দিনাজপুরের প্রত্যন্ত গ্রামগুলোতে তুলা চাষ ছড়িয়ে দিতে এবং কৃষকদের এই লাভজনক ফসল চাষে উদ্বুদ্ধ করতে বিরামপুরে স্থানীয় কৃষকদের মাঝে শিমুল, মসলিন ও ট্রি কটন জাতের তুলা গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে। পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে এই উদ্যোগ নেয়া হয়।
শনিবার (১৮ জুলাই) সকালে বিরামপুর উপজেলা হলরুমে তুলা উন্নয়ন বোর্ড ঠাকুরগাঁও জোনের উদ্যোগে এবং তুলা ফসলে প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় এসব চারা ও কৃষি উপকরণ বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা: এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
কৃষকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘এই অঞ্চলে তুলা চাষের সম্ভাবনা অনেক বেশি। তুলা একটি অন্যতম অর্থকারী ফসল এবং ধানের চেয়ে তুলার বাজারমূল্য অনেক বেশি। কৃষকদের উৎসাহিত করতে সরকার তুলা চাষীদের বছরে ২৫ হাজার টাকা করে প্রণোদনা দেবে।’ বর্ষাকাল গাছ লাগানোর উপযুক্ত সময় উল্লেখ করে তিনি সকলকে গাছ লাগানোর আহ্বান জানান।
মন্ত্রী আরো বলেন, ‘বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে সাথে নিয়ে দেশকে এগিয়ে নিতে চান। সবাই একসাথে কাজ করলে দেশের উন্নয়ন সহজ হবে।’
অনুষ্ঠানে ১০০ জন কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে হাইব্রিড তুলা বীজ, সার, কীটনাশক ও পিজিআর (গাছের বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণকারী হরমোন) বিতরণ করা হয়। এছাড়া ৩০০টি শিমুল ও মসলিন তুলার চারাও বিনামূল্যে দেয়া হয়।
তুলা উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী পরিচালক মো: রেজাউল আমিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডিএই-এর ডিডি মো: আফজাল হোসেন, সিডিবি রংপুরের ডিডি জাফর আলী, বিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোসা: তানজিনা খাতুন ও উপজেলা কৃষি অফিসার কমল কৃষ্ণ রায়।
এছাড়াও ঠাকুরগাঁওয়ের প্রধান তুলা উন্নয়ন কর্মকর্তা সেলিনা আকতার, রংপুরের কীট পতঙ্গ বিশেষজ্ঞ সামিমা নাসরীন, দিনাজপুরের কটন এগ্রোনমিস্ট মো: সালাহউদ্দিনসহ তুলা উন্নয়ন বোর্ডের স্থানীয় কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।



