর্তি খুবই ঘটা করে পালিত হলো গত ৩০ জুলাই। সেই পিএলএ চীনের রাষ্ট্রীয় সশস্ত্র বাহিনী। ১৯২৭ সাল থেকে ক্ষমতা দখলের জন্য চীনা কমিউনিস্ট পার্টির গঠিত সশস্ত্র রাজনৈতিক সংগঠনই হলো পিএলএ। ১৯৪৯ সালে চীনা কমিউনিস্ট বিপ্লবের বিজয়ের পরে ওই সংগঠনই রাষ্ট্রীয় সেনাবাহিনী হিসেবে জায়গা নেয়। সেই পিএলএ’র ৯০তম বার্ষিকী এবার খুবই ঘটা করে পালন করা হলো।

এর প্রধান উদ্দেশ্য, চীনের অর্থনৈতিক উত্থান নিশ্চিত হওয়ার পর এই প্রথম নিজের সামরিক সক্ষমতা কী কী অর্জিত হয়েছে, এর এক প্রদর্শনী করা। এর বিশেষ তাৎপর্য আছে। যুদ্ধবিমান বহনকারীর যুদ্ধজাহাজ চীনের ছিল না, যেটা সে অর্জন করেছে। আসলে পিএলএ এবারের ৯০তম বার্ষিকী জাঁকজমক করে পালন করে এটাই দেখাতে চেয়েছে যে, ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে আমরা চীন অর্থনৈতিক পরাশক্তি হওয়ার দিকে মনোযোগ নিবদ্ধ রেখেছিলাম এবং ইতোমধ্যেই তা হয়েছি। এবার সেই সামর্থ্য খরচ করে সামরিক শক্তি কতটুকু হলো তা প্রদর্শন করছি।

গত ২৯ জুলাই লন্ডনের ইকোনমিস্ট সাময়িকী এসব বিষয় নিয়ে দুটো বিশেষ আর্টিকেল ছেপেছে। ইকোনমিস্ট লিখেছে, ‘আমেরিকা চীনা নেভির এই সক্ষমতা বৃদ্ধিতে উদ্বিগ্ন। কখনো কোনো একটা সপ্তাহ বাদ যায়নি যে, চীনাদের একটা না একটা সামরিক সক্ষমতার অগ্রগতির খবর সেখানে নেই। গত এপ্রিলে তারা স্থানীয়ভাবে তৈরী এয়ারক্র্যাফট ক্যারিয়ার যুদ্ধজাহাজ ভাসিয়েছে। জুনে আমেরিকার সমতুল্য ১০ হাজার টনের এক ডেস্ট্রয়ার ভাসিয়েছে। আর এ মাসে চীনা সৈন্য বোঝাই করে যুদ্ধজাহাজ সুদূর আফ্রিকার জিবুতি রওনা হয়েছে। সেখানে জায়গাজমি লিজ নিয়ে এই প্রথম নিজ সীমানার বাইরে চীনা সামরিক ঘাঁটি চালু করা হলো। আর এই সপ্তাহে রাশিয়ার সাথে যৌথভাবে বাল্টিক সাগরে (সুইডেন, ডেনমার্ক বা স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশগুলো যার উপকূলে) যৌথ সামরিক মহড়া করেছে চীন।’ ইকোনমিস্টের মতে, স্বভাবতই এটা চীন-রাশিয়ার কমন শত্রু পশ্চিমা শক্তির বিরুদ্ধে নিজেদের শক্তির মহড়া প্রদর্শন।

সাধারণত আমাদের মধ্যে যে জাতীয়তাবাদী স্বদেশপ্রেম কাজ করে, তা গড়ে উঠেছে গান্ধীবাদীদের ‘বিদেশী কাপড়ে আগুন লাগাও আর দেশী চরকা কাটো’র অনুসরণে। অর্থাৎ মনে করা হয়, বিদেশী মানে খারাপ, দেশী মানেই ভালো বা কাম্য। এ কাঠামোই কোল্ড ওয়ার যুগেও (১৯৫০-১৯৯২) চর্চা হয়েছে। কোল্ড ওয়ার মানে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে দুনিয়াকে সোভিয়েত ইউনিয়ন ও আমেরিকা এ দুই পরাশক্তির ব্লকে ভাগ করে নিয়ে এরপর পরস্পর ঠিক যুদ্ধ নয়, কিন্তু সব সময় একটা যুদ্ধের রেষারেষি জীবন্ত রেখে চলত, ফলে তা এক ‘ঠাণ্ডা যুদ্ধ’ যেন। ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে গেলে এ পরিস্থিতির অবসান হয় এবং দুনিয়া আমেরিকার ‘একক’ পরাশক্তির কবলে চলে যায়। ফলে এর পর থেকে স্বজাতিবোধ ও দেশপ্রেম আর কোল্ড ওয়ারের পটভূমিতে তৈরি নয়। আর তাতে আগে ও পরের জাতীয়তাবোধের মধ্যে বহু ফারাক হয়ে গেছে।

যেমন- কোল্ড ওয়ারে কেউ শত্রুরাষ্ট্র। এর মানে তার সাথে আর কোনো সম্পর্ক অর্থনৈতিক বাণিজ্যসহ কোনো ধরনের সামাজিক লেনদেন নেই। কোল্ড ওয়ারে দুনিয়া মূলত বিভক্ত হয়ে থাকত দু’টি আলাদা অর্থনীতির ব্লকে। কিন্তু যখন কোল্ড ওয়ার হয়ে গেছে এমন দুনিয়ায় আমরা বাস করতে শুরু করেছি, তখন থেকে সব রাষ্ট্রের অর্থনীতি একই- ‘এক গ্লোবাল ক্যাপিটালিজমে’ অন্তর্ভুক্ত হয়ে গেছে। ফলে সেই থেকে বাণিজ্য বিনিয়োগের কেনাবেচাসহ সব ধরনের লেনদেনের এক গ্লোবাল সমাজে আমরা ঢুকে গিয়েছি। ফলে একালে বাণিজ্য বিনিয়োগ সম্পর্কের পাশাপাশি যুদ্ধ লাগার মতো পরিস্থিতিও সৃষ্টি হতে পারে বটে।

তবে সে ক্ষেত্রে স্বভাবতই যুদ্ধ বাস্তবতা হয়ে উঠলে বাকি সব সম্পর্ক অন্তত সাময়িকভাবে চাপা পড়ে যাবে, স্থগিত হয়ে যাবে। থিতু হলে আবার শুরু হতে পারে। কোনো যুদ্ধ লেগে যাওয়া দেরি করিয়ে দেয়ার ক্ষেত্রে বাণিজ্য বিনিয়োগ সম্পর্ক একটা কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। যে দেশে বোমা ফেলা দরকার মনে করছি, সে দেশে আমার নিজেরই ব্যবসা-বাণিজ্য বিনিয়োগ থাকলে বোমা ফেলার সিদ্ধান্ত নিতে দ্বিধাগ্রস্ত হব। এই সমস্যা কোল্ড ওয়ারের যুগে ছিল না। ফলে যুদ্ধের সিদ্ধান্ত নেয়া তখন সহজ ছিল। যুদ্ধ লাগিয়ে দেবো নাকি বাণিজ্য স্বার্থ দেখব, কোনটা আসলে নিজের জন্য উত্তম, এসব বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে এবং তা জটিল কাজও; অনেক চিন্তা করে সে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। একালে নিজ দেশের স্বার্থ কোনটা তা বুঝতে পারা সহজ হয় না। অনেক চিন্তাভাবনা করার দরকার হয়। আমরা সবাই এখন এমন দুনিয়াতে বসবাস করি। ফলে পুরনো বোধ নিয়ে চলে দেশের ভালো করতে চেয়ে উল্টো খারাপ করে ফেলারও সম্ভাবনা আছে। ফলে কোল্ড ওয়ারের জাতীয়তাবাদ বা দেশপ্রেম একালে অচল।

একালে চীন, রাশিয়া ও আমেরিকার সম্পর্ক এক দিকে বাণিজ্য বিনিয়োগের, একই সাথে সম্ভাব্য যুদ্ধেরও হতে পারে- এই আলোকে দেখতে ও বুঝতে হবে। এখানে একই সম্ভাব্য শত্রুর সাথে গভীর বাণিজ্য-স্বার্থের সম্পর্কও থাকতে পারে। ইকোনমিস্ট বলছে, চীন-রাশিয়ার কমন শত্রু হলো পশ্চিমা স্বার্থ, বিশেষ করে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র। আমেরিকা এখনো গ্লোবাল ক্যাপিটালিজমের পুরনো বা চলতি যে ব্যবস্থা, এর নেতা (তুলনায় চীন নতুন সাজানো হবে যে ব্যবস্থা, এর নেতা)। ফলে আমেরিকার নেতৃত্ব-কর্তৃত্ব চ্যালেঞ্জকারী হলো চীন ও এর সহযোগী রাশিয়া। তবে চ্যালেঞ্জের মুরোদ রাশিয়ার নিজের নয়, নেইও। কিন্তু চীন বিজয়ী হলে তারও লাভ, এই হলো সূত্র। ফলে এক ‘কমন এনিমি’র ধারণা। এখানে ইকোনমিস্ট আরেক বাস্তবতার কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে।

পশ্চিমের বিশেষ করে আমেরিকার অভিযোগ, রাশিয়া জবরদস্তি করে ইউক্রেনের ভূমি দখল করে আছে। তাই আমেরিকার নেতৃত্বে পশ্চিম জগৎ রাশিয়ার ওপর অর্থনৈতিক অবরোধ আরোপ করে রেখেছে। অবশ্য এখানে ইউক্রেনের ভূমি বলতে তা সরাসরি ইউক্রেন নয়, এ ক্ষেত্রে আসলে ক্রিমিয়ার কথা বলা হচ্ছে। সোভিয়েত ভেঙে যাওয়ার পরে আপস আলোচনায় ক্রিমিয়াকে ইউক্রেনের সাথে যোগ করে দেয়া হয়েছিল, যদিও সেটি স্বায়ত্তশাসিত প্রদেশ থাকবে বলা হয়। ফলে আইনি সম্পর্কে ক্রিমিয়া ইউক্রেনে অন্তর্ভুক্ত হয়। পরে ইউক্রেন ন্যাটোতে যোগ দিলেও কোনো সমস্যা হয়নি। কিন্তু পশ্চিমারা জোর দেয়, প্রাক্তন সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে রাশিয়া বাদে যে ১৪টি রাষ্ট্র হয়েছে, সেগুলোর ওপর রাশিয়ার প্রভাব শূন্য করে দিতে হবে। এই নীতির ফাঁদে ইউক্রেন ঝুঁকতে চাইলে রাশিয়া ক্রিমিয়া উপদ্বীপ নিজের দখলে নিয়ে নেয়। আর রাশিয়া নিজের পক্ষে একটা কথিত গণভোট করিয়ে নেয়। ফলে এটা কোনো সোজাসাপ্টা ‘ইউক্রেনের ভূমি’ দখল নয়।

কিন্তু ইকোনমিস্ট বলছে, রাশিয়াকে পশ্চিমের অবরোধ আরোপ করে রাখার এক উল্টো দিক আছে। এটাই রাশিয়াকে চীনের সাথে লেপ্টে যেতে বাধ্য করেছে। কারণ চীনের সাথে ব্যবসা-বাণিজ্য, রাশিয়ার গ্যাস-তেল চীনকে বিক্রি করা আর চীনা বিনিয়োগ নিয়ে আসা- এভাবেই রাশিয়া সেই থেকে টিকে আছে। চীন কেন ইউক্রেন নিয়ে কথা বলে না, অপর দিকে রাশিয়া কেন দক্ষিণ চীন সাগর চীনা দখলে রাখার বিরুদ্ধে কথা বলে না, এগুলো উল্লেখ করে ইকোনমিস্ট একটা ‘নৈতিকতা ভঙ্গ হয়েছে’ বলে পশ্চিমের স্বার্থের পক্ষে সাফাই দিতে চেয়েছে।

এভাবে ইকোনমিস্ট চীন, রাশিয়া ও আমেরিকার পারস্পরিক সম্পর্ক ও দ্বন্দ্বকে ব্যাখ্যা করেছে। কিন্তু সবশেষে আপাত উল্টো কথা বলেছে। বলছে, চীনের সামরিক সক্ষমতা বিশেষ করে নেভির সক্ষমতা বৃদ্ধি পাওয়ায় এবং তা প্রদর্শনে আমেরিকার ভীত হওয়া উচিত নয়। কেন? অনেকের কাছে ব্যাপারটা স্ববিরোধী মনে হতে পারে। কিন্তু ইকোনমিস্টের যুক্তি কী? আর কেনই বা এ কথা বলছে?

ইকোনমিস্ট বলছে, ‘রাশিয়া চীনের কাছে অস্ত্র বিক্রি করে কথা সত্য, কিন্তু একই ধরনের অস্ত্র চীনের প্রতিদ্বন্দ্বী ভারতকেও বিক্রি করে। আবার চীনা প্রেসিডেন্ট রাশিয়ার ওপর পশ্চিমের আরোপিত অবরোধ উপেক্ষা করে রাশিয়াকে সাহায্য করে থাকেন। কিন্তু তা করা হয় চীন পুরনো বড় পড়শির সাথে একটা থিতু সম্পর্ক চায় বলে। চীন কোন সুদূরে ইউরোপের বাল্টিক সাগরে রাশিয়ার সাথে নৌ-মহড়া করেছে বলে তাতে ভয় না পেয়ে আমেরিকার স্বাগত জানানো উচিত। চীনের যুদ্ধজাহাজ সুদূরে গিয়ে অপারেট করলে তা সম্পূর্ণ সঠিক কাজ। কারণ গ্লোবাল ইকোনমিক পাওয়ার হিসেবে এটা চীনের এক বৃহত্তর ভূমিকা নেয়া, নৌপথের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ব্যাপারে চীনের ভূমিকা ও দায় নেয়া উচিত। এই নিরাপত্তার ওপর গ্লোবাল বাণিজ্য নির্ভর করছে।

যেমন- চীন ইতোমধ্যেই জিবুতির ঘাঁটি থেকে জলদস্যুবিরোধী অভিযান পরিচালনা করছে। এভাবে এডেন উপসাগরের আশপাশে নিরাপত্তা নিশ্চিত করছে।’ ইকোনমিস্ট লেখার এই অংশের উপশিরোনাম দিয়েছে ‘দায়িত্ববোধের চর্চা’। তবে সবশেষে আমেরিকার এম্পায়ার ভূমিকার পক্ষে। বলেছে, ‘চীন এই সুদূরে এসেছে বলে আমেরিকা কেন এশিয়ায় নৌ-উপস্থিতি রেখেছে, তা এখন চীনারা সহজে বুঝবে। গ্লোবাল বাণিজ্য বিনিয়োগের বৃহত্তর দিক এই স্বার্থরক্ষার দায় তো নিতেই হবে।’
তাহলে ব্যাপারটা কী দাঁড়াল? ইকোনমিস্ট আসলে বলতে চায় কী? কথা খুব সহজ। প্রথমত, তারা শুধু আমেরিকার রাষ্ট্রস্বার্থের পক্ষে কথা বলছেন না।

আমাদের অনেকের কাছে আজব লাগছে। কারণ আমরা ধরে নিয়েছি, ইকোনমিস্ট আমেরিকান রাষ্ট্রস্বার্থে কথা বলছে। তাহলে কার পক্ষে কথাগুলো বলছে? দুনিয়াজুড়ে ছড়িয়ে থাকা ‘গ্লোবাল ক্যাপিটালিজমের’ স্বার্থের পক্ষে কথা বলছে। এটা সুনির্দিষ্ট কোনো রাষ্ট্রস্বার্থ নয়। এ জন্য সে বারবার ‘বৃহত্তর’ বা ‘গ্লোবাল ইকোনমিক পাওয়ারের লার্জার পার্টের’ ভূমিকার কথা টানছে।

‘গ্লোবাল ক্যাপিটালিজমের’ ভেতরে এখানে কাছাকাছি বা দেখতে একই মনে হয়, কিন্তু তা নয় এমন তিনটা স্বার্থ আছে। যেমন- রাষ্ট্রস্বার্থ (যেমন আমেরিকান রাষ্ট্র), কোনো সুনির্দিষ্ট করপোরেশন বা ব্যক্তি পুঁজি মালিকের স্বার্থ আর গ্লোবাল ক্যাপিটালিজম এই ব্যবস্থার নিজস্ব অভিন্ন স্বার্থ (যেটা অনেকটাই গ্লোবাল পুঁজিবাজারের স্বার্থের ভেতর দিতে প্রতিফলিত। অর্থাৎ আমেরিকার রাষ্ট্রস্বার্থ আর ওয়াল স্টিটের গ্লোবাল পুঁজিবাজারের স্বার্থ সব সময় এক নয়। যেমন আমেরিকার ওয়াল স্ট্রিটের পরামর্শেই চীন (আইএমএফ-বিশ্বব্যাংকের প্রতিদ্বন্দ্বী) ব্রিক ব্যাংক চালুর উদ্যোগ নিয়েছিল।

ওয়াল স্ট্রিট আসলে কোনো রাষ্ট্রস্বার্থের পক্ষে নয়; এমনকি রাষ্ট্রস্বার্থ, সীমানা, সার্বভৌমত্ব ইত্যাদি সব উবে যাক যাতে পুঁজি অবাধ চলাচল করতে পারে- এটাই এর মনোভাব।

ইকোনমিস্ট ‘গ্লোবাল ক্যাপিটালিজমের’ স্বার্থের পক্ষে দাঁড়িয়ে কথা বলছে। তার এই স্বার্থ, চীন পাহারা দিচ্ছে না আমেরিকা, তাতে তার কিছু আসে-যায় না।

লেখক : রাজনৈতিক বিশ্লেষক
[email protected]

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫