২৯ অক্টোবর ২০২০

সুনামগঞ্জে মানহীন মসলার রমরমা ব্যবসা

সুনামগঞ্জে লাইসেন্সবিহীন মসলার রমরমা ব্যবসা - সংগৃহীত

সুনামগঞ্জ পৌরসভার নতুনপাড়া এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে অপু গরম মসলা নামে ভূয়া একটি লাইসেন্সের স্টিকার ব্যবহার করে কালবাজারে ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ ও ক্যামিকেল ব্যবহার যুক্ত গোলাপজলসহ বিভিন্ন ধরনের খাদ্য ও পন্যসামগ্রী নিজে তৈরী করে বাজারজাত করে আসছেন সুজিত দাস নামে এক ব্যবসায়ী।

খোজঁনিয়ে জানা যায়, পৌরসভার নতুন পাড়া এলাকার বাসায় তিনি দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসনের চোখ ফাকিঁ দিয়ে ভূয়া লাইসেন্সের স্টিকার ব্যবহার করে গরম মসলা জিরা, পাচঁ-পোঢ়ন, কিছমিছ, কালিজিরা গুয়া মুড়ি মেথীসহ বিভিন্ন ধরনের তরল পদার্থ আইটেমের খাদ্যদ্রব্য নিজে প্যাকেট অপু গরম মসলার স্টিকার লাগিয়ে জেলার বিভিন্ন গ্রামের হাটবাজারের দোকানে বাজারজাত করে আসছেন নির্বিঘ্নে। গ্রামের সহজ সরল মানুষজন পণ্যসামগ্রীর মান না জেনেও কিনে নিয়ে সেগুলো খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করে চলেছেন। কিন্তু এসব খাদ্যসামগ্রী কতটা পুষ্টিকর ও নিরাপদ তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়। ওই সমস্ত খাদ্যসামগ্রী খাবারের ফলে সাধারণ মানুষজন নানান জটিল রোগে আক্রান্ত হতে পারে। এসমস্ত অপুষ্টিকর খাবার খাওয়ার ক্রাণে অনেকে মুত্যুর ঝুকিঁতে পড়ার সম্ভাবনা থেকেই যায়। এছাড়াও জানা যায় ‘অপু গরম মসলা’র স্টিকার দিয়ে সুজিত দাস ভারতীয় খাদ্যপণ্য নিজে আমদানী করে বাসার মধ্যে প্যাকেটজাত করে প্রতিনিয়ত বিভিন্ন হাটবাজারে রপ্তানী করে আসছেন।

রোববার সরেজমিনে দুপুরে নতুনপাড়া এলাকার নিলয় ৮১ রায়বাড়িতে তার বাসায় গিয়ে দেখা যায় বাসার ভিতরে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বিভিন্ন ধরনের তরল পদার্থ ও খাদ্য সামগ্রীর গোডাউন তৈরি করে রেখেছেন। বিষয়টি উধর্বতন কর্তৃপক্ষ নজরে আনবেন এমনটাই প্রত্যাশা সাধারণ মানুষের।

এ ব্যাপারে অপু গরম মসলার ব্যবসায়ী সুজিত দাস লাইসেন্সে বিহীন ব্যবসাটা ভুল বলে শিকার করে সঠিক ভাবে করার জন্য জানিয়েছেন। তবে পৌর কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করা হলে জানা যায় অপু গরম মসলা নামে কোন লাইসেন্স পৌরসভা কর্তৃক দেয়া হয়নি।

এ বিষয়ে সদর উপজেলা নিবাহী অফিসার ইয়াসমিন নাহার রুমার মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করার পরও তাকে পাওয়া যায়নি।

সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।


আরো সংবাদ