০১ জুন ২০২০

মার্কস মেডিক্যাল কলেজ

-

দেশে বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজগুলোর মধ্যে যেসব কলেজ সফলতার সাথে কাজ করছে মার্কস মেডিক্যাল কলেজ তাদের মধ্যে অন্যতম। মার্কস মেডিক্যাল কলেজ মার্কস গ্রুপের প্রতিষ্ঠান হিসেবে দক্ষ চিকিৎসক তৈরির প্রত্যাশায় প্রতিষ্ঠিত হয়। এ বছর নবম ব্যাচে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। যারা গত ১১ অক্টোবর অনুষ্ঠিত এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষায় কৃতকার্য হবেন তারাই প্রথম বর্ষ এমবিবিএস কোর্সে ভর্তি হতে পারবেন। ২০১১-১২ সেশনে প্রথম ব্যাচের ভর্তির মাধ্যমে এ প্রতিষ্ঠানের যাত্রা শুরু হয়।
অবস্থান : রাজধানী ঢাকার মিরপুর-১৪ নম্বরের এ/৩ প্রধান সড়কের পাশে এ কলেজটি অবস্থিত। সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন সাপেক্ষে চিকিৎসক ও শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিত্ব প্রয়াত ব্রি. জে. (অব:) অধ্যাপক ডা: মাসুদুর রহমান খান দক্ষ চিকিৎসক গড়ার লক্ষ্য নিয়ে এ কলেজটি প্রতিষ্ঠা করেন। প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ হিসেবে তিনি এ কলেজটির কার্যক্রম শুরু করেন। বর্তমানে এ প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করছেন আর্মড ফোর্সেস মেডিক্যাল কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মে. জে. (অব:) অধ্যাপক ডা: মো: নাসির উদ্দিন। উপাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্বে আছেন অধ্যাপক ডা: ইকবাল মাসুদ খান এবং সার্বিক তত্ত্বাবধায়ক ও প্রশাসনিক দায়িত্বে আছেন দি মার্কস গ্রুপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) তারিক মাসুদ খান। শিক্ষকমণ্ডলী : এ কলেজের শিক্ষাদানে নিয়োজিত আছেন অভিজ্ঞ ও দক্ষ শিক্ষকমণ্ডলী। এর নেতৃত্বে রয়েছেন মেজর জেনারেল (অব:) অধ্যাপক ডা: মো: নাসির উদ্দিন। শিক্ষকমণ্ডলীর মধ্যে অধ্যাপক, সহযোগী, সহকারী অধ্যাপক এবং প্রভাষকবৃন্দ রয়েছেন যারা ছাত্র-শিক্ষকের সুসম্পর্ক বজায় রেখে পাঠদান করেন। শ্রেণিকক্ষ ও পাঠদান পদ্ধতি : কলেজের নিজস্ব ক্যাম্পাসে রয়েছে ডিজিটাল শ্রেণিকক্ষ, লেকচার গ্যালারি, কম্পিউটার ও পরীক্ষাগার কক্ষ। এ কলেজের পাঠদান পদ্ধতি আধুনিক। শিক্ষকেরা নিয়মিত বিভিন্ন বিষয়ের পাঠদান করান। ছাত্রছাত্রীদের নিয়মিত শ্রেণিকক্ষে উপস্থিত থাকতে হয়। বিষয়ভিত্তিক পাঠদান শেষে শিক্ষার্থীদের সাপ্তাহিক, মাসিক ও টিউটোরিয়াল পরীক্ষায় অংশ নিতে হয়। পরীক্ষায় খারাপ করলে অভিভাবকদের ডেকে তাদের উন্নতির জন্য পরামর্শ দেয়া হয়। যেহেতু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে সব মেডিক্যাল কলেজের একসাথে পরীক্ষা হয়, তাই কোনো শিক্ষার্থীকে পাস না করে পরের সেশনে উত্তীর্ণ হওয়ার সুযোগ নেই, পড়ালেখা করেই তাদের পাস করতে হয়। গ্রন্থাগার ও কম্পিউটার ল্যাব : এ কলেজের গ্রন্থাগারে পর্যাপ্ত অভিধান, সহায়কগ্রন্থ, পাঠ্যবই, স্বাস্থ্যবিষয়ক জার্নাল, ম্যাগাজিন ও দৈনিক পত্রিকা ছাড়াও শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের জন্য অধ্যয়নের সুব্যবস্থা রয়েছে। এ গ্রন্থাগারে তথ্যপ্রযুক্তির প্রয়োজনও মেটানো হয়। আবাসিক সুবিধা : শিক্ষার্থীদের আবাসিক সমস্যার কথা বিবেচনা করে জ্যেষ্ঠ শিক্ষকদের তত্ত্বাবধানে ছাত্র ও ছাত্রীদের জন্য পৃথক হোস্টেলের ব্যবস্থা রয়েছে। এছাড়া শিক্ষকদের জন্য রয়েছে শিক্ষক লাউঞ্জ এবং ছাত্রদের জন্য স্ন্যাকস সপ ও রেস্টুরেন্টের ব্যবস্থা। এ প্রসঙ্গে প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ ডা: মো: নাসির উদ্দিন বলেন, ‘আমরা ছাত্র শিক্ষকের সম্পর্কের প্রতি যতœবান। শিক্ষার্থীদের যেকোনো সমস্যা সম্পর্কে আমরা সচেতন। তারা প্রয়োজন অনুযায়ী আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারে। আমরা তা সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করি।’ এ কলেজের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে তারিক মাসুদ খান বলেন, ‘আমরা শিক্ষার্থীদের একুশ শতকের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার উপযোগী করে গড়ে তোলার জন্য করণীয় সবকিছু করছি। তাদের ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা বৃদ্ধির কথা বিবেচনা করে আমরা প্রথম বর্ষে শিক্ষার্থীদের জন্য ইংরেজি ভাষা শিক্ষা কোর্স, ৫ শতাংশ ফ্রি-কোটা, উপজাতীয় কোটাসহ সব কোটা পূরণ করে থাকি। এ ছাড়া আমরা সরকারি নিয়মানুযায়ী বিদেশী শিক্ষার্থী ভর্তি করি এবং তাদের জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করে থাকি।’ যোগাযোগ : এ/৩, মেইন রোড, মিরপুর-১৪, ঢাকা, ফোন : ৯৮৩৪০৩১, ৯০০৩৪৭৫, ৮০৩৩৩৭৩


আরো সংবাদ