০৬ জুন ২০২০

করোনাকে ঠেকাতে ম্যালেরিয়ার ওষুধ খেয়ে প্রাণ গেল চিকিৎসকের

এ যেন হিতে বিপরীত হল! করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে ম্যালেরিয়া প্রতিষেধক ওষুধ খেয়ে প্রাণ হারাতে হল ভারতের আসামের এক বিশিষ্ট চিকিৎসককে। গুয়াহাটির একটি বেসরকারি হাসপাতালের প্রখ্যাত ওই চিকিৎসক হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান।

কিছুদিন আগেই করোনা আক্রান্ত রোগীদের সংস্পর্শে আসা চিকিত্‍‌সক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের অ্যান্টি-ম্যালেরিয়ার এই ওষুধকে করোনা প্রতিষেধক হিসাবে ব্যবহারের পরামর্শ দিয়ে ছিল ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্চ। মনে করা হচ্ছে, সেই অনুযায়ীই অ্যান্টি-ম্যালেরিয়ার ওষুধ হাইড্রোক্সি-ক্লোরোকুইন ড্রাগটি করোনা প্রতিষেধক হিসেবে নিয়েছিলেন বছর চুয়াল্লিশের প্রবীণ অ্যানসথেটিস্ট উৎপলজিৎ বর্মণ। যদিও অ্যান্টি-ম্যালেরিয়ার ওই ওষুধটিই তার হৃদরোগের কারণ কিনা তার নিশ্চিত ভাবে প্রমাণ মেলেনি।

তবে খবর এটাই যে, ওই ওষুধটি নেওয়ার পরেই গুয়াহাটির ওই চিকিৎসক তার এক সহকর্মীকে হোয়াটসঅ্যাপ লিখেছিলেন যে, ওষুধটি খাওয়ার পর থেকেই তার শরীরে একটা তীব্র অস্বস্তি হচ্ছে।

করোনাকে ঠেকাতে সুরক্ষামূলক পদক্ষেপ হিসেবে করোনা ভাইরাস সংক্রমণের অতি-সম্ভাব্যদের তালিকায় থাকা ব্যক্তিদের হাইড্রোক্সি-ক্লোরোকুইন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় ভারতে। যারা এরই মধ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন, তাদের পরিবারের লোকজন ছাড়াও সংশ্লিষ্ট চিকিত্‍‌সক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের অ্যান্টি-ম্যালেরিয়ার এই ওষুধ দেওয়ার পরামর্শ দেয় ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্চ বা আইসিএমআর।

যদিও করোনাভাইরাসের জন্যে গঠিত ওই মেডিক্যাল টাস্ক ফোর্স এটাও হুঁশিয়ারি দিয়েছিল যে, প্রতিরোধ বা নিরাময়ের জন্য ওই ওষুধটিকে উপযুক্ত চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া নিজে থেকে খেয়ে নেওয়া উচিত নয়। কিন্তু ডঃ উৎপলজিৎ বর্মণ নিজেই একজন চিকিৎসক হওয়ায় আলাদা করে আর এবিষয়ে কারোর পরামর্শ না নিয়েই ওষুধটি খেয়েছিলেন। এনডিটিভি।


আরো সংবাদ





justin tv