৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১৫ আশ্বিন ১৪২৯, ৩ রবিউল আওয়াল ১৪৪৪ হিজরি
`

সিলেটে অসহনীয় লোডশেডিং

সিলেটে অসহনীয় লোডশেডিং - ছবি : প্রতীকী

সিলেটে অসহনীয় লোডশেডিং চলছে। এতে মানুষের দুর্ভোগ মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। শহরে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রায় ১২ থেকে ১৩ ঘণ্টা লোডশেডিং হচ্ছে।

গ্রামঞ্চলের অবস্থা আরো ভয়াবহ। এ অবস্থায় বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড সিলেটের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী (বিতরণ অঞ্চল) আরাফাত আল মাজিদ ভূঁইয়া নয়া দিগন্তকে বলছেন, সিলেটে দুপুরে যেখানে ১৮০-১৯০ মেগাওয়াট বিদ্যুতের প্রয়োজন হয়, সেখানে জায়গায় এখন আমরা পাচ্ছি ১৩০-১৪০ মেগাওয়াট। এতে আমাদের লোডশেডিং হচ্ছে ৪০-৫০ মেগাওয়াট। এই ৪০-৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ প্রতি ঘণ্টায় সাশ্রয় হচ্ছে। এটা ব্যবহারের ওপর নির্ভর করে। কোনো ঘণ্টায় চাহিদা দেখা যাচ্ছে ১৭০ মেগাওয়াট, আবার কোনো ঘণ্টায় চাহিদা ১৮০ মেগাওয়াট। এই উঠানামা নির্ভর করছে মানুষ কোন সময় বিদ্যুৎ বেশি ব্যবহার করছে তার ওপর।

সিলেটে কোনো কোনো সময় বিদ্যুতের চাহিদা বেশি থাকে জানতে চাইলে এই কর্মকর্তা বলেন, সকাল ১০টা, ১১টা, দুপুর ১২টা, ১টা, ২টা, বিকেল ৩টা ও ৪টা এই সময়গুলোতে বেশি বিদ্যুতের চাহিদা থাকে। সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত বিদ্যুতের চাহিদা সবচেয়ে বেশি থাকে। এ সময় ১৭০-১৯০ মেগাওয়াট পর্যন্ত চাহিদা ওঠানামা করে। এরপর সন্ধ্যা ৬টা, ৭টা, রাত ৮টা, ৯টা, ১০টা এবং ১১টা পর্যন্ত চাহিদা বেশি থাকে। এ সময় ১৯০-২১৫ মেগাওয়াট পর্যন্ত চাহিদা ওঠানামা করে। ৫টি বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ ও ১টি আবাসিক প্রকৌশলীর দফতর এই ৬টিতে প্রতিদিন গড়ে সন্ধ্যা ৬টা-রাত ১১টা (ইভনিং পিক) পর্যন্ত চাহিদা থাকে ১৫০ মেগাওয়াট। আর সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৩টা (ডে পিক) পর্যন্ত চাহিদা থাকে ১৩০ মেগাওয়াট। ডে পিকে সোমবারের অবস্থা কিছুটা ভালো বলা যায়।

সোমবার ১৩০ মেগাওয়াটের জায়গায় পাচ্ছি ১১০ মেগাওয়াট। যার ফলে লোডশেডিংয়ের মাধ্যমে ২০ মেগাওয়াট সাশ্রয় করতে হচ্ছে। বিদ্যুতের হিসাবটা হচ্ছে ঘণ্টায় ঘণ্টায়। যেমন কোনো ঘণ্টায় আমার ১৩০ মেগাওয়াট লাগছে, আবার কোনো ঘণ্টায় লাগছে ১২০ মেগাওয়াট। সেই জায়গায় আমি যদি ১১০ মেগাওয়াট পাই, তবে প্রতি ঘণ্টায় গড়ে ২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ লোডশেডিংয়ের মাধ্যমে সাশ্রয় করতে হচ্ছে।

আরাফাত আল মাজিদ ভূঁইয়া বলেন, গ্রাহকরা আমাদের দোষ দিতে পারেন কোনো রক্ষণাবেক্ষণ না হলে, কোনো সিস্টেম কলাপস হলে কিংবা অন্য কোনো সমস্যা হলে। যদিও আমরা আমাদের সাধ্যমতো নিয়ম মেনে মেইনটেনেন্স করি। তারপরেও যদি আমাদের মেইনটেনেন্সে সমস্যা হয়, তখন অভিযোগ করার পরেও আমরা যদি কাজ না করি তাহলে দোষারোপ করলে ঠিক আছে। কিন্তু লোডশেডিং নিয়ে গ্রাহক আমাদেরকে যে দোষ দেয় সেটা দুঃখজনক। কেননা বিদ্যুৎ রাখার কোনো জিনিস না। এটি জমিয়ে সংরক্ষণ করার সুযোগ নেই। বিদ্যুৎ সাশ্রয় করে সেটা বিতরণ করা যায়। উৎপাদন করে গ্রাহকের কাছে বিতরণ করতেই হবে।

 


আরো সংবাদ


premium cement
ছেলেকে নিয়ে যা জানালেন বুবলি ও সাকিব পাইপলাইনে নাশকতা ‘আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদের’ উদাহরণ : এরদোগানকে পুতিন আফগানিস্তানের কাবুলে বিস্ফোরণ, নিহত ১৯ আহত ২৭ আড়াই বছর আগে শাকিবের সন্তানের মা হয়েছেন বুবলী আধিপত্য বিস্তারে ২ ডাকাত গ্রুপের সংঘর্ষ, নিহত ৩ হালুয়াঘাটে বন্য হাতির তাণ্ডব থামছেই না : এবার বিনষ্ট করলো বসতঘর বিশ্বজুড়ে করোনায় মৃত্যু সাড়ে ৬৫ লাখ ছুঁইছুঁই সাফজয়ী ফুটবলারদের নামে সেতু ইউক্রেনের জন্য আরো ১২ বিলিয়ন ডলারের সহায়তা মার্কিনিদের আজারবাইজানকে ঠেকাতে আর্মেনিয়াকে ক্ষেপণাস্ত্র দিচ্ছে ভারত বিএনপির দুর্নীতি-দুঃশাসন বিদেশীদের কাছে তুলে ধরতে হবে : প্রধানমন্ত্রী

সকল