০১ ডিসেম্বর ২০২০

অরুণাচলে ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর গ্রেনেড হামলা, জওয়ান নিহত


ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য অরুণাচলে ভারতীয় আধা-সামরিক বাহিনীর উপর গ্রেনেড হামলার ঘটনা ঘটেছে। রাজ্যটিতে ভারতীয় আধা-সামরিক বাহিনী আসাম রাইফেলসের একটি টহল দলের ওপর হামলায় ওই বাহিনীর এক সদস্য নিহত হয়েছে। এরপর সন্দেহভাজন হামলাকারীদের খোঁজে ওই অঞ্চলে ব্যাপক তল্লাশী অভিযান শুরু করেছে নিরাপত্তা বাহিনী।

জানা যায়, মঙ্গলবার আসাম রাইফেলসের একটি পানিবাহী গাড়ির ওপর গ্রেনেড হামলা চালানো হয়। তারপরে গাড়িটি লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণও করা হয়। এই ঘটনায় এক জওয়ান নিহত ও অপর একজন আহত হয়।

ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভি বলছে, হামলার ঘটনার পর সন্দেহভাজন হামলাকারীদের খোঁজে ওই অঞ্চলে ব্যাপক তল্লাশী অভিযান শুরু করে নিরাপত্তা বাহিনী। তবে হামলাকারীদের করতে ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনী সক্ষম হয়েছে কিনা সে বিষয়ে কিছু জানানো হয়নি।

মিয়ানমার সীমান্তবর্তী অরুণাচলের তিন জেলা- তিরাপ, লংডিং এবং চ্যাংলাংয়ে দীর্ঘদিন থেকেই চালু রয়েছে ভারতের বিতর্কিত সশস্ত্র বাহিনী (বিশেষ ক্ষমতা) আইন। এতে নিরাপত্তা বাহিনীকে গুলি চালানোসহ ব্যাপক ক্ষমতা দেয়া রয়েছে।

এসব অঞ্চলে সক্রিয় রয়েছে ভারতে নিষিদ্ধ ঘোষিত বেশ কয়েকটি সশস্ত্র গোষ্ঠী। আসাম ও নাগাল্যান্ডে সক্রিয় এসব গোষ্ঠীর কোনও কোনোটির আস্তানা রয়েছে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে। যেখান থেকে বেরিয়ে ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর হামলা শেষে তারা আবার ফেরত যায়। এ মাসের শুরুতে চ্যাংলাং জেলায় আরো একবার হামলার শিকার হয় আসাম রাইফেলস-এর সদস্যরা। জেলার টেংমো গ্রামে টহল দলের ওপর হামলা চালানো হয়।

এর আগে গত ১১ জুলাই অরুণাচলের লংডিং জেলায় নাগা আন্ডারগ্রাউন্ড গ্রুপ এনএসসিএনের ছয় সন্দেহভাজন সদস্যকে গুলি চালিয়ে হত্যা করে ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনী। সূত্র : এনডিটিভি ও হিন্দুস্তান টাইমস


আরো সংবাদ