১৯ জানুয়ারি ২০২২
`

দাম কমাতে তেলের ভাণ্ডারে হাত দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র


তেলের দাম বাড়তে থাকায় এবং সেইসাথে দ্রব্যমূল্য বেড়ে যাওয়ায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের জনপ্রিয়তা কমছে। এই অবস্থায় তেলের দাম কমাতে নিজ দেশের রিজার্ভ থেকে তেল ধার দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাইডেন প্রশাসন।

মঙ্গলবার এই ঘোষণা আসতে পারে। পাইপলাইন সমস্যাসহ নানা কারণে জ্বালানি সংকট দেখা দিলে ঐ নির্দিষ্ট সময়ের চাহিদা মেটাতে বিভিন্ন দেশের তেলের ভাণ্ডার আছে, যা ‘স্ট্র্যাটেজিক পেট্রোলিয়াম রিজার্ভ’ বা এসপিআর নামে পরিচিত।

এই এসপিআর থেকে তেল কোম্পানিগুলোকে অশোধিত তেল ধার দিতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। এই তেল সুদসহ ফেরত দিতে হবে।

একই কাজ করতে চীন, ভারত, দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানকেও অনুরোধ করেছে বাইডেন প্রশাসন। জাপান ও ভারত এ বিষয়ে কাজ করছে বলে জানা গেছে।

এর আগে দাম কমাতে তেল উৎপাদনকারী দেশগুলোর সংস্থা ওপেক ও তার সহযোগী দেশগুলোকে (যেমন রাশিয়া) উৎপাদন বাড়াতে অনুরোধ করেছিল যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু কাজ হয়নি।

বাইডেনের প্রথম ১০০ দিন, সাফল্য ও ব্যর্থতা করোনার বিরুদ্ধে লড়াই বাইডেন যখন প্রেসিডেন্ট হিসাবে দায়িত্ব নিলেন, তখন অ্যামেরিকার করোনা পরিস্থিতি খুবই খারাপ। প্রচুর আক্রান্ত। মৃত্যু ঠেকানো যাচ্ছে না। বাইডেন প্রথমেই করেনা নিয়ে টাস্কফোর্স গঠন করেন। সব ফেডারেল অফিসে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করেন। টিকা দেয়ার গতি অনেকটাই বাড়িয়ে দেন। করোনা-বিধি পালন করার জন্য জোর দেন।

তাই এবার নিজ ভাণ্ডারে হাত দিতে বাধ্য হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। এর আগে আরো তিনবার এসপিআর থেকে তেল বিক্রির অনুমোদন দেয়া হয়েছিল। প্রথমবার ১৯৯১ সালে গাল্ফ যুদ্ধের সময়। পরে ২০০৫ সালে হ্যারিকেন ক্যাটরিনার পর এবং সবশেষ ২০১১ সালে ওপেক সদস্য লিবিয়ায় যুদ্ধ চলার সময় এসপিআর থেকে তেল নেয়া হয়েছিল।

তেলের দাম কমাতে যুক্তরাষ্ট্রের সবশেষ উদ্যোগ কতটা সফল হবে সেটা নির্ভর করছে দেশটি এসপিআর থেকে কতটা তেল ছাড় করছে তার উপর। কিন্তু সে বিষয়ে এখনও তথ্য পাওয়া যায়নি।

সূত্র : ডয়চে ভেলে


আরো সংবাদ


premium cement