১৫ আগস্ট ২০২০

কাশ্মিরে বিজেপি নেতাকে বাবা-ভাইসহ গুলি করে হত্যা

কাশ্মিরে বিজেপি নেতাকে বাবা-ভাইসহ গুলি করে হত্যা - ছবি : সংগৃহীত
24tkt

ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু-কাশ্মিরে বিজেপি নেতা শেখ ওয়াসিম বারি, তার বাবা শেখ বশির আহমদ ও ভাই ওমর সুলতানকে মাথায় গুলি করে হত্যা করেছে অজ্ঞাত বন্দুকধারীরা। বুধবার দিবাগত রাত ৯ টা নাগাদ বান্দিপোরায় ওই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। নিহত ওয়াসিম বারি বান্দিপোরা জেলার বিজেপি সভাপতি ছিলেন।

ওই হত্যাকাণ্ডের প্রতিক্রিয়ায় বিজেপি’র সর্বভারতীয় সভাপতি জগৎ প্রকাশ (জে পি) নাড্ডা বলেছেন, ‘আমরা ওয়াসিম বারি, তার বাবা ও ভাইকে জম্মু-কাশ্মিরের বান্দিপোরায় এক কাপুরুষোচিত হামলায় হারিয়েছি। এটা দলের জন্য বড় ক্ষতি। তার পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা। গোটা দল এই দুঃখের সময়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে আছে। আমি আশ্বাস দিতে চাই যে, তার আত্মত্যাগ বৃথা যাবে না।’

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিজেপি’র কেন্দ্রীয় নেতা জিতেন্দ্র সিং জানিয়েছেন, ওয়াসিম বারির হত্যার ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি খবর নিয়েছেন। তার পরিবারের প্রতি সমবেদনাও ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী।

জম্মু-কাশ্মির পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ‘সন্ত্রাসীরা বিজেপি নেতা ওয়াসিম বারি, তার বাবা বশির আহমেদ ও ভাই ওমর বশিরের ওপরে হামলা চালিয়েছে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত ঘোষণা করা হয়।’ জম্মু-কাশ্মিরের ন্যাশনাল কনফারেন্স ও পিডিপি দলের পক্ষ থেকে ওই হত্যাকাণ্ডের নিন্দা করা হয়েছে।

রাজ্যের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও ন্যাশনাল কনফারেন্সের নেতা ওমর আবদুল্লাহ বলেছেন, ‘সন্ত্রাসীদের হামলায় বিজেপি নেতা হত্যার খবর শুনে দুঃখিত। তার পরিবারের প্রতি সমবেদনা রইল। মূলধারার রৈজনৈতিক নেতাদের ওপরে সন্ত্রাসীদের আক্রমণ এতটুকু কমেনি।’

আজ (বৃহস্পতিবার) এনডিটিভি হিন্দি ওয়েবসাইট সূত্রে প্রকাশ, জম্মু-কাশ্মির পুলিশের মহানির্দেশক দিলবাগ সিং বলেছেন, বুধবার রাতে সন্ত্রাসীরা এক বিজেপি নেতা, তার বাবা ও ভাইকে গুলি চালিয়ে হত্যা করেছে। সন্ত্রাসীরা বিজেপি’র জেলা সভাপতিকে একটি দোকানের বাইরে রাত ৯টা নাগাদ গুলি চালিয়ে হত্যা করেছে। তার ভাই ওমর ও বাবা বশির গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হলে তাদেরকে বান্দিপোরা জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই তারা মারা যান। ওই ঘটনায় কর্তব্যে গাফিলতির জন্য ৭ পুলিশ কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

বশিরের সুরক্ষার জন্য রাজ্য প্রশাসন আটজন নিরাপত্তারক্ষী দিয়েছিল। কিন্তু আক্রমণের সময় একজন নিরাপত্তারক্ষীও সেখানে ছিলেন না। ঘটনার পর আটজন রক্ষীকেই দায়িত্বে অবহেলার জন্য গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কাশ্মীর পুলিশের আইজি জানিয়েছেন, ''আমরা এই আটজনের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নিচ্ছি।''

সূত্র : পার্স টুডে ও ডয়চে ভেলে


আরো সংবাদ