২০ আগস্ট ২০২২
`

বন্যার্তদের বাঁচানোই হোক অগ্রাধিকার

বন্যার্তদের বাঁচানোই হোক অগ্রাধিকার। - ছবি : সংগৃহীত

দীর্ঘ কয়েক বছর বাংলাদেশে তেমন বন্যা হয়নি। আশা করা হয়েছিল বাংলাদেশ হয়তো বন্যার এই দুর্যোগ থেকে রেহাই পেয়েছে। আগের মতো বন্যা আর হবে না। কিন্তু না, চলমান আকস্মিক বন্যা বুঝিয়ে দিয়েছে বন্যা থেকে বাংলাদেশের নিস্তার নেই। বাংলাদেশ বন্যার দেশ। বন্যা এ দেশের নিয়তি। বন্যা নিয়েই আমাদের চলতে হবে।

এবার আকস্মিক বন্যা দেখা দিয়েছে সিলেট বিভাগ ও উত্তরাঞ্চলে। সিলেটের বন্যা ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। বিশেষ করে সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলা এখন কোমর থেকে বুক পানিতে প্লাবিত। বন্যার রেকর্ড থেকে দেখা গেছে ১২২ বছরের মধ্যে এমন ভয়াবহ বন্যা হয়নি ওই অঞ্চলে। সড়ক-রেল যোগাযোগ, বিদ্যুত-গ্যাস, মোবাইল ফোন ও ইন্টারনেটসেবা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলা সারা দেশ থেকে কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। হাট বাজার, দোকানপাট, ব্যাংকসহ জনজীবনের স্বাভাবিক কার্যক্রম সবকিছুই সেখানে বন্ধ। হাসপাতালগুলোতে বন্যার পানি ঢুকে পড়ায় চিকিৎসা কার্যক্রমও বন্ধ। সিলেট ওসমানী বিমানবন্দরেও বন্যার পানি ঢুকে যাওয়ায় সরকার বিমানবন্দরে বিমান ওঠানামা কয়েক দিনের জন্য বন্ধ রেখেছে। স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে এসএসসি পরীক্ষা।
ইতোমধ্যেই সরকার থেকে তথ্য জানানো হয়েছে বন্যার সিলেট ও সুনামগঞ্জের ৪০ লাখেরও বেশি মানুষ পানিবন্দী। শহরের পরিস্থিতি কিছুটা জানা গেলেও গ্রামাঞ্চলের বন্যা দুর্গতদের প্রকৃত অবস্থা কী তা জানা যাচ্ছে না। বন্যার ভয়াবহতা সেখানে এতই বেশি যে, মানবিক বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন বন্যা সামলাতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছে।

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের সর্বশেষ সংবাদ ব্রিফিংয়ে জানানো হয়েছে, দেশের ১১টি জেলা এখন বন্যাকবলিত। এর মধ্যে সিলেট, সুনামগঞ্জ ও নেত্রকোনা বেশি আক্রান্ত। এ জেলাগুলো বন্যা পরিস্থিতির আরো অবনতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এর পরেই রয়েছে কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ, জামালপুর, লালমনিরহাট, নীলফামারী ও রংপুর জেলার বন্যা। এসব জেলা আগামী কয়েক দিনের মধ্যে বন্যার আরো অবনতি ঘটতে পারে। তেমনি আগামী কয়েক দিনের মধ্যে দেশের মধ্যাঞ্চলের পদ্মা তীরবর্তী অঞ্চলগুলোতেও বন্যা দেখা দিতে পারে, বন্যার পানি বঙ্গোপসাগরে নামার পথে। গঙ্গা-পদ্মা, ব্রহ্মপুত্র-যমুনা, সুরমা-কুশিয়ারা, তিস্তা-ধরলা ও দুধকুমোর নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। নদ-নদীর ১০৯টি পয়েন্টের মধ্যে ৯১টিতে পানি বাড়ছে।

কেন এই বন্যা
সিলেট ও সুনামগঞ্জের আকস্মিক বন্যার জন্য বিশেষজ্ঞরা অতিবৃষ্টিকেই মূল কারণ হিসেবে দায়ী করেছেন। এ ছাড়া অন্য কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব, নদীগুলো ভরাট হয়ে যাওয়া, সীমান্তের ওপারে ভারতে অপরিকল্পিতভাবে পাথর উত্তোলন, অপরিকল্পিত উন্নয়ন বিশেষ করে বাঁধ ও রাস্তা নির্মাণ এবং প্যাসিফিকে সৃষ্টি হওয়া লা-নিনার প্রভাব।

নদী গবেষকদের পর্যবেক্ষণ হচ্ছে, এই আকস্মিক বন্যার পেছনে ভারতের আসাম ও মেঘালয়ের অতিবৃষ্টিই একটি বড় কারণ। বিশ্বের সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হয় ভারতের চেরাপুঞ্জি অঞ্চলে। বঙ্গোপসাগর থেকে আসা জলীয়বাষ্প মেঘালয়ের পাহাড়ের সঙ্গে ধাক্কা লেগে উপরে উঠে যায়। সেখানে ভারী হয়ে বৃষ্টি আকারে অঝোর ধারায় পড়তে থাকে। ১৮ জুন বন্যা সতর্কীকরণ কেন্দ্রের রেকর্ড থেকে জানা গেছে, এর আগের ২৪ ঘণ্টায় ৯৭২ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে চেরাপুঞ্জিতে। বুয়েটের বন্যা ব্যবস্থাপনা ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক সাইফুল ইসলামের দেয়া তথ্য অনুযায়ী তিন দিনে চেরাপুঞ্জিতে যে বৃষ্টিপাত হয়েছে তার পরিমাণ ২৪৮৭ মিলিমিটার। বৃষ্টি সেখানে থামেনি, এখনো হয়ে যাচ্ছে। এমন বৃষ্টি ১৯৯৫ সালে একবার হয়েছিল। তিন দিনের পরিমাণ ছিল ২৭৯৮ মিলিমিটার আর ১৯৭৪ সালে হয়েছিল ২৭৬০ মিলিমিটার। আগের চেয়ে বৃষ্টির পরিমাণ এখন বেশি হচ্ছে।

সুনামগঞ্জ বেশি আক্রান্ত হওয়ার কারণ হলো সুনামগঞ্জ জেলার সীমান্ত থেকেই ভারতের মেঘালয়ের চেরাপুঞ্জি এলাকা শুরু। সেখানকার পানিই সরাসরি সুনামগঞ্জকে প্রথম ধাক্কা দেয় অর্থাৎ হাওরে এসে মিশে গিয়ে ভৈরবে মেঘনা দিয়ে সাগরে গিয়ে পড়ে। বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির কারণে আবহাওয়ায় জলবায়ুর যে পরিবর্তন তা বৃষ্টির ধরন বদলে দিয়েছে। ফলে অতিবৃষ্টি বেশি হচ্ছে। প্যাসিফিকে যে লা-নিনো এখন কার্যকর সেটাও অতিবৃষ্টির পেছনে ভ‚মিকা রাখছে। চেরাপুঞ্জির বৃষ্টির পানিটা ৬ থেকে ৮ ঘণ্টার মধ্যেই চলে আসে সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে। ফলে সেটা চার দিকে ছড়িয়ে বন্যার সৃষ্টি করে। চেরাপুঞ্জির বর্তমান বৃষ্টি আরো কয়েক দিন চলতে থাকলে বন্যার ধকল অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে যাবে বলে বুয়েটের বন্যা বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম মনে করেন। শুধু সুনামগঞ্জেই নয়, এই অতিবৃষ্টির কারণে আসামেও বন্যা এবং ভ‚মিধস দেখা দিয়েছে। সেখানে ৩৫ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ১১ লাখ মানুষ পানিবন্দী।

পাহাড়ি ঢলের পানি নদীপথে হাওর থেকে বের হয়ে মেঘনা বা যমুনা দিয়ে সাধারণত বঙ্গোপসাগরে চলে যায়। কিন্তু এবারের বন্যাটা ভয়াবহ হওয়ার কারণ অতিরিক্ত পানি বের হতে পারছে না। নদীর নাব্যতা কমে যাওয়া, নদীর পানি বহনের ক্ষমতা কমে যাওয়া, ভারত অংশে অপরিকল্পিত পাথর উত্তোলন, দীর্ঘদিন ধরে নদীর উল্লেখযোগ্য পয়েন্ট বা বাঁকগুলোতে ড্রেজিং না হওয়া, জলাভ‚মি ভরাট করে ফেলা, হাওরের বিভিন্ন জায়গায় পকেট পকেট সড়ক নির্মাণ, হাওরে পূর্ব-পশ্চিম বরাবর রাস্তা তৈরি এবং ৮০০ কোটি টাকা ব্যয়ে সম্প্রতি নির্মিত ইটনা, মিঠামইন সড়কও বন্যার অন্যতম কারণ। তবে ইটনা-মিঠামইন সড়কটি নির্মাণ হয়েছে উত্তর-দক্ষিণ বরাবর। ফলে পূর্ব-পশ্চিম বরাবর নির্মিত রাস্তার চেয়ে পানিকে বাধার ক্ষেত্রে কিছু কম দায়ী। এবার বন্যার পরিপ্রেক্ষিতে বিশেষজ্ঞদের অনেকের মত হচ্ছে পুরো এলাকাটি জরিপ করে যেসব বাধ ও সড়ক মূল দায়ী, সেগুলো সরিয়ে দেয়া, নদী খনন করা এবং বিশেষ করে কালনী নদীকে উন্নয়ন করলেই দ্রুত বন্যার পানি সরে যেতে পারে।

বাংলাদেশের বন্যা
বাংলাদেশে সংঘটিত বন্য তিন ধরনের। মৌসুমি বন্যা, আকস্মিক বন্যা এবং জোয়ার সৃষ্ট বন্যা। মৌসুমি বন্যা ঋতুগত, নদ-নদীর পানি ধীরে ধীরে ওঠানামা করে এবং বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত করে জানমালের ব্যাপক ক্ষতি করে। পাহাড়ি ঢল বা স্বল্প সময়ে সঙ্ঘটিত অতিবৃষ্টি থেকে কিংবা প্রাকৃতিক অথবা মানব সৃষ্ট বাঁধ ভেঙে যে বন্যা হয় তা আকস্মিক বন্যা। সমুদ্রের জোয়ারের পানি অনুপ্রবেশ করে ভ‚-ভাগের নিষ্কাশন প্রণালীকে আবদ্ধ করে যে বন্যার সৃষ্টি করে তা জোয়ার সৃষ্ট বন্যা। এ বন্যার স্থিতিকাল হয় সংক্ষিপ্ত, উচ্চতা তিন থেকে ৬ মিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে।

বাংলাদেশে বন্যার ইতিহাস এ ভূখণ্ড সৃষ্টির ইতিহাসের সাথে জড়িত। শুরুতেই বলেছি বন্যা বাংলাদেশের নিয়তি। আসলেই তাই। প্রতি শতাব্দীতে এই ব-দ্বীপে প্রায় অর্ধডজন প্রলয়ঙ্করি বন্যা হয়েছে যার ভয়াবহতা ১৯৮৮ সালের মহাপ্লাবনের প্রায় সমান। ১৭৮৭ সালে তিস্তার বন্যার ভয়াবহতার রেকর্ড আছে।

তেমনি ১৯২৬ সালে বগুড়া জেলার বন্যা, ১৮৮৭ থেকে ১৮৩০ সাল পর্যন্ত বগুড়া, পাবনা ও রংপুরের বড় বন্যার কারণেই ব্রহ্মপুত্রের গতিপথ বদলে যায়। আঠারো শতকের প্রথম দিকে গড়াই-মধুমতির বন্যায় কুষ্টিয়া, ফরিদপুর, যশোর এবং খুলনা জেলার মারাত্মক বাঁক পরিবর্তন হয়। ১৯৪৭ সালের পর থেকে এ দেশে ভয়াবহ বন্যা হয়েছে। ১৯৫৪, ১৯৫৫, ১৯৫৬, ১৯৬২, ১৯৬৩, ১৯৬৮, ১৯৭০, ১৯৭১, ১৯৭৪, ১৯৭৬, ১৯৮৭, ১৯৮৮ এবং ১৯৯৮ সালের প্রলয়ঙ্করি বন্যা। ১৯৮৮ সালের মহাপ্লাবনে দেশের ৬০ শতাংশ এলাকা তলিয়ে যায়। রাজধানী ঢাকা নগরীও ১৫ থেকে ২০ দিন ওই বন্যার পানিতে তলিয়ে ছিল। আর ১৯৯৮ সালের বন্যাটিও সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী বন্যা হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে।

বন্যা ব্যবস্থাপনায় বৈজ্ঞানিক কৌশল
বন্যা বা কোনো একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ দেখা দিলে আমরা ওই সময়ই সেটি নিয়ে হইচই করি। কিন্তু দুর্যোগটা চলে গেলে সব চিন্তা মাথায় থেকে সরিয়ে দেই। ফলে কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না। বাংলাদেশ বন্যা হয় এবং সবসময় হবে এটা অবধারিত। বন্যা বাংলাদেশের জন্য সুফলও বয়ে আনে। নতুন পলিতে জমির উর্বরা শক্তি বৃদ্ধি পায়। কিন্তু বন্যা যাতে নিয়ন্ত্রিতভাবে হতে পারে তার উপায় তো করা উচিত। আমাদের দেশে বন্য ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে অভিজ্ঞ বিশেষজ্ঞরা রয়েছেন। তাদের দিয়ে একটি প্যানেল তৈরি করে কার্যকর বন্যা ব্যবস্থাপনা কৌশল তৈরি হওয়া কোনো কঠিন কাজ নয়। এটা করতে পারলে বৈজ্ঞানিক পন্থার বন্যা ব্যবস্থাপনা হবে যা দেশের জন্য মঙ্গলই বয়ে আনবে।

বরাক নদ দিয়ে আসাম থেকে আসা পানি সিলেটের সুরমা ও কুশিয়ারায় প্রবেশ করে। আর হিমালয় থেকে সৃষ্টি হওয়া ব্রহ্মপুত্রের পানি কুড়িগ্রাম দিয়ে দেশের উত্তরাঞ্চলে বন্যার সৃষ্টি করে। সিলেট ও সুনামগঞ্জের বন্যার জন্য দায়ী বরাকের পানি। আসামের উঁচু পাহাড় থেকে ঢল আকারে নেমে আসা পানি সিলেটের নদীগুলো দিয়ে আসে। সে কারণে ওই পানির স্রোত অনেক তীব্র হয়। তবে ওই পানি দ্রুত মেঘনা নদী হয়ে সাগরে চলে যায়। দেশের অন্যান্য অঞ্চল থেকে সিলেট উঁচুতে হওয়ায় পানি বেশি দিন স্থায়ী হয় না। আর মেঘালয়ের চেরাপুঞ্জিতে যে বৃষ্টি হয় তা দু’তিন দিন হয়। এবারই দেখা গেছে টানা সপ্তাহ ধরে বৃষ্টি হচ্ছে এবং বৃষ্টি থামছে না। বৃষ্টির বিরতি থাকলে বন্যার ভয়াবহতা এতটা হতো না। ব্রহ্মপুত্র অববাহিকায় অপেক্ষাকৃত সমতল হওয়ায় সেখানকার পানি ধীরে ধীরে কুড়িগ্রাম দিয়ে গাইবান্ধা বগুড়া হয়ে সিরাজগঞ্জে চলে আসে- যমুনা ও পদ্মা হয়ে বঙ্গোপসাগরে যায়। বন্যার এই আচরণ পর্যালোচনা করে প্রতিবন্ধকতাগুলো দূর করে বৈজ্ঞানিকভাবে আমরা যদি বন্যা ব্যবস্থাপনায় মন দেই, তাহলে বন্যা নিয়ন্ত্রণ করা যাবে বন্যার সঙ্গে বসবাস করেই।

আর্তমানবতার সেবায় এগিয়ে আসুন
মানুষ মানুষের জন্য। জীবন জীবনের জন্য। অতীতে বহু বড় বড় দুর্যোগ আঘাত হেনেছে বাংলাদেশে। বন্যা হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়, টর্নেডো, খরা হয়েছে। আরো হয়েছে নদীভাঙন, ভূমিধস। সব দুর্যোগই আমরা মোকাবেলা করে বেঁচে আছি। চলমান বন্যা দুর্যোগও আমাদের কাটিয়ে উঠতে হবে। অতীতে যেমন আর্তমানবতার সেবায় যায় যতুটুকু সম্বল তা নিয়ে মানুষ ঝাঁপিয়ে পড়েছে, এবারও ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে। সিলেট সুনামগঞ্জ এবং উত্তরাঞ্চলজুড়ে দুর্গত মানুষের হাহাকার ও কান্নার ছবি প্রতিদিন আমরা দেখছি। বিপর্যস্ত ও ভয়াবহ সঙ্কটে থাকা এসব মানুষকে বাঁচাতে হবে। এই দুর্যোগে ত্রাণ নিয়ে, আর্থিক সহযোগিতা নিয়ে তাদের পাশে দাঁড়াতে হবে। সরকারকে এখন সবকিছুর ঊর্ধ্বে বিপন্ন মানবতা রক্ষায় মনোনিবেশ করতে হবে। পদ্মা সেতু কিছু দিন পরে উদ্বোধন করলে কোনো ক্ষতি হবে না। বন্যার্তদের বাঁচানোই হোক অগ্রাধিকার।

লেখক : সিনিয়র সাংবাদিক, সাবেক সাধারণ সম্পাদক, জাতীয় প্রেসক্লাব


আরো সংবাদ


premium cement