১৯ অক্টোবর ২০২১, ৩ কার্তিক ১৪২৮, ১১ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩ হিজরি
`

মারকেলের দলের হার : কী হতে পারে জার্মানিতে

অ্যাঞ্জেলা মারকেল - ছবি সংগৃহীত

জার্মানির বহুলালোচিত নির্বাচনে মধ্য-বাম দল এসপিডি ও তাদের চ্যান্সেলর প্রার্থী ওলাফ স্কোলজ তাদের প্রতিন্দ্বন্দ্বী অ্যাঞ্জেলা মারকেলের দল সিডিইউকে পেছনে ফেলে অধিক আসনে জয় ছিনিয়ে নিয়েছে। সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক পার্টি-এসপিডি ২৫.৭ শতাংশ ভোট পেয়েছে এবার। আর তাদের সম্ভাব্য আসন সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০৬-এ, যা আগের সংসদের চেয়ে ৫৩টি বেশি। অন্য দিকে মারকেলের সিডিইউ/সিএসইউ জোট পেয়েছে ২৪.১ শতাংশ ভোট, যাতে নতুন সংসদে তাদের আসন সংখ্যা দাঁড়াচ্ছে ১৯৬টি। এতে তাদের আসন সংখ্যা ৫০টি কমে গেছে। অ্যাঞ্জেলা মারকেলের বিদায়ী মেয়াদে তার দলের এক প্রকার বিপর্যয়ই প্রত্যক্ষ করতে হলো তাকে।

এবারের নির্বাচনে এসডিপির ভোট বেড়েছে ৫.২ শতাংশ আর সিডিইউ/সিএসমইউ’র ভোট কমেছে ৮.৮ শতাংশ। এতে ক্রিস্টান ডেমোক্রেটিক ইউনিয়ন-সিডিইউ’র নতুন নেতা আরমিন ল্যাশেটের চ্যান্সেলর হওয়াটা অনেকখানি অনিশ্চিত হয়ে গেছে। যদিও এখনো বড় দুই দলের যে কেউ কোয়ালিশন সরকারের নেতৃত্বে থাকতে পারে যা অন্য দলগুলোর সমর্থনের ওপর নির্ভর করে।

এবারের নির্বাচনে শুধু বড় দুই দলই নয়, এর পরের তিন দলের মধ্যেও সাফল্যের ব্যাপক রকমফের ঘটেছে। অ্যানালেনা বেয়ারবকের নেতৃত্বে পরিবেশবাদী গ্রিনস দল খুব ভালো ফল করেছে এবার। দলটি এবার ১১৮টি আসন এবং ১৪.৮ শতাংশ ভোট পেয়েছে। তাদের পক্ষে ৫১টি আসন এবং ৫.৮ শতাংশ ভোট বেড়েছে। উদারপন্থী ফ্রি ডেমোক্রেটিক পার্টি-এফডিপির আগের ৮০ আসনকে এবার ৯২-এ উন্নীত করতে সক্ষম হয়েছে। তাদের পৌনে ১ শতাংশের মতো ভোট বেড়েছে। অতি-ডান অল্টারনেটিভ ফর জার্মানি-এএফডি ১০.৩ শতাংশ ভোট পেয়ে দ্বিতীয়বারের মতো সংসদে প্রবেশ করছে। তবে তাদের ভোট ২.৩ শতাংশ আর আসন ১১টি কমে গেছে।

কট্টর ডান আর কট্টর বাম দুই দলই বিপর্যয়ে পড়েছে এবার। বাম দল ডাই লিংক পার্টি গত সংসদে ৯.২ শতাংশ ভোট পেয়ে ৬৯টি আসন পেয়েছিল। এবার তারা ন্যূনতম ভোটের যে ৫ শতাংশ সীমানা রয়েছে তার নিচে ৪.৯ শতাংশে নেমে এসেছে। সম্পূরক শর্তের ওপর ভর করে তারা সংসদের ৩৯টি আসন পাবে বলে হিসাব করা হয়েছে। জার্মান সংসদ বুন্দেস্ট্যাগ এবার প্রথম হিজড়া এমপিএসকে স্বাগত জানাবে, সবুজ প্রার্থী টেসা গ্যানসেরার ও নাইক স্লাইক আসন জেতার পর।

৭৩৫ আসনের জার্মান সংসদে ৩৬৮টি আসন সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজন। এত আসন কোনো দলই সাধারণভাবে পায় না। ফলে দলগুলোকে এখন একটি জোট সরকার গঠনের জন্য 'অনুসন্ধানী আলোচনা' শুরু করতে হবে, যেখানে ত্রিমুখী জোট এই মুহূর্তে সবচেয়ে সম্ভাব্য বলে মনে হচ্ছে। সম্ভাব্য জোটের মধ্যে রয়েছে তথাকথিত সবুজ-হলুদ-লাল 'ট্রাফিক লাইট' জোট, এসপিডি, গ্রিনস ও এফডিপি, অথবা সিডিইউ/সিএসইউ, গ্রিনস ও এফডিপির ‘জ্যামাইকান’ জোট। স্কোলজ ও ল্যাশেট উভয়েই জোর দিয়েছিলেন যে তারা সরকার গঠন করবেন। জনমত জরিপে তার দল পিছিয়ে পড়ার দিকে ইঙ্গিত করে ল্যাশেট বলেছিলেন, যে দলটি প্রথম স্থানে থাকে তা থেকে সব সময় চ্যান্সেলর হয় না। দ্য গ্রিনস ও এফডিপি কিংমেকারদের ভূমিকা পালন করবে এবার।

জোটের আলোচনা চলাকালীন অ্যাঞ্জেলা মারকেল চ্যান্সেলর থাকবেন। জোট গঠনের বিষয়টি এমন একটি দীর্ঘ প্রক্রিয়া হতে পারে যাতে আলোচনা শেষ করতে ২০১৭ সালে তিন মাস সময় লেগেছিল। এবারও একই সময় লাগতে পারে।

যে দলের নেতৃত্বেই নতুন সরকার গঠন করা হোক না কেন, ক্ষমতার নিরিখে এসপিডি দল সুবিধাজনক অবস্থান নিশ্চিত করেছে৷ জার্মানির সংসদের উচ্চ কক্ষ বুন্ডেসরাট ১৬টি রাজ্যের প্রতিনিধিদের মঞ্চ৷সব গুরুত্বপূর্ণ আইন সেখানেও অনুমোদন করাতে হয়৷ ফলে যে দলের হাতে বেশিরভাগ রাজ্যের রাশ রয়েছে, ওই দলের জোর যথেষ্ট বেশি৷ রোববার উত্তর পশ্চিমের জনবিরল রাজ্য মেকলেনবুর্গ ওয়েস্টার্ন পমেরানিয়া এবং বার্লিনে এসপিডির জয়ের পর বুন্ডেসরাটে এসপিডি দলের ক্ষমতা অক্ষুণ্ণ রইল৷

মুখ্যমন্ত্রী মানুয়েলা শ্ভেসিকের নেতৃত্বে জনবিরল রাজ্য মেকলেনবুর্গ ওয়েস্টার্ন পমেরানিয়ায় এসপিডি দল প্রায় ৪০ শতাংশ ভোট পেয়ে বিশাল জয়ের মুখ দেখেছে৷ সেখানেও সিডিইউ দলের ভরাডুবি হয়েছে৷ প্রায় ১৩ শতাংশ ভোট পেয়ে ঐতিহাসিক বিপর্যয়ের মুখ দেখেছে বিদায়ী চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মারকেলের দল। সেই রাজ্যেই মার্কেলের এতকাল নির্বাচনী কেন্দ্র ও বাসস্থান অবস্থিত৷ এমন স্পষ্ট জয়ের পর এসপিডি জোট সরকার গড়ার একাধিক সুযোগ পাবে৷ রাজ্যের কাণ্ডারি হিসবে প্রথমবার নির্বাচনে অংশ নিয়ে এমন জয়ের মুখ দেখে মুখ্যমন্ত্রী শ্ভেসিক গভীর সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন৷

বার্লিন রাজ্যের নির্বাচনে এসপিডি দলের জয়ের ব্যবধান অবশ্য খুব বেশি নয়৷ প্রায় ২১ শতাংশ ভোট পেয়ে শহরের শাসক মেয়র হিসেবে শপথ নিতে চলেছেন মারকেলের মন্ত্রিসভার প্রাক্তন সদস্য ফ্রানৎসিস্কা গিফাই৷ এসপিডি দলের এই নেতাকে পিএইচডি থিসিসে অনিয়মের অভিযোগে সরে দাঁড়াতে হয়েছিল৷ সবুজ দল প্রায় ১৯ শতাংশ ভোট পেয়ে তার জয়কে কিছুটা ম্লান করে দিয়েছে৷ ফলে তাকে তিন দলের জোট সরকার গঠন করতে হবে৷ শুধু লোয়ার স্যাক্সনি রাজ্যে এসপিডি দলকে ক্ষমতা ধরে রাখতে হবে৷

২০২২ সালে জার্মানির চারটি রাজ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে৷ সিডিইউ নেতা আরমিন লাশেটের নর্থরাইন ওয়েস্টফেলিয়াও তার মধ্যে রয়েছে৷ এসপিডি দলের জয়যাত্রা অব্যাহত থাকলে এই রাজ্যও সিডিইউ-র হাতছাড়া হতে পারে৷ রোববারের সংসদ নির্বাচনে এসিপিডি নর্থরাইন ওয়েস্টফেলিয়ায় সবচেয়ে শক্তিশালী রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠা করেছে৷ ২০০৫ সালের পর এসপিডি এমন সাফল্য অর্জন করল৷ উত্তরের শ্লেসভিক হলস্টাইন ও দক্ষিণের সারলান্ড রাজ্যেও ২০২২ সালে সিডিইউ পরাজয়ের মুখ দেখলে এসপিডি সংসদের উচ্চ কক্ষে নিজস্ব ক্ষমতা আরো জোরদার করতে পারবে৷

২০২১ জার্মান ফেডারেল নির্বাচন এ বর্তমান চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মারকেল অংশ না নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। যুদ্ধ-পরবর্তী ইতিহাসে প্রথমবারের মতো বর্তমান চ্যান্সেলর পুনরায় নির্বাচন করতে চাইছেন না। গেরহার্ড শ্রোয়েডারের পর জার্মানি যখন চ্যান্সেলর পদে প্রথম একজন নারীকে পায় তখন অনেকে ভাবতে পারেননি পরের ১৬টি বছর সেই অ্যাঞ্জেলা মারকেলই দেশ শাসন করবেন, সেইসাথে বদলে দেবেন অনেক কিছু?

আঞ্জেলা মারকেলের উত্তরসূরি বেছে নেবার এ নির্বাচনে ভোটারদের তালিকায় এমন অনেক তরুণ আছেন, যারা মার্কেল ছাড়া অন্য কোনো চ্যান্সেলরের কথা মনেও করতে পারেন না। তার গুণমুগ্ধরা বলছেন, মধ্য ডানপন্থী একটি দলের নেতা হলেও মেরকেলের আমলেই জার্মানি একদিকে রক্ষণশীলতার বৃত্ত ভেঙে খানিকটা উদারনৈতিক পথে হাঁটতে পেরেছে, অন্যদিকে শরণার্থী সমস্যাসহ একাধিক সংকটময় মুহূর্তে ইউরোপকে দিতে পেরেছে নেতৃত্ব। আর সমালোচকরা বলছেন, সুযোগ থাকার পরও মার্কেল অনেক কিছু করেননি; সমাজ সংস্কারের বদলে ক্ষমতা যেন হাতছাড়া না হয়- সেদিকেই তার নজর ছিল বেশি।

মারকেল বেড়ে উঠেছেন পূর্ব জার্মানিতে, মা ছিলেন শিক্ষক, বাবা প্রোটেস্টান যাজক। ছাত্রজীবনে পূর্ব জার্মানির কমিউনিস্ট পার্টির যুব সংগঠনের সাথে যুক্ত ছিলেন, পরে কোয়ান্টাম রসায়নে পিএইচডি করেন, তার ‘রোল মডেল’ ছিলেন বিজ্ঞানী মেরি কুরি।

দুই জার্মানির একত্রীকরণের পর বেশ কয়েকটি দল ঘুরে ক্রিশ্চিয়ান ডেমোক্রেটিক ইউনিয়নে (সিডিইউ) থিতু হন মার্কেল, এরপর রাজনৈতিক ক্যারিয়ার উপরে উঠতে থাকেন তরতরিয়ে। বিদায়ী চ্যান্সেলর মারকেল ভোটের আগে তার দেশের নাগরিকদের সতর্ক করে বলেছেন, জার্মানির প্রয়োজন স্থিতিশীলতা, আর তরুণ জার্মানদের দরকার সুন্দর ভবিষ্যত। সুতরাং ক্ষমতায় কে থাকবে, সেটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

১৮ বছরের বেশি বয়স হলে জার্মানিতে জাতীয় নির্বাচনে ভোট দেয়া যায়। দেশটিতে ভোট দেয়ার যোগ্য নাগরিকের সংখ্যা ৬ কোটি ৪০ লাখ। জার্মানিতে স্থায়ীভাবে বসবাসকারী সবাইকে পৌর কর্তৃপক্ষের কাছে নাম নিবন্ধন করতে হয়৷ তাই ওই তালিকা থেকে শুধু জার্মান নাগরিকদের বেছে নিয়ে ডাকযোগে ভোট দেবার আমন্ত্রণ পাঠানো হয়৷ জাতীয় পরিচয়পত্র ও সেই আমন্ত্রণপত্র নিয়ে নির্ধারিত ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে গেলেই ভোট দেয়া যায়৷ শিল্পোন্নত দেশ হয়েও জার্মানি নিরাপত্তার খাতিরে এখনো ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন ব্যবহার করে না৷ কাগজের ব্যালট গণনার পর দ্রুত ফলাফল জানতে অবশ্য প্রযুক্তির প্রয়োগ বাড়ছে৷জার্মানির পার্লামেন্ট নির্বাচনে ভোটাররা দুটি করে ভোট দেয়ার সুযোগ পান৷প্রথমটি নির্বাচনী আসনে প্রার্থী নির্বাচনের জন্য, দ্বিতীয়টি পছন্দের দলের জন্য৷ প্রার্থী ও দল ভিন্ন হলেও সমস্যা নেই ভোটারদের দেয়া প্রথম ভোটের ভিত্তিতে ২৯৯টি আসনে প্রার্থীরা সরাসরি নির্বাচিত হবেন। আর দ্বিতীয় ব্যালটে যে দল যত শতাংশ সমর্থন পাবে, সেই অনুপাতে বুন্ডেসটাগের বাকি আসনগুলোতে প্রার্থীরা নির্বাচিত হবেন।

এ হিসাবে দ্বিতীয় ভোটের ভিত্তিতে বাকি ২৯৯ আসনে দলীয় মনোনয়ন অনুযায়ী প্রার্থী নির্বাচনের কথা থাকলেও বাস্তবে সংসদে সদস্যসংখ্যা ৫৯৮ ছাপিয়ে যায়৷ এর কারণ হলো, কোনো দল যদি শতকরা হিসেবে দ্বিতীয় ভোটের তুলনায় বেশি হারে প্রথম ভোট পায়, তখন জটিল এক নিয়মের ভিত্তিতে ওই দল সংসদে কিছু বাড়তি আসন পায়৷ তখন ‘ক্ষতিপূরণ’ হিসেবে বাকি দলগুলোকেও বেশি আসন দিতে হয়৷ সব মিলিয়ে ৪৭টি দল এ বছর জার্মানির নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছে। তবে প্রথম ব্যালটে কমপক্ষে তিনটি আসনে দলীয় প্রার্থীরা জয় না পেলে কিংবা দ্বিতীয় ব্যালটে কমপক্ষে পাঁচ শতাংশ ভোট না পেলে কোনো দল বুন্ডেসটাগে স্থান পায় না৷

ভোটের হিসাবে নতুন বুন্ডেসটাগ আকৃতি পেয়ে গেলে তখন শুরু হবে সরকার গঠনের হিসাব। সংখ্যাগরিষ্ঠ দল অন্য দলগুলোর সাথে জোট গড়ে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করতে পারলে সরকার গঠনের অনুমতি পাবে।

জার্মানিকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রধান নেতা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ফলে নতুন সরকার কোন দলের নেতৃত্বে গঠন হবে সেটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। অবশ্য অনেকে মনে করেন পররাষ্ট্র কৌশলের ক্ষেত্রে বড় যে দলই সরকার গঠন করুক না কেন, রাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতিতে বড় কোনো পরিবর্তন আসবে না।



আরো সংবাদ


সকল

মেয়ের চিকিৎসায় ১০ দিন ধরে ঢাকার হাসপাতালে থেকেও মন্দির ভাঙার আসামি (১২৯০৫)‘বাতিল হলো ঢাকা-চট্টগ্রাম এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্প’ (১২২০৬)প্রধানমন্ত্রী মোদি কি আগামী নির্বাচনে হেরে যাচ্ছেন বলে এখনই টের পেয়েছেন (৯৫৬৯)কাশ্মিরে নতুন করে উত্তেজনা ভারতের তালেবানভীতি থেকে? কেন সেই ভীতি? (৯৪১৪)কাশ্মিরে এক অভিযানে সর্বোচ্চ সংখ্যক ভারতীয় সেনা নিহত (৮০৩৮)৭২-এর সংবিধানে ফিরে যেতেই হবে : তথ্য প্রতিমন্ত্রী (৬৬০০)সঙ্কটের পথে রাজনীতি (৫৯৭৭)গ্রাহকদের উদ্দেশে কারাগার থেকে যা বললেন ইভ্যালির রাসেল (৪৮৯৫)পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবীর সরকারি ছুটি পুনর্নির্ধারণ (৪৮৬২)কিছু ‘বিভ্রান্তিকর খবরের’ পর বাংলাদেশের পদক্ষেপের প্রশংসা করেছে ভারত (৪৮২৯)