০৪ ডিসেম্বর ২০২০

পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যে ক্ষুব্ধ সিলেটের টেলিভিশন সাংবাদিকরা

পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যে ক্ষুব্ধ সিলেটের টেলিভিশন সাংবাদিকরা - সংগৃহীত

সম্প্রতি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেনের একটি বক্তব্যকে ঘিরে সিলেটের টেলিভিশন সাংবাদিকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা এই বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে বক্তব্যটি প্রত্যাহারের আহবান জানান।

টেলিভিশন সাংবাদিকদের সংগঠন ইলেকট্রনিক মিডিয়া জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন (ইমজা), সিলেট কার্যালয়ের পক্ষথেকে বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সিলেটে পুলিশ ফাঁড়িতে নির্যাতনে নিহত রায়হানের বাড়িতে গত ২০ অক্টোবর যান পররাষ্ট্র মন্ত্রী। সেখানে নিহতের পরিবারকে সান্ত্বনা ও সুবিচারের আশ্বাস দেয়ার পর সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন তিনি।

এসময় টেলিভিশন সাংবাদিকরা সিলেট মহানগর পুলিশের বিভিন্ন ব্যর্থতার কথা তুলে ধরলে তা অস্বীকার করে পুলিশের পক্ষেই সাফাই দেন মন্ত্রী। এক পর্যায়ে মহানগর পুলিশের বিভিন্ন ফাঁড়িতে কোটি টাকার চাঁদাবাজি ও বিভিন্ন থানায় ঘুরেফিরে একই কর্মকর্তার পদায়নের ব্যাপারে জানতে চাইলে বিরক্তি প্রকাশ করে মন্ত্রী ওই সাংবাদিককে জিজ্ঞেস করেন, 'আপনি কি ফেরেশতা? আপনার সাথের সবাই কি ফেরেশতা?' মন্ত্রীর এমন প্রশ্নে হতাশ ও অবাক হন সাংবাদিকরা।

ঘটনার দিন নিহতের বাড়িতে মানবিক কারণে কোনো প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত না করলেও বুধবার সন্ধ্যায় ইলেকট্রনিক মিডিয়া জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন (ইমজা), সিলেট কার্যালয়ে সভায় বসেন সাংবাদিক নেতারা। সভায় সাংবাদিকরা পররাষ্ট্র মন্ত্রীর বক্তব্যে তীব্র হতাশা ও ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সুভাষি ও ক্লিন ইমজের ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত পররাষ্ট্র মন্ত্রী একে আব্দুল মোমেন অজ্ঞাত কারণে ভুল তথ্য উপস্থাপন করেন ও এমন একটি হত্যাকাণ্ডের পরও পুলিশের ব্যর্থতা অস্বীকার করে বক্তব্য দেন। উপরন্তু সাংবাদিকদের প্রশ্নের সঠিক জবাব না দিয়ে পুলিশের অপরাধী ও দুর্নীতিতে জড়িত সদস্যদের আস্কারা দেন এবং সাংবাদিকদের চরিত্রহনন করেন।

ইমজার সভাপতি মাহববুবুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক সজল ছত্রীর সঞ্চালনায় সভায় বক্তারা সিলেট মহানগর পুলিশের দুর্নীতিগ্রস্ত সদস্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থাগ্রহণ ও মন্ত্রীর এমন বক্তব্য প্রত্যাহারের আহবান জানান।

সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সময় টিভির সিলেট ব্যুরো প্রধান ইকরামুল কবির, দেশটিভির বিভাগীয় প্রতিনিধি বাপ্পা ঘোষ চৌধুরী, চ্যানেল এস ইউকের চীফ রিপোর্টার মঈন উদ্দিন মনজু, এনটিভি সিলেটের স্টাফ ক্যামেরাপারসন আনিস রহমান, চ্যানেল এস ইউকের চীফ ক্যামেরাপারসন লিটন চৌধুরী, দেশ টিভির ক্যামেরাপারসন আশরাফুল কবির, ইমজার সিনিয়র সদস্য এস সুটন সিংহ, বাংলা টিভির ক্যামেরাপারসন এস আলম আলমগীর, এনটিভির সিলেট প্রতিনিধি মারুফ আহমদ, চ্যানেল টুয়েন্টিফোরের স্টাফ রিপোর্টার গোলজার আহমদ, ইন্ডিপেন্ডেন্ট টিভির স্টাফ ক্যামেরাপারসন গোপাল বর্ধন, মোহনা টিভির ক্যামেরাপারসন শামীম হোসেন, যমুনা টিভির স্টাফ ক্যামেরাপারসন নিরানন্দ পাল, নিউজ টুয়েন্টিফোরের ক্যামেরাপারসন শফি আহমদ, এটিএননিউজের ক্যামেরাপারসন অনিল পাল, যমুনা টিভির স্টাফ রিপোর্টার মাইদুল ইসলাম রাসেল, মাছরাঙা টেলিভিশনের স্টাফ ক্যামেরাপারসন শুভ্র দাস, আরটিভির সিলেটে প্রতিনিধি হোসাইন আহমদ সুজাত, ডিবিসির ক্যামেরাপারসন হাসান শিকদার সেলিম, চ্যানেল এসের ক্যামেরাপারসন মাহমুদুর রহমান মিলন প্রমুখ।


আরো সংবাদ

সকল

সৌদি আরবে ইমাম হোসাইন মসজিদটি ভেঙে ফেলার নির্দেশ (১১৪৮৮)রাজধানীতে সমাবেশের অনুমতি পায়নি সম্মিলিত ইসলামী দলগুলো (১০৬৫১)অপশক্তি মোকাবেলা করে ইসলামের বিজয় নিশ্চিত করতে হবে : মামুনুল হক (৯৪০৬)বায়তুল মোকাররমের সামনে ভাস্কর্যবিরোধীদের মিছিলে লাঠিচার্জ (৮২৫২)কোনো মুসলিম হিন্দু নারীকে বিয়ে করতে পারে কিনা (৭৩৩৯)আওয়ামী লীগের আপত্তি, মামুনুল হকের মাহফিল বাতিল (৬৬৯১)ভাস্কর্য, মহাকালের প্রেক্ষাপট (৬২২৫)ভাস্কর্যের নামে মূর্তি স্থাপন কোনোক্রমে মেনে নেয়া যায় না : সম্মিলিত ইসলামী দলসমূহ (৬১৩০)স্টেডিয়ামগুলোকে জেলে রূপান্তরের অনুমতি না দেয়ায় কেজরিওয়ালের ওপর ক্ষুব্ধ মোদি (৬০৫৭)নাগর্নো-কারাবাখে জয় পেতে কত সৈন্য হারাতে হলো আজারবাইজানকে? (৫৮৭৪)