০৪ আগস্ট ২০২০

২০২০ সালের প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার প্রস্তুতি : পর্বসংখ্যা-৫৫

বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় তৃতীয় অধ্যায় : বাংলাদেশের ঐতিহাসিক স্থান ও নিদর্শন
-
24tkt

প্রিয় প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনীর শিক্ষার্থী বন্ধুরা, শুভেচ্ছা নিয়ো। আজ তোমাদের বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ের ‘তৃতীয় অধ্যায় : বাংলাদেশের ঐতিহাসিক স্থান ও নিদর্শন’ থেকে ৩টি অল্প কথায় উত্তর দাও ও ৩টি প্রশ্নোত্তর এবং ১টি সংক্ষিপ্ত উত্তর প্রশ্ন নিয়ে আলোচনা করা হলো।
অল্প কথায় উত্তর দাও
প্রশ্ন : দু’টি প্রাচীন নিদর্শনের নাম লিখ।
উত্তর : দু’টি প্রাচীন নিদর্শনের নাম হলোÑ
র. চওড়া খাদবিশিষ্ট প্রাচীন দুর্গ,
রর. প্রাচীন ব্রাহ্মী শিলালিপি।
প্রশ্ন : অষ্টম শতকে কোন ধর্ম পালিত হতো?
উত্তর : অষ্টম শতকে বৌদ্ধ, জৈন ও হিন্দুধর্ম পালিত হতো।
প্রশ্ন : প্রাচীন নিদর্শনগুলো কারা আবিষ্কার করেন?
উত্তর : প্রাচীন নিদর্শনগুলো প্রতœতাত্ত্বিকরা আবিষ্কার করেন।
প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও
প্রশ্ন : ঐতিহাসিক নিদর্শনগুলো কোথায় রাখা হয়?
উত্তর : ঐতিহাসিক নিদর্শনগুলো প্রদর্শনের জন্য জাদুঘরে রাখা হয়। দেশে সরকারি ও বেসরকারি কয়েকটি জাদুঘর রয়েছে। ঐতিহাসিক নিদর্শনগুলো প্রদর্শনের জন্য রয়েছে শাহবাগের জাতীয় জাদুঘর, সোনারগাঁওয়ের লোকশিল্প জাদুঘর এবং রাজশাহীর বরেন্দ্র জাদুঘর অন্যতম। এ স্থানগুলোকে ঐতিহাসিক নিদর্শনগুলো প্রদর্শনের জন্য রাখা হয়েছে। তাই বলা যায়, ঐতিহাসিক নিদর্শনগুলো প্রদর্শনের জন্য জাদুঘরে রাখা হয়।
প্রশ্ন : ঐতিহাসিক নিদর্শন পরিদর্শনের কারণসমূহ লিখ।
উত্তর : ঐতিহাসিক নিদর্শনগুলো বিভিন্ন কারণে পরিদর্শন করতে হয়। কারণগুলো হলোÑ
র. ইতিহাস ও ঐতিহ্য সম্পর্কে জানার জন্য।
রর. বিভিন্ন জাতি ও ধর্মের মানুষ সম্পর্কে জানার জন্য।
ররর. আমাদের অতীত সভ্যতা ও সংস্কৃতি সম্পর্কে জানার জন্য।
রা. প্রাচীন মানুষের জীবনযাত্রা সম্পর্কে জানার জন্য।
া. ঐতিহাসিক স্থান ও প্রাচীন নিদর্শন সম্পর্কে জানার জন্য।
প্রশ্ন : ঐতিহাসিক নিদর্শনগুলো আমাদের সংরক্ষণ করা উচিত কেন?
উত্তর : ঐতিহাসিক নিদর্শনগুলো বিভিন্ন কারণে আমাদের সংরক্ষণ করা উচিত। আমাদের প্রাচীন ইতিহাস-ঐতিহ্য সম্পর্কে জানতে এবং প্রাচীন লোকদের জীবনযাত্রা সম্পর্কে জানতে ঐতিহাসিক নিদর্শনগুলো সংরক্ষণ করা উচিত। এ ছাড়া এসব নিদর্শন আমাদের অতীত সভ্যতা ও সংস্কৃতি সম্পর্কে ধারণা দেয়। আর এসব কারণেই ঐতিহাসিক নিদর্শনগুলো আমাদের সংরক্ষণ করা উচিত।
সংক্ষিপ্ত উত্তর প্রশ্ন
প্রশ্ন : মহাস্থানগড় কোন ইতিহাসের সাক্ষ্য বহন করে?
উত্তর : মহাস্থানগড় বাংলার খ্রিষ্টপূর্ব চার শতক থেকে পরবর্তী পনেরো শত বছরের বেশি সময়কালের ইতিহাসের সাক্ষ্য বহন করে।

 


আরো সংবাদ

হিজবুল্লাহর জালে আটকা পড়েছে ইসরাইল! (২২৭১২)হামলায় মার্কিন রণতরীর ডামি ধ্বংস না হওয়ার কারণ জানালো ইরান (১৪৭৬৭)ভারতের যেকোনো অপকর্মের কঠিন জবাব দেয়ার হুমকি দিলো পাকিস্তান (৮৩২০)মরুভূমির ‘এয়ারলাইনের গোরস্তানে’ ফেলা হচ্ছে বহু বিমান (৮২৯৮)সাবেক সেনা কর্মকর্তাকে গুলি করে হত্যা : পুলিশের ২১ সদস্য প্রত্যাহার (৬৬৬৯)নেপালের সমর্থনে এবার লিপুলেখ পাসে সৈন্য বৃদ্ধি চীনের (৬৩০৬)তল্লাশি চৌকিতে সেনা কর্মকর্তার মৃত্যু দেশবাসীকে ক্ষুব্ধ করেছে: মির্জা ফখরুল (৫৮৯৯)আমিরাতের পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নিয়ে কেন সন্দিহান ইরান-কাতার? (৫৬৯৭)আবারো তাইওয়ান দখলের ঘোষণা দিল চীন (৫৬২০)করোনায় আক্রান্ত এমপিকে হেলিকপ্টারে ঢাকায় আনা হয়েছে (৪৯৯৯)