২৮ জানুয়ারি ২০২১
`

ইরানে হামলার গোপন পরিকল্পনা ছিল যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের


ক্ষমতা হস্তান্তরের আগমুহূর্তে ইরানে নজিরবিহীন গোপন হামলার পরিকল্পনা করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইসরাইলকে সঙ্গে নিয়ে এই হামলার পরিকল্পনা ছিল ট্রাম্পের। তেহরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল একযোগে ইরানে হামলার চালানো নিয়ে পরিকল্পনার বিস্ফোরক খবর প্রকাশ করেছে ইসরাইলি পত্রিকা টাইমস অব ইসরাইল। মঙ্গলবার (২৩ নভেম্বর) ইসরাইলি পত্রিকাটি এই সংবাদ প্রকাশ করে।

অন্যদিকে ইসরাইলের একটি টেলিভিশন চ্যানেল ‘চ্যানেল-১৩’ জানায়, ট্রাম্পের ক্ষমতা শেষ হওয়ার আগে হামলা চালানো হলে, ইরান কোনো সামরিক পদক্ষেপ নিতে পারবে না। আর এটাকেই মোক্ষম সুযোগ হিসেবে দেখেছিল দুই দেশ।

ইসরাইলি গণমাধ্যমে আরো দাবি করা হয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে গোপন মিশন চালিয়ে ইরানের বেশ কয়েকজন পরমাণু বিজ্ঞানীকে হত্যা করেছে তেল আবিব।

এর আগে গত সপ্তাহে মার্কিন গণমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, ইসরাইলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের গুপ্তচররা আল-কায়েদার দ্বিতীয় শীর্ষ নেতা আবু মোহাম্মদ আল-মাসরিকে তেহরানের ভেতরেই অভিযান পরিচালনা করে হত্যা করে। আর এই হত্যাকাণ্ডের নির্দেশ আসে যুক্তরাষ্ট্র থেকেই। যদিও ইসরাইল-যুক্তরাষ্ট্রের এমন অভিযানের খবরকে ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছে তেহরান।

তাছাড়া সদ্য সমাপ্ত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে পরাজয়ের পরও ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালাতে প্রস্তুতি নিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে এ বিষয়ে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্স, পররাষ্ট্রমন্ত্রী পম্পেওসহ আরো কয়েকজন কর্মকর্তা ট্রাম্পকে সতর্ক করে দেন। ট্রাম্পকে তারা বলেন, ইরানে হামলা চালালে সীমান্ত এলাকায় সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার প্রবল আশঙ্কা রয়েছে। এতে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হবে ইসরাইল।

এর আগে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (আইএইএ) এক প্রতিবেদনে জানায়, ইরান ‘অব্যাহতভাবে’ ইউরেনিয়াম মজুদ করে যাচ্ছে।

নিউইয়র্ক টাইমসের খবর অনুসারে, এমন হামলার সম্ভাব্য নিশানা হতে পারত নাটানজ। সেখানে ছয় বিশ্বশক্তির সঙ্গে ইরানের পরমাণু চুক্তিতে অনুমোদিত পরিমাণের ১২ গুণ ইউরেনিয়াম মজুদ করা হচ্ছে।

২০১৮ সালে ওই চুক্তি থেকে একতরফা সরে আসার ঘোষণা দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানের পরমাণু সমৃদ্ধকরণের লাগাম টেনে ধরতে চুক্তিটি সই করা হয়েছিল।

দীর্ঘদিন ধরে ইরানের বিরুদ্ধে লেগে আছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। পরমাণু চুক্তি থেকে সরে আসার পর থেকে তিনি দেশটির বিরুদ্ধে একের পর এক অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে যাচ্ছেন। তেলসমৃদ্ধ দেশটির অর্থনীতির চাকা বন্ধ করে দিতে আরো পদক্ষেপ নেয়ারও অঙ্গীকার করেছে ট্রাম্প প্রশাসন।

আগামী ২০ জানুয়ারি ডেমোক্র্যাটদলীয় জো বাইডেনের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করবেন ট্রাম্প। কর্মকর্তারা বলেন, তিনি হামলার সম্ভাব্যতা জানতে চেয়েছেন। কিন্তু তার সহকারীরা তাকে পুরো পরিস্থিতির বর্ণনা দেন এবং সামনে এগিয়ে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে হোয়াইট হাউজ কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি বলে সে সময় জানিয়েছিল বার্তা সংস্থা রয়টার্স।



আরো সংবাদ


করোনা ভ্যাকসিন : যে ৪ গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের জবাব এখনো মেলেনি ২ হাজার ৩৭৪ কোটি টাকার বিটকয়েন ভর্তি হার্ড ডিস্ক ছুঁড়ে ফেলেছেন তিনি পেঁয়াজের বাম্পার ফলনেও হাসি নেই কৃষকের চট্টগ্রামের নতুন মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী নবম ও দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া : জীববিজ্ঞান ও বাংলা প্রথমপত্র সপ্তম অধ্যায় : গ্যাসীয় বিনিময় বাংলা প্রথমপত্র গদ্যাংশ : নিমগাছ ২০২১ সালের ক্যাডেট কলেজে ভর্তি প্রস্তুতি : দরকারী পরামর্শ নবম ও দশম শ্রেনীর লেখাপড়া : বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় প্রথম অধ্যায় : পূর্ব বাংলার আন্দোলন ও জাতীয়তাবাদের উত্থান (১৯৪৭-১৯৭০) একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর প্রস্তুতি : হিসাববিজ্ঞান প্রথম পত্র প্রথম অধ্যায় : দ্বিতীয় ভাগÑ ঘটনা ও লেনদেন একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর প্রস্তুতি : বাংলা প্রথম পত্র কবিতা : ঐকতান টিকা নিয়ে সংশয় দূর করা যেত

সকল