২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন কমিয়ে আনার অনুমতি দিলো সুপ্রিম কোর্ট

-

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসীদের আশ্রয় চাওয়ার সক্ষমতা ব্যাপক হারে হ্রাস করার যে পরিকল্পনা করেছে ট্রাম্প প্রশাসন তাতে অনুমোদন দিয়েছে মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট। বিবিসি এ খবর জানিয়েছে।

নতুন এই রুলের আওতায়, তৃতীয় কোনো দেশ হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছালে অভিবাসীদের আগে ওই দেশে আশ্রয় চাইতে হবে।

এ নিয়ে আইনি লড়াই এখনো চলছে। তবে সুপ্রিম কোর্টের এই রুল জারির মাধ্যমে এটা পরিষ্কার যে, এটি এখন পুরো যুক্তরাষ্ট্রের জন্য প্রযোজ্য হবে।

এক টুইটে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, সীমান্তে আশ্রয় প্রার্থনার বিষয়ে মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের এটি একটি বড় জয়।

অভিবাসন কমিয়ে আনা প্রেসিডেন্ট হিসেবে ট্রাম্পের শাসনামলের একটা বড় লক্ষ্য।

সেই সাথে এটি ২০২০ সালে পুনঃনির্বাচনের জন্যও তার প্রতিশ্রুতির একটা বড় অংশ পূরণ করবে।

চলতি বছরের জুলাই মাসে এ পরিকল্পনাটি ঘোষণা করা হলে প্রায় সাথে সাথেই সেটি কার্যকর হওয়া থেকে ঠেকিয়ে দেয়া হয়।

ফলে সুপ্রিম কোর্টের এই অনুমোদন মার্কিন গণমাধ্যমে ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য জয় হিসেবেই দেখা হচ্ছে।

কী পরিবর্তন আসবে?
সেন্ট্রাল আমেরিকার অভিবাসীরা উত্তর দিকে যাত্রা করে, পায়ে হেঁটে মেক্সিকো হয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সীমান্তে পৌঁছায়।

এদের মধ্যে বেশিরভাগই সহিংসতা এবং দারিদ্রের কারণে দেশ ছাড়ে।

নতুন এই রুল কার্যকর হলে, হন্ডুরাস, নিকারাগুয়া এবং এল সালভাদরের অভিবাসন প্রত্যাশীদের আশ্রয় চাইতে হলে যুক্তরাষ্ট্রের আগে প্রতিবেশী কোন দেশ বা মেক্সিকোতে আশ্রয় চাইতে হবে।

তবে এই রুল আমেরিকা অঞ্চলের বাইরের অভিবাসন প্রত্যাশীদের উপরও প্রভাব ফেলবে।

আমেরিকার সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়ন এই রুলের বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ করেছে, তারা বলছে, আশ্রয় পাওয়ার যোগ্যদের সংখ্যা মারাত্মকভাবে কমিয়ে দেবে এই নিষেধাজ্ঞা।

এক পিটিশনে সংস্থাটি বলে, "চলতি নিষেধাজ্ঞার কারণে, দক্ষিণ সীমান্ত এবং প্রবেশ বন্দরে থাকা আশ্রয় প্রার্থীরা এমনকি শুধু মেক্সিকান ছাড়া আর কেউই আশ্রয় চাওয়ার যোগ্য বলে বিবেচিত হবে না।"

তবে, তৃতীয় কোন দেশে আশ্রয় চাওয়ার পর তা নাকচ হলে কিংবা মানব পাচারের শিকার ব্যক্তিরা এখনো আশ্রয় চেয়ে আবেদন করতে পারবে।

এটা নিয়ে এত বিতর্ক কেন?
অভিবাসীরা যেভাবেই পৌঁছান না কেন সবার আশ্রয়ের আবেদন বিবেচনা করার দীর্ঘদিনের মার্কিন নীতিকে বদলে দেবে এই নিষেধাজ্ঞা।

সুপ্রিম কোর্টের নয় বিচারকের মধ্যে দু'জন রুশ ব্যাডার গিন্সবার্গ এবং সোনিয়া সটোমেয়র এই রুলের বিপক্ষে মত দিয়েছেন।

"আবারো নির্বাহী শাখা এমন একটি রুল ইস্যু করলো যা নিপীড়নের শিকার থেকে পালিয়ে আসা শরণার্থীদের আশ্রয় আবেদন বিবেচনার দীর্ঘদিনের মার্কিন চর্চাকে উল্টে দেবে," বিচারক সটোমেয়র লেখেন।

যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছানোর যাত্রাপথ বিপজ্জনক। এছাড়া অসহায় হওয়ার কারণে প্রায়ই মধ্য আমেরিকার অভিবাসীরা প্রতিবেশী দেশের গ্যাং গুলোর কবলে পরে।

এছাড়া মেক্সিকো এবং গুয়েতেমালা অভিবাসন প্রত্যাশীদের স্রোত সামাল দিতে পারবে কিনা তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছানোর পথে 'তৃতীয় দেশ' হতে বরাবরই আপত্তি জানিয়ে আসছে মেক্সিকো।

কারণ এটি হলে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে আগ্রহীদের আশ্রয় আবেদন আগে বিবেচনা করতে বাধ্য থাকবে মেক্সিকো।


আরো সংবাদ

ছাত্রাবাসে গণধর্ষণ : সেই রাতের ঘটনা আদালতকে জানালেন ভুক্তভোগী গৃহবধূ ১৯৭২ থেকে সব অপকর্মের সাথে আ’লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগ জড়িত : মির্জা ফখরুল বন্ধ স্কুল সচল দেখিয়ে সরকারি বরাদ্দ আত্মসাত মুফতী মাওলানা আনোয়ার উল্লাহ বাতেনী’র ইন্তেকালে ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ জামায়াতের শোক সেপটিক ট্যাঙ্ক ধসে ৬ ফিলিস্তিনির মৃত্যু আল্লামা শাহ আহমদ শফীকে নিয়ে কটূক্তি : আলাউদ্দিন জেহাদীর জামিন মঞ্জুর ১৯৭৩ সালে শহীদ মিনারে প্রথম ছাত্রী লাঞ্ছিত করে ছাত্রলীগ : রিজভী সাহেদের বিরুদ্ধে অস্ত্র মামলার রায় কাল ইউনুছ আলী আকন্দকে দুই সপ্তাহের জন্য আইন পেশা থেকে অব‌্যাহতি ধর্ষক রনিকে ধরিয়ে দিতে এলাকাবাসীর প্রচারণা ছাত্রাবাসে গণধর্ষণ : এমসি কলেজ অধ্যক্ষের পদত্যাগ চায় আ’লীগ

সকল

ক্রিকেট ছেড়ে সাকিব এখন পাইকারি আড়তদার! (১৩১৮৮)যে কারণে এই মুহূর্তেই এ সরকারের পতন চান না নুর (১১৯৬৯)নর্দমা পরিষ্কার করতে গিয়ে ধরা পড়ল দৈত্যাকার ইঁদুর! (ভিডিও) (১০৪৩০)এমসি কলেজে গণধর্ষণ : আ’লীগ নেতারা ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করেছিলেন! (৯৭৬৫)নতুন বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র সামনে আনলো ইরান (৮০৭০)সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে বেঁধে স্ত্রীকে গণধর্ষণ ছাত্রলীগ কর্মীদের (৭৮৪১)এমসি কলেজে ‘গণধর্ষণ’ : ছাত্রদের ছাত্রাবাস ছাড়ার নির্দেশ (৬৯৭৩)সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে বেঁধে স্ত্রীকে গণধর্ষণ ছাত্রলীগ কর্মীদের (৬৪৯৫)পাবনা উপ-নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থীর ভোট বর্জন (৫৯৩২)ডোপ টেস্টে পজেটিভ ২৬ পুলিশকে চাকরিচ্যুত করা হবে : ডিএমপি কমিশনার (৫৬২৬)