১৬ মে ২০২২
`

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক লাগাম


শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট গোতাবায়ে রাজাপাকসের পদত্যাগ চাইছে বিক্ষুব্ধ জনগণ। এর আগে মাহিন্দা সরকারের পদত্যাগ চেয়ে বিক্ষোভ করেছিল তারা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ায় মাহিন্দা পদত্যাগ করেন। তারপরও জনতার রোষ কমেনি। তারা প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের প্রধান ফটক ভেঙে ভেতরে ঢুকে পড়ে। বলতে গেলে মাহিন্দা, তিনি আটকে পড়েন। এই অবস্থা থেকে তাকে উদ্ধার করে সেনাবাহিনী। তাকে পরিবার-পরিজনসহ ত্রিঙ্কোমালির একটি নৌঘাঁটিতে আশ্রয় দেয়া হয়।

ক্ষমতায় থাকার সময় তার যে রূপ লঙ্কান জনগণ দেখেছে, ক্ষমতার বাইরে যাওয়ার পর তার কি মনের অবস্থা তা একবার ভেবে দেখা উচিত। এখন তিনি লুকিয়ে আছেন যেন বিক্ষুব্ধ জনগণ তাকে খুঁজে না পায়। অথচ ওই জনগণই তাকে ভোটে বিজয়ী করে ক্ষমতায় পাঠিয়েছিল। জনগণের ভোটে বিজয়ী একজন রাজনৈতিক নেতার এই রকম দুরবস্থার পেছনের কাহিনী আমরা সবাই কমবেশি জানি। দুর্বল সরকার, অযোগ্য মন্ত্রী ও অর্থনৈতিক দুরবস্থার কারণে একটি শিক্ষিত জাতির দেশ শ্রীলঙ্কার সামগ্রিক অবস্থা অত্যন্ত নাজুক। এর জন্য অবশ্যই মাহিন্দা সরকারের দায়। বিশেষ করে যেসব উচ্চাভিলাষী মেগাপ্রকল্প নিয়ে এই দুর্দশা, তার লাগাম টেনে না ধরে সরকার বুঝতেই পারেনি যে, তারা খাদের কিনারে এসে পৌঁছে গেছে। কিন্তু তারা এতটাই আত্মম্ভরিতায় মগ্ন ছিলেন যে, জনরোষের কথামালা ও উত্তাল তরঙ্গের মতো জনরোষ শুনতে পাননি।

এখন প্রেসিডেন্ট গোতাবায়াও সেই রোষ শুনতে পাচ্ছেন না। পেলে তিনি অতি দ্রুত পদত্যাগ করে নিজেকেই কেবল রক্ষা করতে পারবেন তা নয়, গোটা রাজাপাকসে পরিবারের সামগ্রিক ক্ষতিও অনেকটা সামাল দিতে পারবেন। কিন্তু জরুরি অবস্থা জারি করে সামরিক বাহিনীর ওপর নির্দেশ দেয়া হয়েছে গুলি চালাতে। কিন্তু সেনাপ্রধান বলেছেন, জনগণের ওপর গুলি চালাতে পারেন না তিনি।

ন্যায় ও অন্যায় নয়, একজন প্রেসিডেন্টের স্বার্থরক্ষার জন্য বিক্ষুব্ধ জনগণের ওপর সামরিকবাহিনী গুলি চালাতে পারে না। সেটা ভালো কোনো ফল দেবে না। আবার এটাও তারা বুঝেছেন যে, তারা তো জনগণেরই সম্পদ। তাদেরই দেশ রক্ষার জন্য নিয়োজিত। তাদের টাকায়ই সেনাবাহিনী পালিত-প্রতিপালিত। সেই সেনাবাহিনী কেন জনগণের ওপর গুলি চালাবে? শ্রীলঙ্কার সেনাপ্রধান যথেষ্ট বিবেকবান। এই রকম একটি ঘটনা আমরা দেখেছি বাংলাদেশে, নব্বই দশকের শুরুতে, এরশাদের পতনের ঠিক প্রাক-মুহূর্তে। এরশাদ নিজের স্বার্থ হাসিলের জন্য ঢাকার বিক্ষুব্ধ, আন্দোলনরত জনগণকে থামাতে তৎকালীন সেনাপ্রধান জেনারেল নূরউদ্দীনকে নির্দেশ দেন। নূরউদ্দীন সেই নির্দেশ পালন করেননি। বলেছিলেন, তিনি জনগণের ওপর গুলি চালানোর অর্ডার দেবেন না। ফলে হতাশ হয়ে এরশাদ পদত্যাগের কথা জানান।

প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া চেষ্টা চালাচ্ছেন নতুন প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ দিয়ে পরিস্থিতি সামাল দিতে। কিন্তু তিনি ভুলে যাচ্ছেন যে, সরকারের হাতে প্রয়োজনীয় পণ্য আমদানির মতো বৈদেশিক মুদ্রাও নেই। নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন রনিল বিক্রমাসিংহে। এখন সরকারপ্রধান হিসেবে তিনি কী পদক্ষেপ নেবেন, তা দেখার জন্য আমরাও অপেক্ষায় থাকলাম।

তবে প্রেসিডেন্ট গোতাবায়ার পদত্যাগ ছাড়া এই রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সঙ্কট সমাধানের পথ খুঁজে পাওয়া কঠিন হবে।

২.
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বাংলাদেশের অবস্থা শ্রীলঙ্কার মতো হবে মন্তব্য করায় নাখোশ হয়েছেন ক্ষমতাসীন দলের নেতারা। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেছেন, এটা মির্জা ফখরুলের দিবাস্বপ্ন। সাংবাদিকদের সাথে কথা বলার সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আপনারা তো সারা দিন দেশের বিভিন্ন জায়গার সংবাদ সংগ্রহ করে বেড়ান, দেশে কি শ্রীলঙ্কার মতো কোনো পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে?

সাংবাদিকদের সংবাদ সংগ্রহের সাথে দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতির সম্পর্ক বোঝা কঠিন। তবে উপাত্ত দেখেও দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি অনুমান করা সম্ভব। একটি উদাহরণ দিলেই তা পরিষ্কার হবে। সবজির কথাই বলা যাক। উৎপাদকের কাছে থেকে যে দামে পাইকাররা সবজি কেনে, পথে রাজনৈতিক চাঁদাবাজ, পুলিশ এবং ট্রাক ভাড়া ইত্যাদির পর ঢাকায় সবজির দাম আকাশছোঁয়া। উৎপাদক পণ্যের মূল্য পান না, মধ্যস্বত্বভোগী চাঁদাবাজরা তা খেয়ে ফেলে। এভাবে ১৫ বছর, ৩০ বছর বা গত ৫০ বছরে উৎপাদক কৃষক প্রতিদিনই নিঃস্ব থেকে নিঃস্বতর হয়েছেন। দেশে ধানের উৎপাদন বেড়েছে, কোনো কোনো বছর বাম্পার ফলন হয়েছে, কিন্তু সেই বাম্পার ফলনের সুফল খেয়ে ফেলেছে মধ্যস্বত্বভোগী ফড়িয়া-দালাল-মহাজন ও রাজনৈতিক টাউটরা। এই ফড়িয়া শ্রেণীর বিত্ত এতটাই বেড়েছে যে, তাদের একটি অংশ ঢাকায় এসেছে স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য। ফলে ঢাকা মহানগর কেবল ওভার ক্রাউডেড হয়ে পড়েনি, তাদের অপরিমিত টাকায় নেমেছে লাখ লাখ নানা ধরনের গাড়ি। রাজধানীতে যানজটের অন্যতম প্রধান কারণও এটি। ঢাকার আকার বাড়ছে। আমরা হারাচ্ছি আমাদের কৃষি জমি, বসবাসের পরিবেশ, নিঃশ্বাস নেয়ার বায়ু চরমভাবে দূষিত। এ সবের কোনো রেমিডি নেই।

মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কি বলতে পারবেন, অর্থমন্ত্রী কেন সরকারি কর্মকর্তাদের বিদেশ ভ্রমণ সীমিত বা বন্ধ রাখার পরামর্শ দিয়েছেন? কেন আমদানি সীমিত করেছেন, প্রসাধনী সামগ্রী আমদানি প্রায় বন্ধ করেছেন? কম গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের বাস্তবায়ন বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন! প্রথম আলোতে প্রকাশিত রিপোর্ট বলছে, টাকার মূল্যমান কমছে, ডলারের দাম বেড়েই চলেছে, রিজার্ভে টান পড়ার জোগাড়, বাড়বে আমদানি ব্যয়, বাড়বে মুদ্রাস্ফীতি, জীবনযাত্রার ব্যয় আরো বাড়বে। যে পরিমাণ রেমিট্যান্স আসছে তা দিয়ে আমদানি ব্যয়ের জোগান দেয়া সম্ভব নয়। রফতানি বাড়লেও সেই অর্থ পুরোপুরি আসে না দেশে। বৈদেশিক ঋণের সুদাসল ফেরত দিলে রিজার্ভ তলানিতে চলে যেতে পারে।

রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের প্রতি কোনো রকম মন্তব্য করার আগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর উচিত এসব দিক মাথায় নেয়া। এটি সরকারের ভালোর জন্যই বলা। আমরা চাই না দেশটা রাজনৈতিকভাবে দেউলিয়া হোক। শ্রীলঙ্কায় পরিবারতন্ত্র জেঁকে বসেছিল। আর বাংলাদেশে রাজনৈতিক দলই গোষ্ঠীতন্ত্রের শাসন কায়েম করেছে। ক্যাসিনো সম্র্রাট সব মামলায়ই জামিন পেয়েছেন। এমন কি মানি লন্ডারিং মামলাও তাকে আটকাতে পারেনি। তার মানে আদালত কনভিন্সড যে, মানি লন্ডারিংয়ে, ক্যাসিনো অপরাধে তিনি জড়িত ছিলেন না। যদি তাই হয়, তাহলে র‌্যাব তাকে আটক করে রেখেছিল কেন? বিনা কারণে যদি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারীরা কোনো নির্দোষ রাজনৈতিক নেতাকে আটক করে জেলে রাখতে পারে তাহলে ওই অপরাধের জন্য র‌্যাবের সংশ্লিষ্টরাও দোষী সাব্যস্ত হবে, এতে সন্দেহ নেই। তারা কেন পরখ বা যাচাই না করে একজন সম্মানিত রাজনীতিককে আটকালো এবং তার গায়ে কালিমা লেপে দিলো? এর দায় তো তাদের নিতে হবে। ঠিক একইভাবে পুলিশের ব্যাপারেও সরকারকে সজাগ-সচেতন থাকতে হবে। কেননা, বিনা কারণে অথবা টুপাইস হাতানোর কৌশল হিসেবেও তারা অনেককে পাকড়াও করে, পকেটে ইয়াবা ঢুকিয়ে দেয় এবং শেষে টাকার বিনিময়ে তাদের ছেড়ে দেয়। ওই সব পুলিশের বিরুদ্ধ কোনো রকম আইনি ব্যবস্থা প্রায়ই নেয়া হয় না। লোক দেখানো কিছু বিচার হয়তো করা হয়।

পুলিশ-র‌্যাব বা সরকারের সব অপকর্মের দায় মূলত গিয়ে পড়ে সরকারের কাঁধে। এভাবেই অতিক্ষুদ্র থেকে বৃহৎ সমস্যার দায় সরকারের ওপর পড়ে জনগণ নাখোশ হয়ে ওঠে। তেল, সয়াবিন নিয়ে যে রাজনৈতিক তেলেসমাতি করলেন বাণিজ্যমন্ত্রী বা বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, ভোক্তার পকেট কিন্তু ঠিকই কেটে নিয়ে গেছে তেল কোম্পানিগুলো। বাজারের দোকানদারদের মজুদ দেখিয়ে বাহবা পাওয়া সহজ, কিন্তু উৎপাদকের কারসাজিতে যে তেলের বাজারে আগুন লেগেছে, আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যবৃদ্ধির কারণ দেখিয়ে যে পরিমাণ মূল্য বাড়ানো হয়েছে, তার কি কোনো ইতিবাচক পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার?

এসবই মূলত দেশের মানুষকে সংক্ষুব্ধ করেছে। আমদানি ব্যয়ের প্রবৃদ্ধি ৪৬.৬৮ শতাংশ। বাণিজ্য ঘাটতি বেড়েছে দুই হাজার ২৩০ কোটি ডলার। চলতি হিসাবে রেকর্ড ঘাটতি এক হাজার ৪০৭ কোটি ডলার। প্রবাসী আয় ঋণাত্মক (-) ১৬.০২ শতাংশ। এই তথ্যচিত্র আমাদের কী বলছে? বলছে কি যে অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ভালো? আমাদের প্রবাসী গরিব শ্রমিকরা মাথার ঘাম পায়ে ফেলে আয় করবেন, দেশে পাঠাবেন, আর আমরা মধ্যম আয়ের দেশের স্বপ্নে বিভোর হয়ে থাকব? না, তা হবে কেন? সরকার নিশ্চয় এর প্রতিবিধানে নতুন পদক্ষেপ নেবে।

রাজনীতিক ও অর্থনীতিবিদ ড. রেজা কিবরিয়া বহু বছর শ্রীলঙ্কায় কাজ করেছেন। ক্ষমতাসীন রাজাপাকসের সরকারের অনেকেই তার বন্ধু মানুষ। তিনি পাঁচ বছর আগে সে দেশের কিছু তথ্য-উপাত্ত বিচার করে তাদের জানিয়েছিলেন যে, তারা মারাত্মক অর্থনৈতিক সঙ্কটের মধ্যে পড়তে যাচ্ছেন। তারা হেসে উড়িয়ে দিয়েছিলেন ড. রেজার বিচার-বিশ্লেষণ। (দেখুন, ইউটিউবে ড. রেজার বক্তব্য) উপাত্ত দেখেই বলা যায়, সামনের দিনগুলোতে সঙ্কট আসবে কি আসবে না। বাংলাদেশে লাগামহীনভাবে বৈদেশিক মুদ্রার ব্যয় দেখে আমাদেরও শঙ্কা জাগছে।
বিশ্ব ব্যাংকের ঢাকা অফিসের সাবেক প্রধান, অর্থনীতিবিদ জাহিদ হোসেন বলেছেন, ‘বর্তমানে অর্থনীতিতে বহির্বাণিজ্যে ঘাটতি ও উচ্চ মূল্যস্ফীতি নতুন চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে। এই ঘাটতির কারণ আন্তর্জাতিক বাজারে তেল, সার, শিল্পপণ্য ও যন্ত্রপাতি, ভোজ্যতেল, নির্মাণসামগ্রীসহ বিভিন্ন পণ্যের দাম ব্যাপকভাবে বেড়েছে। আবার পণ্য আমদানিতে জাহাজ, বিমান ভাড়াসহ সার্বিক পরিবহন খরচও বেড়েছে। এতে সার্বিকভাবে আমদানি খরচ বেড়েছে, যা ডলারে পরিশোধ করতে হয়। অন্য দিকে ডলার আহরণের অন্যতম বড় উৎস প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স কমে গেছে। ফলে রফতানি ভালো হওয়া সত্তে¡ও সার্বিকভাবে ঘাটতি বেড়েছে।

জাহিদ হোসেন আরো বলেন, সার্বিকভাবে বৈদেশিক মুদ্রার চাহিদা বেড়েছে, কিন্তু জোগান কম। ফলে মুদ্রাবাজারে বিশেষ করে খোলাবাজারে বিনিময় হারের ওপর চাপ পড়ছে। বাংলাদেশ ব্যাংক ডলার বিক্রি করে পরিস্থিতি সামাল দিচ্ছে। এতে ধীরে ধীরে রিজার্ভ ফুরিয়ে যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্য ও সেবার মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় ডলারের জোগান দিতে গিয়ে মাত্র পাঁচ মাসের আমদানি বিল পরিশোধের মতো রিজার্ভ আছে। পর্যাপ্ত রিজার্ভ না থাকলে বাজার আরো অস্থির হয়ে উঠবে। এমন পরিস্থিতিতে এক ধরনের উভয়সঙ্কটে পড়েছে সরকার। হুকুম দিয়ে নয়, বাজারের চাহিদা অনুযায়ী মুদ্রা বিনিময় হার সমন্বয় করা হলে ডলারের দাম কিছুটা বাড়বে, যাতে বিলাসপণ্য ও কম প্রয়োজনীয় পণ্য নিরুৎসাহিত হবে। আবার ডলারের দাম বাড়ালে মূল্যস্ফীতিও বাড়তে পারে। তাই কিছুটা ঝুঁকি নিয়ে হলেও তা করা উচিত। কারণ ছয়-সাত শতাংশ মূল্যস্ফীতির চাপ গরিব ও সীমিত আয়ের মানুষের ওপর পড়বে। সরকার তাদের জন্য নগদ সহায়তা প্রদানসহ সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিগুলোর ভাতা বাড়াতে পারে। (প্রথম আলো, ৫ ডিসেম্বর ২০২২)
অর্থমন্ত্রী আমদানির ক্ষেত্রে লাগাম টানা, বিদেশ ভ্রমণ সীমিতকরণসহ যেসব কথা বলেছেন, তা যদি আমরা বিশ্বাস করি এবং জাহিদ হোসেন যে আশঙ্কার কথা বলেছেন যে- মাত্র পাঁচ মাসের আমদানি করার মতো বৈদেশিক মুদ্রা বাংলাদেশ ব্যাংকের হাতে আছে, প্রবাসী আয় ঋণাত্মক... গোটা অর্থনৈতিক পরিস্থিতিই তো বলে দিচ্ছে যে, আমরা একটি অর্থনৈতিক শূন্যতার মধ্যে পড়তে যাচ্ছি। যদি সরকার লাগাম টেনে ধরতে না পারে, শ্রীলঙ্কা যেমন ধরতে পারেনি, পরিণতি কোথায় গিয়ে ঠেকবে, কে বলতে পারে?


আরো সংবাদ


premium cement
সুইডেন ও ফিনল্যান্ডকে ন্যাটোতে দেখতে চায় না তুরস্ক প্রেমের বিয়ের ৮ বছর পর স্ত্রীকে হত্যা, স্বামী গ্রেফতার হজযাত্রীদের পাসপোর্ট সংক্রান্ত জরুরি নির্দেশনা বারোমাসিয়া নদীতে ডুবে শিশুর মৃত্যু বরিশালে কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা বিএসএফে’র গুলিতে বাংলাদেশী আহত ৪০ বছর কারাগারে আটক ছেলের অপেক্ষায় থাকা ফিলিস্তিনি মায়ের করুণ মৃত্যু আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্তাদেরও বিদেশ ভ্রমণ বন্ধ নির্মাণাধীন ভবনের ছাদ থেকে পড়ে শ্রমিক নিহত উল্টাপাল্টা না করে অন্তবর্তীকালীন সরকারের অধীনে নির্বাচন দিন : ডা: জাফরুল্লাহ এবার আধা ঘণ্টার মধ্যেই বৃষ্টির পানি নিষ্কাষিত হবে : মেয়র তাপস

সকল