০৫ ডিসেম্বর ২০২১, ২০ অগ্রহায়ন ১৪২৮, ২৯ রবিউস সানি ১৪৪৩ হিজরি
`

অমুসলিম মনীষীদের দৃষ্টিতে বিশ্বনবী সা:-(২)

অমুসলিম মনীষীদের দৃষ্টিতে বিশ্বনবী সা:-(২) - ছবি : সংগৃহীত

বারবারই প্রমাণিত হয়েছে যে, বাংলাদেশের মাটি ও মানুষ চাপিয়ে দেয়া কথিত সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে। কোনো ঘটনা ঘটলেই কলকাতামনষ্ক নেতা ও বুদ্ধিজীবীরা মুসলিম সমাজের দিকে আঙ্গুল তুলে কথা বলেন। এমনকি ইসলাম ধর্মকে রাষ্ট্রীয় ধর্ম হিসেবে সংবিধানে মূল্যায়ন করার বিষয়টি নিয়েও কটাক্ষ করে এক প্রতিমন্ত্রী বক্তব্য রেখেছেন। অথচ সংবিধানের ২(ক) অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে যে, ‘প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম, তবে হিন্দু-বৌদ্ধ-খিষ্টানসহ অন্যান্য ধর্ম পালনে রাষ্ট্র সমমর্যাদা ও সমঅধিকার নিশ্চিত করিবেন।’ সংবিধান কোনো ধর্মের উপরে বা নিচে কোনো ধর্মের স্থান দেয়নি বরং সব ধর্মকে সমমর্যাদা দিয়েছে।

সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১২(ক) মোতাবেক, সকল প্রকার সাম্প্রদায়িকতা বাংলাদেশে সাংবিধানিকভাবে নিষিদ্ধ রয়েছে। পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্র ভারত কর্তৃক ১৯৫০ সালে রচিত সংবিধান মোতাবেক ভারত অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র হলেও পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা হয়েছে সেখানেই। এখনো গরু হত্যার অভিযোগে পিটিয়ে মুসলমানদের হত্যা করা হয়। ভারত থেকে মুসলমানদের বিদায় করার লক্ষ্যেই এনআরসি বা জাতীয় নাগরিকত্ব নিবন্ধন আইন পাস করা হয়েছে। ভারতে মুসলমানরা নির্যাতিত। আনুপাতিক হারে মুসলমান সন্তানদের চাকরি দেয়া হয় না। মুসলমান যারা চাকরিতে রয়েছে তাদের প্রমোশন ও সুবিধাজনক পোস্টিং হয় না। বাংলাদেশে পরিস্থিতি তার উল্টো। ধর্ম বা বর্ণ-বৈষম্য বাংলাদেশে নেই, যদিও রাজনৈতিক বৈষম্য রয়েছে অনেক। এখানে বিরোধী দলকে সরকারি দলের শক্র মনে করে যতটুকু নিপীড়ন করা হয় সাধারণত, সরকার তার চেয়ে বেশি করছে।

বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক উসকানি সৃষ্টিতে ভারতের প্রভাব রয়েছে। বাবরি মসজিদ ভাঙার ঘটনায় একবার বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক উসকানি চরমভাবে দেখা দেয়।

পরবর্তীকালেও ভারতে অনেক সাম্প্রদায়িক ঘটনা ঘটেছে যার প্রভাব বাংলাদেশে পড়ে। ভারতে হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে অনেক ব্যক্তিত্ব রয়েছেন যারা উগ্রপন্থী কথাবার্তা বলেন। সম্ভবত এ কারণেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সতর্ক করে বলেন যে, ‘বাংলাদেশে হিন্দুদের নিরাপত্তা নিয়ে ভারতকেও সচেতন হতে হবে। তিনি বলেন, সেখানেও (ভারত) এমন কিছু যেন না করা হয় যার প্রভাব আমাদের দেশে পড়ে আর আমাদের হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর আঘাত আসে।’

বাংলাদেশের সাবেক পররাষ্ট্রসচিব তৌহিদ হোসেন বিবিসি বাংলাকে বলেছেন, ‘বাংলাদেশ সরকারের উঁচু পর্যায় থেকে প্রকাশ্যে ভারতের অভ্যন্তরীণ স্পর্শকাতর কোনো বিষয় নিয়ে আপত্তি-অস্বস্তির কথা বলার নজির বিরল। সাধারণত এতটা স্পষ্ট বার্তা আমরা ভারতকে দেই না যদিও তারা অনেক কথা বলে। এমনকি ভারতের ক্ষমতাসীন দল বিজেপির অত্যন্ত ক্ষমতাধর একজন ব্যক্তি নোংরা ভাষায় বাংলাদেশকে অপমানও করেছেন। ২০১৯ সালে লোকসভা নির্বাচনে আগে ভারতের বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বাংলাদেশী অবৈধ অভিবাসীর প্রসঙ্গ টেনে তাদের ‘উইপোকা’র সাথে তুলনা করেছিলেন, যা নিয়ে তখন বাংলাদেশে জনমনে চরম ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছিল। কিন্তু সরকারের কাছ থেকে অন্তত প্রকাশ্যে তা নিয়ে ভারতের কাছে কোনো প্রতিবাদ করা হয়নি।’ (জাতীয় পত্রিকা, ১৯ অক্টোবর ২০২১)। বাংলাদেশের ৯২ শতাংশ নাগরিক মুসলিম এবং ইসলাম ধর্মের প্রবক্তা হজরত মুহাম্মদ সা: নিজেও মানবদরদি ও মানবতার মুক্তির দূত হিসেবে পৃথিবীতে আবির্ভূত হয়েছিলেন এবং তার সেই শাশ্বত বাণী এখনো চির অম্লান হয়ে আছে যা এখনো কোনো গবেষক বা বৈজ্ঞানিক খণ্ডাতে পারেননি। তাঁর জীবনীতে সাম্প্রদায়িকতার কোনো গন্ধ খুঁজে পাওয়া যায় না। হজরত মুহাম্মদ সা:কে অমুসলিম বিভিন্ন মনীষী অত্যন্ত ভক্তি ও শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করে মূল্যায়ন করেছেন যা অত্যন্ত উচ্চ মূল্যায়ন বটে, পৃথিবীর অন্য কোনো ব্যক্তি সম্পর্কে আজ পর্যন্ত যা করা হয়নি। এখানে তার কিছু তথ্য তুলে ধরা হলো-

জল মিলিয়া : ফরাসি বিজ্ঞানী জন মিলিয়া বলেছেন ‘কুরআন মজিদ সম্বন্ধে কিছু ফরাসি পণ্ডিত ও দার্শনিক যেসব ভ্রান্ত আপত্তি তুলেছিলেন তা খণ্ডন করা জরুরি। কোনো অপপ্রচারের প্রতি মোটেও ভ্রুক্ষেপ করা সমীচীন নয়। বরং কুরআন মাজিদ অত্যন্ত আগ্রহের সাথে পাঠ করা উচিত। কুরআন মাজিদে গোঁড়ামির শিক্ষা একদম নেই। ইসলামের বিরুদ্ধে যদি কেউ স্বজনপ্রীতি বা গোঁড়ামির অভিযোগ করে সে মিথ্যা এবং ভুল দাবি করেছে। কারণ কুরআন আসমানি কিতাব এবং ইসলাম ধর্ম দয়া, করুণা ও ভালোবাসার ধর্ম; মাহাত্ম্য ও অভিজাত্যের ধর্ম। ইসলাম অন্যান্য সব ধর্মের চেয়ে বেশি স্বচ্ছ ও সহজ। মুহাম্মদ সা:-এর প্রতি আল্লাহ শান্তি বর্ষণ করুন, তিনিই এমন পবিত্র ধর্ম ও জীবনব্যবস্থা বিশ্ববাসীর কাছে পেশ করেছেন।’

লিবান : প্রসিদ্ধ ফরাসি চিন্তাবিদ লিবান বলেছেন, ‘বুনিয়াদিভাবে ইসলাম একতার ওপর প্রতিষ্ঠিত, কারণ ইসলামের ভিত্তি হলো একটি গ্রন্থ, আল-কুরআনে। এ গ্রন্থ (কুরআন) ধর্মীয় সামাজিক অনুশাসন, আইন বা সংবিধান। এ সংবিধান পূর্ণ দেড় হাজার বছর ধরে চালু আছে। সুদীর্ঘ দেড় হাজার বছর ধরে ইসলামের সহজ-সরল বিধানাবলি এবং এর স্বচ্ছতা ইসলাম অনুসারীদের মধ্যে বিরাট শক্তি সঞ্চার করে আসছে। ইসলামের দাবি হলো- কেবল এক আল্লাহকে স্বীকার করে হজরত মুহাম্মদ সা:কে তাঁর সত্য নবী বলে মেনে নেয়া।’

ক্লড করিয়ার : বিংশ শতাব্দীর প্রসিদ্ধ অমুসলিম পণ্ডিত ক্লড করিয়ার লিখেছেন, ‘কুরআন মাজিদের আয়াতগুলো সৌন্দর্যমণ্ডিত। এ গ্রন্থ পাঠ করলে সৌন্দর্য আরো বৃদ্ধি পায়। কুরআন মাজিদে এ বিস্ময়কর সূক্ষ্মতা এবং পবিত্রতার সুগন্ধি ঢেউ খেলছে। কুরআন মাজিদের আয়াতের মধ্যে বীরত্ব, সততা, আমানতদারি ও অসহায় দুর্বলদের সহায়তা দেয়ার আদেশ করা হয়েছে। কুরআনের আয়াতগুলো লা-শরিক এক আল্লাহর ইবাদত করার আদেশ দেয়। আর এসব কিছু নবী মুহাম্মদ সা:-এর সততার বিরাট দলিল।’

এ সি বুকেট : পাশ্চাত্য মনীষী এ সি বুকেট তার ‘কম্পারেটিভ রিলিজিয়ন’ গ্রন্থে বলেছেন, ‘মুহাম্মদের রাজনৈতিক ও সামাজিক আদর্শ ছিল বিলীয়মান বাইজান্টাইন সাম্রাজ্য থেকে অনেক বেশি পরিচ্ছন্ন, ব্যাপক, প্রাণ-প্রদীপ্ত ও উদ্যমশীল। অলৌকিকতা প্রদর্শনের সব দাবিকে তিনি প্রত্যাখ্যান করে চলতেন। তিনি সরল ও অনাড়ম্বর জীবনযাপন করতেন; কিন্তু তাই বলে সন্ন্যাসব্রত তাঁর ছিল না।’

ডি জি হোগার্থ : ডি জি হোগার্থ গত শতকের প্রখ্যাত ও শীর্ষস্থানীয় ব্রিটিশ প্রত্নতত্ত্ববিদ এবং যুক্তিবাদী অধ্যাপক। ‘হিস্টরি অব অ্যারাবিয়া’ গ্রন্থে তিনি বলেছেন, ‘মুহাম্মদের দৈনন্দিন আচার-ব্যবহারের গুরুত্বপূর্ণ কিংবা তুচ্ছ সব কিছুই একটি অনুসরণীয় নীতিতে পরিণত হয়েছে যা আজো কোটি কোটি মানুষ পরিপূর্ণ নিষ্ঠার সাথে মেনে চলছে। একমাত্র তিনি ছাড়া মানবজাতির কোনো অংশ নির্ভুল মানুষ হিসেবে আর কাউকেই এমনি নিখুঁতভাবে অনুসরণ করে চলে না।’

সি ডব্লিউ সি উম্যান : ইতিহাসবিদ সি ডব্লিউ সি উম্যান ‘বাইজানটাইন এম্পায়ার’ গ্রন্থে বলেছেন, ‘ইতিহাসে প্রথম ও শেষবারের মতো আরব ভূমিতে জগৎ সম্মোহনকারী এমন এক আত্মার (মুহাম্মদ) আবির্ভাব ঘটেছিল, তিনি তদানীন্তন বিধিব্যবস্থাকে নতুন খাতে প্রবাহিত করতে সমর্থ হয়েছিলেন এবং পরিবর্তন এনেছিলেন গোটা মহাদেশীয় জীবনে।’

বিশপ বয়ড কার্পেন্টার : বিশপ বয়ড কার্পেন্টার বলেছেন, ‘ভয় ও অজ্ঞানতার কুয়াশার মধ্য দিয়ে অনেকেই মুহাম্মদকে অবলোকন করেছেন। তাদের কাছে তিনি এমন ভয়ঙ্কর বস্তু যার সম্পর্কে যেকোনো মন্দ কথাই উচ্চারণ করা যায়। কিন্তু এখন সে সন্দেহের মেঘ দূরীভূত হয়েছে। ইসলামের মহান প্রবর্তককে এখন আমরা পরিষ্কার আলোকে অবলোকন করতে পারছি।’

জি এম ব্রডওয়েল : জি এম ব্রডওয়েল বলেছেন, ‘বিশ্বস্তসূত্রে প্রমাণিত যে, মুহাম্মদের যাবতীয় কাজ এ মহৎ প্রেরণায় এমন অনুপ্রাণিত হতো যেন মানবজাতি অজ্ঞতা, মূর্খতা ও পৌত্তলিকতার অভিশাপ থেকে মুক্তি পায়। তাঁর আপ্রাণ চেষ্টা ছিল নিগূঢ় সত্য তথা আল্লাহর নির্ভেজাল একত্বের বহুল প্রচার।’

এ পি স্কট : রাষ্ট্রনায়ক নবী সা: সম্পর্কে ঐতিহাসিক এ পি স্কট তার ‘মনুমেন্টাল হিস্ট্রি অব দ্য মুরিশ এমপায়ার ইন ইউরোপ’ গ্রন্থে লিখেছেন, ‘রাষ্ট্রীয় ব্যাপারে অত্যন্ত জটিল সমস্যা সমাধানের অপূর্ব ক্ষমতা ছিল তাঁর। তাঁর মতো রাজনৈতিক প্রজ্ঞাসম্পন্ন ব্যক্তি ইতিহাসে বিরল। তাই ইতিহাস অতি গর্বের সাথে তাঁকে জাতি গঠনের সুনিপুণ শিল্পী উপাধি দিয়েছে।

আর বেল : আর বেল তার বিখ্যাত গ্রন্থ ‘দ্য অরিজিন অব ইসলাম ইন দ্য ক্রিশ্চিয়ান এনভায়রনম্যান্ট’ (১৯৬২) এ বলেছেন, ‘মুহাম্মদ সা: জীবনে কোনো দিন দাবি করেননি যে, তিনি অলৌকিকতা দেখাতে সক্ষম। অলৌকিকতা বা মোজেজার দোহাই দিয়ে তিনি নিজের জন্য কোনো স্বতন্ত্র মর্যাদা বা নিদর্শন কায়েম করেননি। তিনি সর্বদা বলতেন, সব আলামত আর নিদর্শন আল্লাহ তায়ালার।

ই ই কেলাট : ই ই কেলাট (ইতিহাসবিদ) তার ‘এ শর্ট হিস্ট্রি অব রিলিজিয়ন্স’ (১৯৩৩) পুস্তকে বলেছেন’ ‘ইসলাম ধর্ম প্রতিষ্ঠাতার জীবনের চেয়ে আশ্চর্যজনক চমৎকার জীবন আর কারো নেই। কোনো মানুষ পৃথিবীর ভাগ্য এমনভাবে প্রভাবিত করতে পারেননি যেভাবে তিনি করেছেন। অবশ্য তিনি পরিবেশগত সাহায্য পেয়েছিলেন। আর তিনি জানতেন, সে সাহায্যকে কিভাবে কাজে লাগানো যায়। তিনি বিরোধিতাকে দৃঢ়ভাবে মোকাবেলা করে বিফলতাকে সফলতায় পরিণত করেছেন।’

নেপোলিয়ান বোনাপার্ট : দিগ্বিজয়ী সম্রাট নেপোলিয়ান বলেছেন, ‘মুহাম্মদ সা: মূলত মহান নেতা ছিলেন; তিনি আরববাসীকে সবক শিখিয়ে তাদের পারস্পরিক ঝগড়া ও মতবিরোধ নিরসন করেছেন। স্বল্প সময়ে তাঁর অনুসারীরা অর্ধ পৃথিবী বিজয় করেছেন। মাত্র ১৫ বছরের মধ্যে আরবের বেশির ভাগ মানুষ মিথ্যা দেবতা মূর্তি পূজা ছেড়ে দিয়ে, মূর্তিকে ধুলোয় মিশিয়ে দেয়। এ বিস্ময়কর অবদান শুধু মুহাম্মদ সা:-এর শিক্ষা মানার কারণে সম্ভব হয়েছে আর তাও মাত্র ১৫ বছরে।’

বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ শায়খুল উবুদিয়া ইমাম সাইয়েদ মুহাম্মদ আবদুল্লাহ ইবনে আবদুহু আল-হোসাইনি প্রণীত ‘জগৎ গুরু মুহাম্মদ সা: দ্বিতীয় খণ্ড বই থেকে হজরত মুহাম্মদ সা: সম্পর্কে এ তথ্য সংগ্রহপূর্বক উল্লেখ করা হলো। মূল লেখকের প্রতি রইল অকৃত্রিম শ্রদ্ধা। (চলবে)

লেখক : রাজনীতিক, কলামিস্ট ও আইনজীবী
(অ্যাপিলেট ডিভিশন)
E-mail: taimuralamkhandaker@gmail.com



আরো সংবাদ


ঢাকা টেস্ট : ২য় দিনের খেলা শুরু শৈলকুপায় আমগাছে ঝুলন্ত স্কুলছাত্রীর লাশ, পরিবারের দাবি হত্যা ভোলায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ২ পাইকগাছায় জাওয়াদের প্রভাবে দু'দিনের অব্যাহত গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টিতে জনজীবন বিপর্যস্ত ইন্দোনেশিয়ার সেমেরু আগ্নেয়গিরিতে অগ্ন্যুৎপাত, মৃত ১৩ বাংলাদেশ-মালদ্বীপ সম্পর্ক যে কোনো সময়ের চেয়ে ভালো : রাষ্ট্রদূত লাভজনক কবুতর পালনে আগ্রহী শায়েস্তাগঞ্জের যুবকরা! সুদানে নির্বাচনের পর রাজনীতি ছাড়বে সেনাবাহিনী : বুরহান পদ্মায় নাব্যতা সঙ্কট, শিমুলিয়া-মাঝিরকান্দি নৌরুটে চালু হচ্ছে না ফেরি চলাচল চট্টগ্রামে হাফ ভাড়া ১১ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর নোয়াখালীতে ট্যাংকারের চাপায় গৃহবধূ নিহত

সকল

ইসরাইলকে ইরানে গোয়েন্দা অভিযান চালাতে নিষেধ করল যুক্তরাষ্ট্র (১৪২৯২)‘ওমিক্রন’ থেকে বাঁচাতে স্ত্রী ও দুই সন্তানকে হত্যা করলেন চিকিৎসক (১১০২৯)ইরান ইস্যুতে আমেরিকা একঘরে হয়ে পড়েছে : ব্লিঙ্কেনের স্বীকারোক্তি (১০২১৩)এরদোগানকে হত্যার চেষ্টা! (৮০৯০)রুশ অস্ত্র কিনলে নিষেধাজ্ঞা, ভারতকে বার্তা যুক্তরাষ্ট্রের (৭৯১৫)বাংলাদেশ ভারতের পক্ষে যাবে না (৭৮৩৪)পাকিস্তানের বিরুদ্ধে হেরেও খুশি পাপন (৭২৬৯)যুক্তরাষ্ট্রকে রাশিয়ার হুঁশিয়ারি : প্রতিবেশীর ঘরে অস্ত্র ঢোকালে যুদ্ধ বাধবে (৬৫০৭)‘বুথে নয়, নৌকার ভোট হবে টেবিলের উপরে, পুলিশ প্রশাসনকে সেভাবেই দেখবো’ (৬০০১)জ্বর নেই, স্বাদ-গন্ধও ঠিক আছে! ওমিক্রন চেনার সহজ উপায় (৫৮২৬)