০৫ এপ্রিল ২০২০

২০২০ সালের প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার প্রস্তুতি : পর্বসংখ্যা-১১ বিজ্ঞান অধ্যায় দুই : পরিবেশ দূষণ

-

সুপ্রিয় প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনীর শিক্ষার্থী বন্ধুরা, শুভেচ্ছা নিয়ো। আজ তোমাদের বিজ্ঞান বিষয়ের ‘অধ্যায় দুই : পরিবেশ দূষণ’ থেকে আরো ৪টি বর্ণনামূলক প্রশ্ন নিয়ে আলোচনা করা হলো।
প্রশ্ন : শব্দদূষণ কী ?
উত্তর : উচ্চ তীব্রতা ও তীক্ষèতাসম্পন্ন যে শব্দ আমাদের শরীরে ক্ষতিকর প্রভাব সৃষ্টি করে তাকে শব্দদূষণ বলে। শব্দদূষণের প্রভাবে আমাদের দৈনন্দিন কাজকর্ম ও পড়াশোনাতে ব্যাঘাত ঘটে। শারীরিক বিভিন্ন সমস্যা হয়। যেমনÑ মাথাব্যথা, উচ্চ রক্তচাপ হয়, হৃদরোগ হয় ইত্যাদি। এ ছাড়া আমাদের শ্রবণশক্তি কমে যায়, এমনকি বধির হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
প্রশ্ন : পরিবেশ সংরক্ষণ কী? আমরা কিভাবে পরিবেশ সংরক্ষণ করতে পারি?
উত্তর : পরিবেশ সংরক্ষণ বলতে পরিবেশের উপাদানগুলোর মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখাকে বুঝায়। পরিবেশের কোনো উপাদানের ক্ষতির প্রভাবের ফলে অন্যান্য উপাদানের ক্ষতি না হয়। মাটি, পানি, বায়ু ও শব্দদূষণ না করে এসব উপাদানের সঠিক ব্যবহার করলেই পরিবেশ সংরক্ষিত হবে। এ জন্য জনসচেতনতা বাড়িয়ে আমরা পরিবেশ সংরক্ষণে ভূমিকা রাখতে পারি। পরিবেশ দূষণমুক্ত করাকে পরিবেশ সংরক্ষণ বলে।
আমরা নিম্নরূপে পরিবেশ সংরক্ষণ করতে পারি Ñ
১) বিদ্যুৎ ও জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার কমানো।
২) নদী, পুকুর অর্থাৎ যেখানে সেখানে ময়লা না ফেলা।
৩) গাছ না কেটে বরং বেশি বেশি করে গাছ লাগানো।
৪) প্রাকৃতিক সম্পদের ব্যবহার কমানো।
৫) জনসচেতনতা বৃদ্ধি করে।
প্রশ্ন : মাটি দূষণ কেন মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর?
উত্তর : বিভিন্ন ধরনের ক্ষতিকর বস্তু মাটিতে মেশার ফলে মাটি দূষিত হয়। কৃষিকাজে ব্যবহৃত সার ও কীটনাশক, গৃহস্থালি ও হাসপাতালের বর্জ্য, কলকারখানার বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থ ও তেল ইত্যাদির মাধ্যমে মাটি দূষিত হয়। মাটি দূষণের ফলে জমির উর্বরতা নষ্ট হয়। দূষিত মাটিতে উৎপন্ন ফসল খাদ্য হিসেবে গ্রহণের ফলে মানুষ ক্যান্সারসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়। এ কারণেই মাটি দূষণ মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।
প্রশ্ন : মাটি ও পানি দূষণের সাদৃশ্য কোথায়?
উত্তর : মাটি ও পানি দূষণের সাদৃশ্য হচ্ছে উভয়ই ক্ষতিকর পদার্থ মিশ্রিত হয়ে দূষিত হয়। কৃষি কাজে ব্যবহৃত সার ও কীটনাশক, গৃহস্থালি ও হাসপাতালের বর্জ্য, কলকারখানার বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থ ও তেল ইত্যাদির মাধ্যমে মাটি দূষিত হয়। মাটি দূষণের ফলে জমির উর্বরতা নষ্ট হয়। দূষিত মাটিতে উৎপন্ন ফসল খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে মানুষ ক্যান্সারসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়। অপরপক্ষে, পয়ঃনিষ্কাশন ও গৃহস্থালির বর্জ্য অথবা কারখানার ক্ষতিকর বর্জ্য পদার্থের মাধ্যমে পানি দূষিত হয়। এ ছাড়া ময়লা-আবর্জনা পানিতে ফেলা, কাপড় ধোয়া, গোসল করা ইত্যাদির মাধ্যমে পানি দূষিত হয়। পানি দূষণের ফলে মানুষ কলেরা বা ডায়রিয়ার মতো পানিবাহিত রোগ এবং বিভিন্ন চর্মরোগে আক্রান্ত হয়।


আরো সংবাদ

আত্মহত্যার আগে মায়ের কাছে স্কুলছাত্রীর আবেগঘন চিঠি (১৩৫৩০)সিসিকের খাদ্য ফান্ডে খালেদা জিয়ার অনুদান (১২৬০৬)করোনা নিয়ে উদ্বিগ্ন খালেদা জিয়া, শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল (৯৩১৫)ভারতে তাবলিগিদের 'মানবতার শত্রু ' অভিহিত করে জাতীয় নিরাপত্তা আইন প্রয়োগ (৮৪৯০)করোনায় নিশ্চিহ্ন হয়ে গেল ইতালির একটি পরিবার (৭৮৬৪)করোনার মধ্যেও ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আরেক যুদ্ধ (৭১৪০)করোনায় আটকে গেছে সাড়ে চার লাখ শিক্ষকের বেতন (৬৯৩১)ইসরাইলে গোঁড়া ইহুদির শহরে সবচেয়ে বেশি করোনার সংক্রমণ (৬৮৯০)ঢাকায় টিভি সাংবাদিক আক্রান্ত, একই চ্যানেলের ৪৭ জন কোয়ারান্টাইনে (৬৭৬১)করোনাভাইরাস ভয় : ইতালিতে প্রেমিকাকে হত্যা করল প্রেমিক (৬২৯৬)