০৪ ডিসেম্বর ২০২০

৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটামের পর রায়হানের পরিবারের টানা কর্মসূটি

৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটামের পর রায়হানের পরিবারের টানা কর্মসূটি - সংগৃহীত

সিলেটের বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে নির্যাতনে রায়হান আহমদকে হত্যার সাথে জড়িতদের গ্রেফতারের জন্য ৭২ ঘণ্টার সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিলো তার পরিবার। গত রোববার দুপুরে নিজ বাড়িতে সংবাদ সম্মেলন করে এসআই আকবরসহ অভিযুক্ত সকলকে গ্রেফতারের ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেন রায়হানের মা সালমা বেগম।

এদিকে বেঁধে দেয়া সময়সীমা (৭২ ঘণ্টা) অতিক্রম হয়েছে বুধবার দুপুরে। এখনো প্রধান অভিযুক্ত আকবর হোসেন ভূঁইয়াকে গ্রেফতার করা হয়নি। একমাত্র পুলিশ কনস্টেবল টিটু চন্দ্র দাস ছাড়া এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত আর কোনো গ্রেফতার নেই। ফলে লাগাতার কর্মসূচি হাতে নিয়েছে রায়হানের পরিবার। এমনটিই জানিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা।

তারা জানান, বৃহস্পতিবার পরিবার ও এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাথে সাক্ষাৎ, পরদিন শুক্রবার বাদ জুমা মসজিদে মসজিদে রায়হানের জন্য দোয়া মাহফিল ও শনিবার বিকেল ৪টায় এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে মদিনা মার্কেট পয়েন্টে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হবে।

পরিবারের পক্ষে বিষয়টি নিশ্চিত করেন রায়হানের স্বজন মো. শওকত হোসেন। তিনি ঘোষিত কর্মসূচি সফল করতে সিলেটের সর্বস্তরের জনসাধারণের সহযোগিতা কামনা করেন।

তিনি বলেন,৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটামের অভিযুক্তরা গ্রেফতার না হলে হরতালসহ কঠোর কর্মসূচি দেয়ার কথা ছিল। কিন্তু মানুষের দুর্ভোগের কথা চিন্তা করে আমরা আপাতত কঠোর কর্মসূচি থেকে সরে এসেছি। তবে এরপর যদি প্রশাসন জড়িতদের গ্রেফতারে ব্যর্থ হয় তাহলে নতুন করে কঠোর কর্মসূচির ঘোষণা আসবে।

এদিকে বুধবার দুপুরে এই হত্যাকানণ্ডের ঘটনায় জড়িতদের ধরতে ও বিচারের দাবিতে বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়ির সামনের রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছে সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ সিলেটের কর্মীরা।

উল্লেখ্য, গত ১১ অক্টোবর ভোরে বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে পুলিশের নির্যাতনের শিকার হন রায়হান আহমদ (৩৩) নামের এক যুবক। পরে সিলেট ওসমানী হাসপাতালে তিনি মারা যান। রায়হান সিলেট নগরীর আখালিয়ার নেহারিপাড়ার মৃত রফিকুল ইসলামের ছেলে। তিনি নগরীর রিকাবিবাজার স্টেডিয়াম মার্কেটে এক চিকিৎসকের চেম্বারে কাজ করতেন। এই ঘটনায় ১২ অক্টোবর রাতে অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে হেফাজতে মৃত্যু আইনে সিলেট কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন রায়হানের স্ত্রী।

এরপর পুলিশের পক্ষ থেকে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হলে রায়হানকে ফাঁড়িতে এনে নির্যাতনের প্রাথমিক প্রমাণ পায় কমিটি। এই তদন্ত কমিটির সুপারিশে বন্দরবাজার ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই আকবর হোসেন ভূইয়া, কনস্টেবল হারুনুর রশিদ, তৌহিদ মিয়া ও টিটুচন্দ্র দাসকে সাময়িক বরখাস্ত এবং এএসআই আশেক এলাহী, এএসআই কুতুব আলী ও কনস্টেবল সজিব হোসেনকে প্রত্যাহার করা হয়। রায়হানের স্ত্রীর দায়ের করা মামলাটির তদন্ত করছে পিবিআই।


আরো সংবাদ

সৌদি আরবে ইমাম হোসাইন মসজিদটি ভেঙে ফেলার নির্দেশ (১১৩১৫)রাজধানীতে সমাবেশের অনুমতি পায়নি সম্মিলিত ইসলামী দলগুলো (১০৬৮১)অপশক্তি মোকাবেলা করে ইসলামের বিজয় নিশ্চিত করতে হবে : মামুনুল হক (৯৩৩০)কোনো মুসলিম হিন্দু নারীকে বিয়ে করতে পারে কিনা (৭৩৫২)আওয়ামী লীগের আপত্তি, মামুনুল হকের মাহফিল বাতিল (৬৬০৬)ভাস্কর্যের নামে মূর্তি স্থাপন কোনোক্রমে মেনে নেয়া যায় না : সম্মিলিত ইসলামী দলসমূহ (৬০৯৮)স্টেডিয়ামগুলোকে জেলে রূপান্তরের অনুমতি না দেয়ায় কেজরিওয়ালের ওপর ক্ষুব্ধ মোদি (৫৯৩২)দেশের প্রয়োজনে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারের নির্দেশ সেনাপ্রধানের (৫৭৫০)বায়তুল মোকাররমের সামনে ভাস্কর্যবিরোধীদের মিছিলে লাঠিচার্জ (৫৫২৮)ভাস্কর্য, মহাকালের প্রেক্ষাপট (৫২৫৪)