১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৪ আশ্বিন ১৪২৮, ১১ সফর ১৪৪৩ হিজরি
`

নিকৃষ্টের দাপটে উৎকৃষ্ট অবদমিত

নিকৃষ্টের দাপটে উৎকৃষ্ট অবদমিত - ছবি : নয়া দিগন্ত

পৃথিবীর সব দেশে দুই ধরনের মানুষ রয়েছে। এর একটি হলো উৎকৃষ্ট এবং অপরটি নিকৃষ্ট। স্বভাবতই প্রশ্ন দেখা দেয় এ দুই ধরনের মানুষের মধ্যে কারা উৎকৃষ্ট ও কারা নিকৃষ্ট। একজন সাধারণ বুদ্ধিজ্ঞানসম্পন্ন মানুষের দৃষ্টিতে উৎকৃষ্ট হলো এমন সব ব্যক্তি যারা সৎ, ন্যায়নিষ্ঠ, প্রাজ্ঞ, জ্ঞানী, যোগ্য, চরিত্রবান, দক্ষ ও গুণাবলির নিরিখে জ্যেষ্ঠ। অন্য দিকে এর বিপরীতধর্মীরা হলো নিকৃষ্ট। আর স্পষ্টভাবে বলতে গেলে নিকৃষ্ট হলো তারা যারা অসৎ, দুর্নীতিগ্রস্ত, অজ্ঞ, মূর্খ, অযোগ্য, দুশ্চরিত্রবান, অদক্ষ এবং সার্বিক বিবেচনায় কনিষ্ঠ।

এ পৃথিবীর বুকে যেসব দেশ, জাতি, সম্প্রদায়, গোষ্ঠী দীর্ঘকাল ধরে নিজেদের প্রাধান্য অক্ষুণœ রেখে সফলতার সাথে সম্মুখপানে এগিয়ে চলতে সক্ষম হয়েছে, এর পেছনের অন্তর্নিহিত শক্তি ছিল রাষ্ট্র, সরকার ও সমাজের সর্বত্র উৎকৃষ্টদের দ্বারা নিকৃষ্টদের নিয়ন্ত্রণ।

বর্তমানে পৃথিবীর যেসব দেশে গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা অনুসৃত হয় সেসব দেশে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য রাষ্ট্র ও সরকার পরিচালনার দায়িত্ব লাভ করে। এ নির্দিষ্ট সময়টি রাষ্ট্রভেদে চার-পাঁচ বছর হয়ে থাকে। নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা প্রায় সব ক্ষেত্রেই একটি রাজনৈতিক দলের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অবতীর্ণ হন। যেকোনো দেশে সাধারণ জনমানুষের মধ্যে নৈতিকতা বোধসম্পন্ন মানুষের সংখ্যা যত বেশি হবে সে হারে দেশটিতে উৎকৃষ্টদের নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা উজ্জ্বলতর হবে। আর গণতান্ত্রিক দেশ হওয়া সত্ত্বেও নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ না হলে পেশিশক্তির প্রাধান্যতায় যারা নির্বাচিত হয়ে আসেন তারা যেকোনো বিবেচনায় যে উৎকৃষ্ট নয়, সে বিষয়ে দেশের সচেতন মানুষের মধ্যে কোনো ধরনের সংশয় নেই।

একটি দেশের রাষ্ট্র অথবা সরকারের সেবক হিসেবে যারা দায়িত্ব পালন করেন, তাদের বলা হয় সরকারি কর্মচারী। রাষ্ট্র অথবা সরকার নির্বাচনে বিজয়ী দলের নেতৃত্বে ও কর্তৃত্বে পরিচালিত হলেও সরকারের কর্মকাণ্ডের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা ও সুশাসন বহুলাংশে সরকারি কর্মচারীদের সততা, দক্ষতা, জ্যেষ্ঠতা, যোগ্যতা, মেধা প্রভৃতির ওপর নির্ভর করে। আবার সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে যারা প্রথম শ্রেণীর মর্যাদাপ্রাপ্ত তারাই মূলত সরকারি কর্মচারীদের জন্য নির্ধারিত সর্বোচ্চ পদ অর্থাৎ সচিব বা সমমর্যাদাসম্পন্ন পদে অধিষ্ঠিত হওয়ার যোগ্য; যদিও এ ক্ষেত্রে জ্যেষ্ঠতা, সততা, দক্ষতা ও যোগ্যতা সর্বাগ্রে গণ্য।

সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, সচিবালয়, কার্যালয় বা সংস্থার শীর্ষ পদধারীরা সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান সরকারি কর্ম কমিশন আয়োজিত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে সাধারণত যেকোনো ক্যাডার বা বিভাগের প্রারম্ভিক পদে নিয়োগপ্রাপ্ত। এ প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অংশ নিতে হলে প্রার্থীদের কমিশন নির্ধারিত যোগ্যতাসম্পন্ন হতে হয়। অতীতে অধস্তন বিচার বিভাগের প্রারম্ভিক পদ অর্থাৎ সহকারী জজ পদে নিয়োগ পরীক্ষার দায়িত্ব সরকারি কর্ম কমিশন পালন করত। কিন্তু বর্তমানে এ দায়িত্বটি জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশন পালন করছে। সরকারের অপরাপর ক্যাডার সার্ভিসের প্রারম্ভিক পদের নিয়োগ পরীক্ষায় অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে যেসব যোগ্যতার কথা বলা হয়েছে সহকারী জজ পদে নিয়োগ পরীক্ষার ক্ষেত্রেও সমরূপ যোগ্যতার আবশ্যকতা রয়েছে।

আমাদের প্রতিরক্ষা বাহিনীর অন্তর্ভুক্ত সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীতে কর্মকর্তা পর্যায়ের প্রারম্ভিক পদে নিয়োগ পরীক্ষায় অবতীর্ণ হওয়ার ক্ষেত্রে আন্তবাহিনী নির্বাচনী বোর্ডের সম্মুখে যোগ্যতার প্রমাণ রাখতে হয়। সামরিক বা বেসামরিক উভয় ধরনের কর্মকর্তা পদে নিয়োগপ্রাপ্তদের ক্ষেত্রে অতীতে সবসময় যে নীতিটি অনুসৃত হতো তা হলো নিয়োগ পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে জ্যেষ্ঠতার যে তালিকা প্রস্তুত হতো তার ভিত্তিতে বার্ষিক গোপনীয় প্রতিবেদনে (এসিআর) কোনোরূপ বিরূপ মন্তব্য না থাকলে পর্যায়ক্রমিক পদোন্নতিগুলো কার্যকর হতো।

গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সরকার পরিবর্তনশীল এবং এ পরিবর্তনটি নির্বাচনে জয়-পরাজয়ের ওপর নির্ভর করে। ক্ষমতাসীন দল নির্বাচনে পরাজিত হওয়া পরবর্তী সরকারের পরিবর্তন ঘটলেও সরকারি কর্মচারীদের ক্ষেত্রে অতীতে সে পরিবর্তন কখনো প্রভাব ফেলত না। অতীতে সবসময় দেখা যেত সরকারের বিভিন্ন বিভাগের কর্মচারীদের এক মন্ত্রণালয় থেকে অন্য মন্ত্রণালয়ে অথবা এক স্থান থেকে অন্য স্থানে বদলি করা হতো এবং চাকরি থেকে অবসর গ্রহণ অবধি তারা চাকরিতে নিয়োজিত থাকতেন। কিন্তু বর্তমানে জাতীয় রাজনীতিতে বড় দু’টি রাজনৈতিক দলের মধ্যে নীতি ও আদর্শগত যে বিভাজন এর ছোঁয়া দেশের প্রতিটি শ্রেণী-পেশার মানুষকে স্পর্শ করেছে এবং দুর্ভাগ্যজনকভাবে এ ছোঁয়া থেকে সামরিক ও বেসামরিক কর্মচারীরাও অবমুক্ত নন।

বর্তমান শতাব্দীর সূচনালগ্ন থেকে দেখা গেছে সরকারের বিভিন্ন বিভাগে শীর্ষ পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে অতীতের মতো জ্যেষ্ঠতা, সততা, দক্ষতা, যোগ্যতা ও মেধা এসব বিষয়কে আর বিবেচনায় আনা হচ্ছে না। এখন এসব বিষয় হয়ে গেছে গৌণ। আর মুখ্য বিষয়টি হলো শীর্ষ পদে পদায়নের জন্য বিবেচিত কর্মকর্তাটি ক্ষমতাসীন দলের রাজনৈতিক মতাদর্শী কি না? রাজনৈতিকভাবে ভিন্নমতাদর্শী বিবেচনায় বিগত প্রায় দেড় দশক বড় দু’টি রাজনৈতিক দল ক্ষমতাসীন থাকাবস্থায় উল্লেখযোগ্য সংখ্যক কর্মকর্তাকে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়েছে। ওএসডি কর্মকর্তাদের সবাই যে রাজনৈতিক মতাদর্শী, তা নয়। বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগে এমন অনেক মতলববাজ কর্মকর্তা রয়েছেন, যারা সরকারের শীর্ষ মহলের সাথে যোগসূত্র থাকার সুবাদে নিজ নিজ বিভাগের জ্যেষ্ঠ, সৎ, দক্ষ কর্মকর্তাদের স্বীয় উচ্চ পদ লাভে পথের কাঁটা ভেবে মিথ্যা অপবাদের মাধ্যমে ওএসডি করার কলকাঠি নেড়েছেন।

সরকারের ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু সচিবালয়ের উপসচিব থেকে সচিব পর্যন্ত এ চারটি পদের সহস্রাধিক কর্মকর্তা ওএসডি হিসেবে কোনো কাজ না করেও সরকার থেকে বেতনভাতা ও আনুষঙ্গিক সুযোগ সুবিধাদি প্রাপ্ত হচ্ছেন। ওএসডি কর্মকর্তাদের বেশির ভাগই জ্যেষ্ঠ, সৎ, দক্ষ, যোগ্য ও মেধাবী। এসব কর্মকর্তার পদোন্নতিবঞ্চিত করে দীর্ঘ দিন ওএসডি করে রাখায় তাদের মধ্যে চরম হতাশা বিরাজ করছে। তাদের অনেককে আক্ষেপের সাথে বলতে শোনা যায় সরকারি কর্মচারী হিসেবে সারাজীবন সৎ ও ন্যায়নিষ্ঠ থেকে কাজ করার পুরস্কার আজ কনিষ্ঠ ও নিকৃষ্ট দ্বারা চাকরিতে অতিক্রান্ত এবং কাক্সিক্ষত পদোন্নতি থেকে বঞ্চিত হয়ে অবমাননাকর ওএসডি হয়ে রয়েছি।

সরকারের প্রতিটি বিভাগের জ্যেষ্ঠতার তালিকায় যিনি শীর্ষ ব্যক্তি তার বিভাগের শীর্ষ পদে আসীন হওয়া বৈধ অধিকার তার। বৈধ অধিকারীকে প্রাপ্য পদ থেকে বঞ্চিত করা তার ওপর শুধু অবিচারই নয়; জুলুম ও নিপীড়নসম। কিন্তু আজ শুধু ক্ষমতাসীনদের রাজনৈতিক মতাদর্শী নয়, এ অপবাদে যেভাবে সরকারের প্রতিটি বিভাগে কনিষ্ঠ ও নিকৃষ্টদের দ্বারা উৎকৃষ্টদের অতিক্রান্ত করে তাদের ন্যায্য অধিকার ও প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে তাতে প্রতিটি বিভাগের আদেশের শৃঙ্খল (ঈযধরহ ড়ভ ঈড়সসধহফ) ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়েছে। তা ছাড়া সরকারের যেকোনো বিভাগ জ্যেষ্ঠ, সৎ, দক্ষ, যোগ্য ও মেধাবীদের পরিবর্তে যদি কনিষ্ঠ, অসৎ, অদক্ষ, অযোগ্য ও মেধাহীনদের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত বা পরিচালিত হয়, তাতে সে বিভাগ কখনো সংশ্লিষ্ট সবার সন্তুষ্টিসহকারে কার্যসম্পাদন করে দেশ ও জনগণের আস্থাভাজন হতে পারবে না।

ক্ষমতাসীন সরকারের রাজনৈতিক মতাদর্শীরা উৎকৃষ্টকে অতিক্রান্ত করে অযোগ্য হওয়া সত্ত্বেও লোভনীয় পদে পদায়ন পরবর্তী ওই পদ থেকে অবসর গ্রহণ করে ক্ষান্ত হচ্ছেন না। পদের মোহ ও ক্ষমতা তাদের এমনভাবে পেয়ে বসেছে যে, নিজ মতাদর্শের সরকার যত দিন ক্ষমতায় আছে তত দিন বয়স উত্তীর্ণ হওয়া সত্ত্বেও তাদের পদ ও ক্ষমতা উভয়টিই থাকতে হবে। তাই বিশেষ ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতির কোটায় একমাত্র রাজনৈতিক মতাদর্শী এ বিবেচনায় তাদের চাকরিতে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ হচ্ছে। চুক্তিভিত্তিক কর্মকর্তাদের ক্ষেত্রে দেখা যায় পরবর্তী পদোন্নতির আশা না থাকায় স্বীয় কার্যসম্পাদনে নীতিনৈতিকতা কখনো অন্তরায় হিসেবে দেখা দেয় না। তাদের একটিই কথাÑ যে দলের সুবাদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগপ্রাপ্তি, সে দলের স্বার্থ ও নিজ স্বার্থই তাদের কাছে মুখ্য আর দেশ ও জনগণের স্বার্থ গৌণ।

পৃথিবীর সর্বত্র পদ শূন্য হওয়াসাপেক্ষে পদোন্নতি দেয়া হয়, কিন্তু এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশই বোধহয় শুধু ব্যতিক্রম। আমাদের উচ্চতর পদ কাঠামোর উপসচিব থেকে সচিব অবধি এ চারটি পদে নির্ধারিত পদসংখ্যার চেয়ে অত্যধিক কর্মকর্তাকে পদোন্নতি দেয়া হয়েছে। পদ শূন্য না থাকায় পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের কেউবা আগের পদে বহাল রয়েছেন আবার কারো বা কপালে জুটেছে ওএসডির খড়গ। পদোন্নতির ক্ষেত্রেও দেখা যায় জ্যেষ্ঠতা, সততা, দক্ষতা, যোগ্যতা ও মেধার চেয়ে রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা অধিক বিবেচ্য।

এ কথাটি অনস্বীকার্য যে, জ্যেষ্ঠতা, সততা, দক্ষতা, যোগ্যতা ও মেধাকে মূল্যায়ন না করে কনিষ্ঠদের সব ধরনের অযোগ্যতাকে উপেক্ষাপূর্বক রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে পদায়নের কারণে সুশাসন আজ মারাত্মকভাবে হুমকির সম্মুখীন। আর এ কারণেই দেখা যায় বিভিন্ন বিভাগে নৈরাজ্য অসহনীয় পর্যায় পৌঁছে গেছে। বিভিন্ন বিভাগের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা কোনো ধরনের যুক্তিসঙ্গত কারণ ব্যতিরেকে অতিক্রান্ত হওয়ায় তাদের অনেকেই তীব্র হতাশার মধ্য দিয়ে চাকরিটিকে টিকিয়ে রাখতে অফিসে যাওয়া-আসা করছেন। দেশ, জনগণ ও নিজ বিভাগকে এদের অনেক কিছু দেয়ার থাকলেও তারা আজ সে সুযোগটি থেকে বঞ্চিত। দেশের শীর্ষ মহলকে ভুল বুঝিয়ে আজ যেভাবে সরকারের বেশির ভাগ বিভাগের শীর্ষ পদে উৎকৃষ্ট ও জ্যেষ্ঠদের অতিক্রান্ত ও বঞ্চিত করে নিকৃষ্ট ও কনিষ্ঠরা জেঁকে বসেছে; এভাবে চলতে থাকলে সরকারের সুশাসন, নির্বাচনী ওয়াদা এবং দেশ ও জনগণের কল্যাণ ও মঙ্গলের বিষয়গুলো মুখ থুবড়ে পড়বে। তাই যত শিগগির উৎকৃষ্টদের প্রাপ্য সম্মান ও মর্যাদা দিয়ে উপযুক্ত পদে আসীন করানো যাবে, তত শিগগিরই আমরা নিকৃষ্ট ও অযোগ্যদের হাত থেকে পরিত্রাণ পেয়ে সুন্দর ভবিষ্যৎ বিনির্মাণের পথে এগিয়ে যেতে পারব।

লেখক : সাবেক জজ, সংবিধান, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বিশ্লেষক
E-mail: iktederahmed@yahoo

 



আরো সংবাদ


কাবুলে বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রে রকেট হামলা (১৬০০৩)তালেবানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে অস্ত্র চাইলেন মাসুদ (১৫৭০৩)মালয়েশিয়ায় স্বদেশীকে অপহরণের দায়ে মৃত্যুদণ্ডের মুখোমুখি ৪ বাংলাদেশী (১২৮৭১)মার্কিন সফরে মোদির ঘুম কেড়ে নেয়ার হুঁশিয়ারি শিখ গ্রুপের (১১৩৬১)নতুন ঘোষণা আফগান সেনাপ্রধানের (৯৮৫২)বিমানে হিজাব পরিহিতা দেখেই চিৎকার ‘মুসলিম সন্ত্রাসী’ (৭৩২১)ভারত সীমান্ত থেকে চীনের সেনা সরিয়ে নিতে জয়শঙ্করের হুঁশিয়ারি (৬০৯৮)যাত্রীবেশে উঠে গলা কেটে মোটরসাইকেল ছিনতাই (৬০১৫)রিকসা চালকের তথ্যে নিখোঁজ তিন ছাত্রী উদ্ধার (৫৯১৯)ইসরাইলি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কিনতে চায় সৌদি আরব (৫৬৯১)