ঢাকা, বুধবার,২০ নভেম্বর ২০১৯

উপসম্পাদকীয়

নির্বাচন কমিশনে নিয়োগে সাংবিধানিক অযোগ্যতা

সুশাসন

ইকতেদার আহমেদ

২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭,মঙ্গলবার, ০০:০০


প্রিন্ট

নির্বাচন কমিশন একজন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অন্যূন চারজন নির্বাচন কমিশনার সমন্বয়ে গঠিত। তারা সবাই প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত হন। নির্বাচন কমিশনাররা শপথের অধীন এবং শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে তারা তাদের কার্যভার গ্রহণ করেন। নির্বাচন কমিশনারদের পদের মেয়াদ কার্যভার গ্রহণের তারিখ থেকে পাঁচ বছর। একজন প্রধান নির্বাচন কমিশনার অবসরগ্রহণ-পরবর্তী প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ লাভের জন্য যোগ্য নন, যদিও একজন নির্বাচন কমিশনার অবসর-পরবর্তী প্রধান নির্বাচন কমিশনার পদে নিয়োগ লাভের জন্য যোগ্য।
নির্বাচন কমিশনার পদে যোগ দেয়া বা বহাল থাকার ব্যাপারে বয়সসীমা বারিত নয়। নির্বাচন কমিশনারদের ভিন্নতায় অনির্বাচিত কিছু সাংবিধানিক পদ যেমন প্রধান বিচারপতি ও উচ্চ আদালতের উভয় বিভাগের বিচারক, সরকারি কর্মকমিশনের সভাপতি ও সদস্য এবং মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক পদের ক্ষেত্রে বয়সসীমার উল্লেখ রয়েছে। ওপরের পদধারীরা ওই বয়সসীমায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর অবসরে চলে যান। প্রধান বিচারপতি ও উচ্চ আদালতের উভয় বিভাগের বিচারকদের পদের কোনো মেয়াদসীমা নেই যদিও সরকারি কর্মকমিশনের সভাপতি ও সদস্য এবং মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের পদের মেয়াদ পাঁচ বছর। উভয় প্রতিষ্ঠানের সাংবিধানিক পদধারীরা দায়িত্ব গ্রহণের তারিখ থেকে পাঁচ বছর বা বয়স ৬৫ বছর পূর্ণ হওয়াÑ এ দু’টির মধ্যে যা আগে ঘটে সে পর্যন্ত পদে বহাল থাকতে পারেন।
নির্বাচিত সাংবিধানিক পদের মধ্যে সংসদ সদস্য এবং রাষ্ট্রপতির পদের ক্ষেত্রে নি¤œতম বয়সসীমা যথাক্রমে ২৫ ও ৩৫ উল্লেখ থাকলেও সর্বোচ্চ বয়সসীমার উল্লেখ নেই। সর্বোচ্চ বয়সসীমার বিষয়টি উল্লেখ না থাকার কারণে উভয় পদে, ৮০-৯০ বছরের মধ্যে অবস্থান করছেন এরূপ ব্যক্তি আসীন ছিলেন এবং আছেন। সংসদ সদস্যদের মধ্য থেকে প্রধানমন্ত্রীসহ মন্ত্রী পদের নয়-দশমাংশ পদ পূর্ণ করা হয়। সংসদ সদস্যদের জন্য উচ্চতর বয়সসীমা বারিত না হওয়ার কারণে সংসদ সদস্য পদধারী একজন মন্ত্রীর জন্যও উচ্চতর বয়সসীমা বারিত নয়। আমাদের বর্তমান মন্ত্রিসভায়ও অশীতিপর একাধিক মন্ত্রী রয়েছেন। মন্ত্রীর পদমর্যাদা ভোগ করেন এমন একাধিক ব্যক্তি ও রয়েছেন যারা অশীতিপর।
সাংবিধানিক অনির্বাচিত কোনো পদধারীর ক্ষেত্রেই পদে আসীন হওয়ার জন্য ন্যূনতম বয়সের উল্লেখ না থাকলেও উচ্চ আদালতের বিচারকদের ক্ষেত্রে সুপ্রিম কোর্টে আইন পেশায় অন্যূন ১০ বছর অথবা অধস্তন বিচার বিভাগের বিচারক হিসেবে অন্যূন ১০ বছর কর্মসম্পাদন না করে থাকলে তারা এ পদে নিয়োগের জন্য যোগ্য নন। একজন ব্যক্তিকে আইনজীবী হতে হলে তাকে ন্যূনতম ২১ বছর বয়সী হতে হয়। অনুরূপ, একজন ব্যক্তি অধস্তন বিচার বিভাগের সর্বনি¤œ, সহকারী জজ পদে নিয়োগের নিমিত্ত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অবতীর্ণ হতে হলে তার বয়স ন্যূনতম ২৩ বছর হওয়া অত্যাবশ্যক। সরকারি কর্মকমিশনের সভাপতি বা সদস্য পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে অর্ধেক সংখ্যকের বিষয় উল্লেখ রয়েছে যে, ২০ বছর বা ততোধিককাল বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার মধ্যে যেকোনো সময়ে সরকারের কর্মে কোনো পদে অধিষ্ঠিত থাকার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। উচ্চ আদালতে বিচারক পদে নিয়োগ লাভের জন্য একজন আইনজীবীর যে যোগ্যতাধারী হতে হয়, অ্যাটর্নি জেনারেলের ক্ষেত্রে অনুরূপ যোগ্যতা প্রযোজ্য হওয়ায় তাকে সমযোগ্যতাধারী হতে হয়। প্রধান বিচারপতিসহ উচ্চ আদালতের উভয় বিভাগের বিচারকদের অবসরের বয়সসীমা ৬৭ বছর নির্ধারিত হওয়ায় তারা ওই বয়সে উত্তীর্ণ হওয়ার পর অবসরে চলে যান। কিন্তু অ্যাটর্নি জেনারেলের ক্ষেত্রে এ ধরনের কোনো বয়সসীমা না দেয়া থাকার কারণে একজন অ্যাটর্নি জেনারেলের ৬৭ বছর উত্তীর্ণ হওয়ার পরও কর্মে বহাল থাকার ক্ষেত্রে কোনো বাধা নেই।
সাংবিধানিক পদধারী অনির্বাচিত নির্বাচন কমিশনারদের পদে আসীন হওয়ার ক্ষেত্রে ন্যূনতম বয়সের সীমারেখা দেয়া না থাকলেও বাংলাদেশ অভ্যুদয়-পরবর্তী এ যাবৎকাল পর্যন্ত ১১টি নির্বাচন কমিশনে যারা প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনার পদে নিয়োগ লাভ করেছেন এদের সবাই নিয়োগ লাভের আগেই প্রজাতন্ত্রের কর্মে বিচারক বা অসামরিক বা সামরিক কর্মকর্তা পদ থেকে অবসরপ্রাপ্ত হয়েছেন। এর আগে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনার পদে এমন একাধিক ব্যক্তি নিয়োজিত ছিলেন যারা ৭০-৮০ বছর বয়সসীমার মধ্যে অবস্থানকালে কর্মে বহাল ছিলেন। সুতরাং শারীরিক সুস্থতা থাকলে একজন প্রধান নির্বাচন কমিশনার বা নির্বাচন কমিশনারের নিয়োগের ক্ষেত্রে উচ্চতর বয়সে উত্তীর্ণ হওয়া অর্থাৎ ৭০ বছর অতিক্রম করা বারিত নয়।
প্রধানমন্ত্রীসহ যেকোনো মন্ত্রীর কর্মব্যস্ততা একজন প্রধান নির্বাচন কমিশনার বা নির্বাচন কমিশনারের চেয়ে অনেক বেশি। প্রধানমন্ত্রী বা মন্ত্রী পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে উচ্চতর বয়সসীমা বারিত নয় বিধায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার বা নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের ক্ষেত্রে সাংবিধানিকভাবে উচ্চতর বয়সসীমা অযোগ্যতার শর্তের মধ্যে আবদ্ধ হওয়ার কোনো সুযোগ নেই।
সরকারি কর্মকমিশনে সভাপতি বা সদস্য পদে বহাল ছিলেন, এরূপ প্রথমোক্ত ব্যক্তির ক্ষেত্রে অবসর-পরবর্তী এক মেয়াদের জন্য সভাপতি পদে এবং শেষোক্ত ব্যক্তির ক্ষেত্রে অবসর-পরবর্তী এক মেয়াদের জন্য সভাপতি বা সদস্য পদে পুনঃনিয়োগ বারিত না হলেও প্রজাতন্ত্রের কর্মে পুনঃনিয়োগ বারিত। মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের ক্ষেত্রে অবসর-পরবর্তী প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ সম্পূর্ণরূপে বারিত। এ অবস্থায় সরকারি কর্মকমিশনে সভাপতি বা সদস্য পদে বহাল ছিলেন অথবা মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক পদে বহাল ছিলেন, এরূপ ব্যক্তির জন্য প্রধান নির্বাচন কমিশনার বা নির্বাচন কমিশনার পদে আসীন হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। এরূপ সুযোগের অনুপস্থিতিতে এ ধরনের পদধারী কাউকে যদি প্রধান নির্বাচন কমিশনার বা নির্বাচন কমিশনার পদে নিয়োগ দেয়া হয়, সে ক্ষেত্রে সে নিয়োগ সাংবিধানিক অযোগ্যতাকে আকৃষ্ট করে।
প্রথম থেকে ষষ্ঠ নির্বাচন কমিশন অবধি প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং নির্বাচন কমিশনার পদে যারা নিয়োগ লাভ করেছিলেন তারা সবাই সুপ্রিম কোর্টের বিচারক পদ থেকে অবসরগ্রহণ-পরবর্তী নিয়োগ লাভ করেন। বাহাত্তরের সংবিধানে সুপ্রিম কোর্টের বিচারকদের অবসর-পরবর্তী প্রজাতন্ত্রের লাভজনক পদে নিয়োগ বারিত থাকলেও সামরিক ফরমানবলে প্রবর্তিত দ্বিতীয় ঘোষণাপত্র (পঞ্চদশ সংশোধন) আদেশ, ১৯৭৮ দ্বারা তাদের অবসর-পরবর্তী বিচারিক ও আধা-বিচারিক পদে নিয়োগ লাভের জন্য যোগ্য করা হয়। দ্বিতীয় ঘোষণাপত্র আদেশটি সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনী দ্বারা অনুমোদিত। পরে উচ্চ আদালত কর্তৃক পঞ্চম সংশোধনী বাতিল ঘোষিত হলেও পঞ্চদশ সংশোধনী প্রণয়নকালীন সুপ্রিম কোর্টের বিচারকদের অবসর-পরবর্তী বিচারিক ও আধা-বিচারিক পদে নিয়োগসংক্রান্ত বিধান অক্ষুণœ রাখা হয়।
একজন সংসদ সদস্য নির্বাচন-পরবর্তী কোনো অযোগ্যতার সম্মুখীন হলে অথবা সংবিধানের ৭০ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী তার আসন শূন্য হওয়ার বিষয়ে বিতর্ক দেখা দিলে শুনানি ও নিষ্পত্তির জন্য বিষয়টি নির্বাচন কমিশনের বরাবর প্রেরণের বিধান রয়েছে। নির্বাচন কমিশন সংসদ সদস্য (বিরোধ নিষ্পত্তি) আইন, ১৯৮০ অনুযায়ী বিতর্কিত বিষয়টি নিষ্পত্তি করে থাকে। এ-সংক্রান্ত সামগ্রিক কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন মামলা পরিচালনায় দেওয়ানি আদালতের অনুরূপ ক্ষমতা ভোগ করে। এ কারণে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনারদের পদ আধা-বিচারিক। সুতরাং নির্বাচন কমিশনারদের পদ আধা-বিচারিক হওয়ার কারণে সুপ্রিম কোর্টের বিচারকদের অবসর-পরবর্তী প্রধান নির্বাচন কমিশনার বা নির্বাচন কমিশনার পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে কোনো বাধা নেই।
সুপ্রিম কোর্টের একজন কর্মরত বিচারক স্বীয় বিভাগ ব্যতীত অন্য কোথাও আসন গ্রহণ করতে না পারার বিষয়টি সংবিধানে স্পষ্ট। সংবিধানে উল্লিখিত এ সুনির্দিষ্ট অযোগ্যতা সত্ত্বেও চতুর্থ ও নবম নির্বাচন কমিশনের ক্ষেত্রে দেখা গেছে, সুপ্রিম কোর্টের কর্মরত বিচারক প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনার পদে কার্য সম্পাদন করেছেন এবং প্রথমোক্তের ক্ষেত্রে, কার্য সম্পাদন-পরবর্তী সুপ্রিম কোর্টের বিচারক পদে পুনঃ প্রত্যাবর্তন করেছেন।
নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিল-পরবর্তী দলীয় সরকারের অধীন সংসদ বহাল থাকা অবস্থায় জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিধান প্রবর্তিত হলে নিরপেক্ষ, সৎ, দক্ষ, যোগ্য ও ব্যক্তিত্বসম্পন্ন ব্যক্তি সমন্বয়ে নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়েছেÑ দেশবাসীর মধ্যে এমন আস্থা ও বিশ্বাস স্থাপনের মানসে একাদশ নির্বাচন কমিশন গঠনের সময় রাষ্ট্রপতির নির্বাহী আদেশে গঠিত সার্চ কমিটির মাধ্যমে কমিশনে নিয়োগের নিমিত্ত প্রতিটি পদের বিপরীতে দু’টি নাম সুপারিশ করার জন্য বলা হয়। সে কমিটি চার সদস্যবিশিষ্ট। সে সার্চ কমিটির ভিত্তিতে গঠিত নির্বাচন কমিশন সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন অনুষ্ঠানে ব্যর্থ হয়ে এক দিকে জাতিকে চরমভাবে হতাশ করেছে, অন্য দিকে মারাত্মকভাবে সমালোচিত ও বিতর্কিত হয়েছে। দ্বাদশ নির্বাচন কমিশনও অনুরূপ সার্চ কমিটির মাধ্যমে গঠিত হয়েছে। দ্বাদশ নির্বাচন কমিশনে যাদের ঠাঁই মিলেছে এদের মধ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যক্তির অতীত কর্মজীবন বিষয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদে যে চিত্রটি ফুটে উঠেছে তাতে তার প্রকাশ্য রাজনৈতিক অবস্থান ব্যক্ত হয়। এ ধরনের অবস্থান সরকারি কর্মচারীদের আচরণবিধি, ১৯৭৯ অনুযায়ী অসদাচরণ যা সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধি, ১৯৮৫ অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য। এরূপ ব্যক্তির নেতৃত্বে পরিচালিত নির্বাচন কমিশনের পক্ষে সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিষয়ে দেশবাসী সন্দিহান। যে লক্ষ্য-উদ্দেশ্য ও আশা নিয়ে সার্চ কমিটির সৃষ্টি, তার প্রেক্ষাপটে, সার্চ কমিটি কর্তৃক এরূপ ব্যক্তির সুপারিশ দেশবাসীকে আশাহত করেছে। কমিশনার হিসেবে সার্চ কমিটি কর্তৃক সুপারিশপ্রাপ্ত যে চারজনকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে তাদের সততা ও দক্ষতার বিষয় নিশ্চিত হওয়া না গেলেও নিরপেক্ষ অবস্থান থেকে নিজ ব্যক্তিত্বকে সমুন্নত রেখে দায়িত্ব পালনে তারা সক্ষম হবেন কি না সে বিষয়ে দেশবাসীর আশ্বস্ত হওয়ার আবশ্যক।
আমাদের সংবিধানে নির্বাচন কমিশনে নিয়োগ বিষয়ে আইনের দ্বারা নির্ধারিত যোগ্যতার উল্লেখ থাকলেও সে আইন অদ্যাবধি প্রণীত না হওয়ায় নির্ধারিত যোগ্যতার বিষয়টি অস্পষ্ট। নির্বাচন কমিশনে নিয়োগ বিষয়ে সংবিধানে উল্লিখিত যেসব অযোগ্যতা স্পষ্ট, তা প্রতিপালন নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ এবং সামগ্রিক নিয়োগপ্রক্রিয়ার সাথে যারা সম্পৃক্ত তাদের জন্য অত্যাবশ্যক। আর তাই উচ্চতর বয়সসীমা অযোগ্যতা না হওয়া সত্ত্বেও এটি যোগ্য ভেবে নিয়োগকার্য সমাধা করা যেমন সংবিধান ও আইনের পরিপন্থী অনুরূপ, নির্ধারিত অযোগ্যতা সুস্পষ্ট হওয়া সত্ত্বেও তা বিবেচনায় না নিয়ে নিয়োগকার্য সমাধা করাও সংবিধান ও আইনের পরিপন্থী।
লেখক : সাবেক জজ, সংবিধান ও
রাজনীতি বিশ্লেষক
E-mail : [email protected]

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫