১১ আগস্ট ২০২০

আনোয়ারের ক্ষমতায়ন চান না মাহাথির

আনোয়ারের ক্ষমতায়ন চান না মাহাথির - ছবি : সংগৃহীত
24tkt

এখন জানা যাচ্ছে যে, মালয়েশীয় প্রবীণ নেতা ডা: মাহাথির মোহাম্মদ স্থিরচিত্ত ছিলেন যাতে দাতুক সেরি আনোয়ার ইব্রাহিম দেশের প্রধানমন্ত্রী না হন, মালয়েশিয়া সুপ্রিম কাউন্সিলের মেম্বার ওয়ান সাইফুল ওয়ান এ কথা প্রকাশ করেছেন। Trends in Southeast Asia সিরিজ প্রকাশনা উৎসবে বক্তৃতাকালে কিছুদিন আগে তিনি এমন ‘বোমা ফাটানো তথ্য’ প্রকাশ করলেন। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা স্থানান্তরে মাহাথির কখনো আন্তরিক ছিলেন না। বিভিন্ন ক্লোজডোর সভায় মাহাথির মত প্রকাশ করেন যে, তিনি তার উত্তরসূরি হিসেবে আনোয়ারকে চান না। তবে জনসমাবেশে তিনি কয়েকবার আনোয়ারকে ক্ষমতা প্রদানের পক্ষে মত প্রকাশ করেছিলেন। ডা: মাহাথির তিনটি প্রধান মালয় দলকে এক করতে পেরেছিলেন; বারসাতু, ইউএমএনও ও পাস। বিভিন্ন ইসলামী দলের একটি জোট পাস। মাহাথিরের উদ্দেশ্য ছিল মালয় প্রাধান্যপুষ্ট সরকার গঠন করা। ডা: মাহাথির গত ২৩ ফেব্রুয়ারি বারসাতু সুপ্রিম কাউন্সিলের সভায় বলেন, তিনি তার ওয়াদা পূরণ করতে চান, আনোয়ারকে প্রিমিয়ার বা প্রধানমন্ত্রী বানাতে চান। এর পরই ‘পাকাতান প্রশাসন’ অচল হয়ে যায়।

ডা: মাহাথির পদত্যাগ করার পর হঠাৎ আনোয়ার ইব্রাহিমের সুযোগের দুয়ার খুলে যায় এমনকি তিনি প্রধানমন্ত্রিত্ব দাবি করার অবস্থানে চলে আসেন। বিভিন্ন দলও তাকে সমর্থন দেয়। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী মুহিউদ্দিন পাকাতান জোট ছেড়ে দেন। ফলে আনোয়ার সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারান এবং আনোয়ারের আশা আবারো তমসায় ছেয়ে যায়। এ রকম দুর্যোগপূর্ণ সময়ে মাহাথির বললেন, আনোয়ারের জনসমর্থন নেই। পাকাতানের ২২ মাসের মেয়াদে মাহাথির ক্ষমতায় গিয়েও ভবিষ্যতের রাজনৈতিক দিকনির্দেশনা দিতে পারেননি।

রাজনৈতিক দল ইউএমএনও ও পাস মালয় জনগোষ্ঠীকে বুঝাতে সক্ষম হয়, পাকাতান তাদের বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দিচ্ছে না। বারাসাতুর সাথে এই দুটি দল প্রকাশ্যে বহু দিন ধরে ‘শত্রুতা’ করলেও এখন এক সাথে কাজ করার ইচ্ছাও ব্যক্ত করেছে একই সাথে মাহাথিরের সাথেও তারা যোগাযোগ রক্ষা করে।

হাসপাতালে আনোয়ারকে দেখতে ডা: মাহাথিরকে নিষেধ করা হয়। ২০১৮ সালের জানুয়ারির ১০ তারিখ ঘটা করে ঘোষণা দেয়া হয়েছিল, পাকাতান হারাপান জিতে গেলে আনোয়ার ইব্রাহিম হবেন প্রধানমন্ত্রী এবং তার স্ত্রী পিকেআর দলের প্রেসিডেন্ট ডা: ওয়ান আজিজাহ ওয়ান ইসমাইল হবেন উপপ্রধানমন্ত্রী।

স্মর্তব্য, সাবেক প্রধানমন্ত্রী মাহাথির আনোয়ারকে ১৯৯৮ সালে নির্যাতনের জন্য পুলিশকে দায়ী করেছিলেন। শিন চু পত্রিকায় সাক্ষাতের সময় ডা: মাহাথির মোহাম্মদ বলেন, আমার কোনো কিছু করার ছিল না। পুলিশ সব প্রমাণ হাজির করার পর আমাকে ব্যবস্থা নিতে হয়েছে। পুলিশকে তিরস্কার করেছিলাম, তাকে কোনো সুযোগ না দিয়ে কেন নির্যাতন করা হলো? পুলিশের মারধরে চোখের চার পাশে কাল দাগ পড়ে যায়, আনোয়ারের ‘ব্ল্যাক আই’ নাম ছড়িয়ে পড়ে। রহিম নূর অর্থাৎ পুলিশের আইজি স্বয়ং তাকে নির্যাতন করার প্রমাণ পাওয়া গেলে নূরের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গৃহীত, ২০০০ সালে আইজিপির দুই মাসের কারাদণ্ড হয়। আনোয়ারের কাছে প্রকাশ্যে ক্ষমা প্রার্থনা করেন এবং তার চোখের জন্য জরিমানাও গোনেন। এদিকে মাহাথির বলেন যে, তিনি যদি ডিকটেটর হতেন আনোয়ারকে জেলে পাঠাতেন। তা না করে তিনি আনোয়ারকে বিচারের পাল্লায় তুলে দেন। মাহাথির বলেন, সময়কে যদি পেছনে নেয়া যেত তাহলে তিনি আনোয়ারকে বরখাস্ত করতেন না, যা করা হয়েছিল। আনোয়ারকে আদালত দুর্নীতি ও বলাৎকার উভয় অপরাধের জন্য পাঁচ বছরের সাজা দেয়া হয়েছিল এবং তিনি সেই সাজার অনেকটা ভোগ করেছিলেন। অত্যন্ত সৎ ও ধার্মিক হিসেবে পরিচিত আনোয়ার সর্বমহলে পরিচিত।

সমালোচকরা বলেছেন, ইসলামপন্থী আনোয়ার থেকে দূরে থাকতে এবং নিজের পাশ্চাত্যমুখী রাজনীতিকে টিকিয়ে রাখতে ক্ষমতা প্রয়োগ করেন মাহাথির। ইসলামপন্থীরা মনে করেন, অভিযোগগুলো সাজানো। বহু বছর জেল খাটার পর মুক্তি পেয়ে আরো জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন আনোয়ার ইব্রাহিম। তখন মাহাথির আনোয়ারের সাথে কাজ করতে শুরু করেন। তিনি বলেন, অতীতে যে ভুল করেছি সেগুলোর সংশোধন করতে চাই। মাহাথির মোহাম্মদ ক্ষমতায় থাকার সময় আনোয়ার ইব্রাহিম ছিলেন তার সম্ভাব্য উত্তরসূরি। নিজের অগ্রযাত্রায় আনোয়ার ইব্রাহিমকে রাজনৈতিক প্রতিবন্ধক বলেই মনে করতেন তিনি। আনোয়ার ইব্রাহিমকে ক্ষমতায় বসানোর জন্য দৃশ্যত উদগ্রীব হয়ে উঠলেও আনোয়ার ইব্রাহিমের বিরোধী জোট থেকেই নির্বাচন করেছেন মাহাথির।

আনোয়ার ইব্রাহিম ‘যথেষ্ট শাস্তি’ পেয়েছেন বলে মনে করেন মাহাথির মোহাম্মদ। তবে মাহাথির বলেছিলেন, আমি আনোয়ারের কাছে ঋণী। তার অনুভূতি অনুভব করতে পারছি। যখন আমার সরকারের সময়ে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল তখন ওর কেমন লেগেছে আমি অনুভব করতে পারছি। গত ২০ বছরে তার পরিবার অনেক ভোগান্তির শিকার হয়েছে। তাদের অনুভূতিটাও বুঝতে পারছি। আমাকে প্রধানমন্ত্রী পদে প্রার্থী হিসেবে মেনে নেয়ার সিদ্ধান্ত তার জন্য খুব সহজ ছিল না। আমরা এখন একের অন্যের সাথে হাত মিলিয়েছি। কিন্তু তার পক্ষে আমাকে মেনে নেয়া সহজ নয়। কারণ আমি তখন নেতৃত্বের অংশ ছিলাম। এ কারণে আজকের সিদ্ধান্ত নিতে আমরা অনেক সময় নিয়েছি। তবে শেষ পর্যন্ত আনোয়ার আমাদের দেশের জন্য সংগ্রাম করাকেই প্রাধান্য দিয়েছে। আমি তার কাছে ঋণী।

মাহাথির মোহাম্মদের রাজনৈতিক ভুলের জন্য ক্ষমা চাওয়ার বিষয়টিকে স্বাগত জানিয়েছেন আনোয়ার ইব্রাহিমের মেয়ে নুরুল ইজ্জাহ আনোয়ার। বার্ষিক সভায় নীতিনির্ধারণী বক্তব্যে বিস্ময়করভাবে ক্ষমা চাওয়ার বিষয়টি উপস্থাপন করেন মাহাথির মোহাম্মদ। তিনি বলেন, অন্য মানুষদের মতো আমারও কথা ও কাজে ভুল হতে পারে। অতীতের সব ভুলের জন্য ক্ষমা চাইছি; কেবল আজকের জন্য নয়, যতদিন ধরে রাজনীতিতে আছি ততদিনের জন্য। তবে আমি একাকী কোনো ভুল করিনি।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট করেননি যে, তিনি কোন ঘটনার জন্য ক্ষমা চাইছেন? তবে উল্লেখ করেছেন যে, তিনি ১৯৪৫ সাল থেকে দীর্ঘকাল রাজনীতিতে আছেন এবং এ সময়েই ভুলগুলো করেছেন।
পিকেআর মাহাথিরকে সমর্থন দেয়ার ব্যাপারে তিনটি শর্ত জুড়ে দিয়েছিল। শর্তগুলো হলো, পাকাতানরা দেশটির শাসনভার নেয়ার এক বছরের মধ্যেই আনোয়ার ইব্রাহিমকে প্রধানমন্ত্রী করা হবে। পিকেআরকে ৬০টি আসন দেয়া হবে এবং মাহাথিরকে প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারে সম্মত হতে হবে।’ ক্ষমতায় আসার পর মাহাথির এসব কাজ করতে পারেননি পথ বা করেননি।

কেউ ভাবেননি, পিকেআরের টিকিট নিয়ে ডা: মাহাথির নির্বাচন করবেন। অথচ মাহাথিরের আমলে ‘কালো চোখের’ কথা ছড়িয়ে পড়েছিল। আনোয়ারকে পুলিশ আঘাত করে চোখের চারপাশে কালো দাগ করে দিয়েছিল। সাবেক প্রধানমন্ত্রী আনোয়ারকে ‘বরখাস্ত’ করে এখন তার দল পিকেআরের পতাকা উড়াচ্ছেন। পাস নেতা যিনি পার্টি আমানোয় ছিলেন, ডা: মাহাথিরের বিরুদ্ধে বলেছেন, যেখানে তার সন্তানদের প্রচুর সম্পদের কথাও বলেছেন। অনুরূপভাবে ডিএপি দলের নেতারা প্রবন্ধ, বই, ভিডিও এসব প্রকাশ করেছেন। যারা মাহাথিরের কাছের লোকজন তারাও সমালোচনা করছেন। চীনা ভোটাররা ২০১৩ সালে ইসলামপন্থীদের জোট পাসের প্রশংসা করেছিলেন। তাদের বক্তব্য ছিল ইসলামপন্থীরা উত্তম দল, তারাও এখন সমালোচনায় মুখর, বলছেন, পাস চরমপন্থী দল। ইসলামপন্থীরা পিকেআর ও ডিএপি থেকে আলগা হয়ে গেল কেন, বোধগম্য নয়।

২০১৮ সালের নির্বাচনে মাহাথির মোহাম্মদকে প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেছিল আনোয়ার ইব্রাহিমের নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোট তখন আনোয়ারের দল সংসদে বিরোধী দল। তার সাথে মাহাথিরও যোগ দিয়েছিলেন। অবস্থাটা এমন- প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী মনোনয়নের মূল ক্ষমতা আনোয়ার ইব্রাহিমের হাতে। তার মতে, তাকে বিনা অপরাধে জেল খাটানো মাহাথিরকে জোটের প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেছেন। আনোয়ারের এমন উদারতায় ‘উদারপন্থী’ হিসেবে পরিচিত মাহাথির মোহাম্মদ আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েছিলেন। চোখের পানি ধরে রাখতে পারেননি মাহাথির, স্ত্রী সিতি হাসমান, আনোয়ারের স্ত্রী আজিজাহ এবং আরো অনেকে।

এ বছরে ডা: মাহাথির ১০ জুলাই তারিখে ৯৫ বছরে পড়েছেন। তার উন্নয়নের এক প্রতীকতুল্য প্রোটন সাগা গাড়িটিও ৩৬ বছরে পড়েছে। দিবসটি অর্থাৎ গাড়ির জন্ম দিবস ঘটা করে উদযাপন করলেন তিনি। পেনাং ব্রিজে গাড়ির পাশে দাঁড়িয়ে মিডিয়ার জন্য ছবি তুললেন, তাকে মনে হচ্ছিল একজন অল্প বয়েসী মডেল। মাহাথির লিখলেন, Still going strong. Happy birthday Proton Saga. সাংবাদিকদের কাছে তখন নতুন করে বোমা ফাটালেন, পাকাতান হারাপানের পক্ষ থেকে সাবাহ প্রদেশের চিফ মিনিস্টার মো: সফি আপদেলকে প্রধানমন্ত্রী পদের জন্য ঘোষণা দেবেন।

ওই সময় তিনি আনোয়ার ইব্রাহিমের বিষয়ে কোনো কথা বলেননি। তিনি চান না প্রশাসন দণ্ড আনোয়ারের কাছে হস্তান্তরিত হোক। কেন? কেউ বলতে পারেন না। তবে মাহাথির গত মাসে সাংবাদিকদের বলেছেন, জনগণ আনোয়ারকে পছন্দ করে না। মাহাথির এমন কিছু ‘গোপন কথা’ জানেন যা কখনো কাউকে বুঝতে দেননি, আনোয়ার ইব্রাহিমও এমন অনেক ‘গোপন বিষয়’ জানেন যা তিনি প্রকাশ করেননি। উভয়েই বোঝেন কার কাছে কী গোপন বিষয় অপ্রকাশিত রয়েছে। তাই রাজনীতির মাঠে বন্ধুত্ব ও শত্রুতার মাঝখানের লাল দাগ কেউ অতিক্রম করছেন না। উভয়েই সরগরম রাজনীতি করছেন; তবে ‘বিষবাক্য’ ব্যবহার করছেন না।

এখন সংসদ সদস্য ও নেতারা বলাকার মতো ছোট ছোট দলে আকাশে পেখম মেলে দিয়েছেন। কোন দল কোন ঘাটে গিয়ে বসে তা শুধু সময়ের ব্যাপার। লক্ষ করা যাচ্ছে, দেশ ও জাতির চেয়ে নিজের ভবিষ্যতের সোনালি সোপান তৈরির ইচ্ছা বেশির ভাগ নেতার। এখন ক্ষমতার আলোকবর্তিকা মাহাথির, আনোয়ার, মুহিউদ্দিন, শফি- এদের উপর ঘুরছে। আদালত, আস্থাভোট ও কাজে মুহিউদ্দিন এখনো সবাইকে টপকে এগিয়ে আছেন। স্পিকার নিয়োগে সমর্থন পেয়ে, তার ক্ষমতা পরীক্ষা করা হয়ে গেছে। তবে মালয়েশিয়ার রাজনীতি শক্ত ভিতের উপর প্রতিষ্ঠিত নয়। এটাও মাহাথিরের এক ব্যর্থতা। সকালে দল গঠন করা হল তো বিকেলে দল ভেঙে নতুন দল হলো, জোটের তো কোনো হিসাবই নেই। পারিকাতান নাসিওনালে কতজন আছে কেউ বলতে পারে না। নতুন নতুন জোট ও সমর্থন মালয়েশিয়ার রাজনীতিকে কলুষিত না করলেও অস্থির করে তুলেছে। মাহাথির এখনো সবচে ‘বড় খেলোয়াড়’। তিনি হঠাৎ এমন চাল দেন যে সবাই হকচকিত হয়ে যায়। তিনি যখন চাল দেন তখন এর পক্ষে প্রচুর যুক্তি উপস্থাপন করেন। সেগুলো খণ্ডানোর জন্য কোনো নেতা এখনো মালয়েশিয়ার রাজনীতিতে নেই। তবে এককভাবে আনোয়ার ইব্রাহিম বহু যোগ্যতা রাখেন।

অনেকে মনে করেন, মাহাথিরের আর কোনো কার্ড নেই। তবুও তাকে সবার ভয়; কোন সময় জাদুকরের মতো আস্তিন থেকে কার্ড বের করবেন বলা যায় না। তিনি যেকোনো সময় যেকোনো দল ভাঙতে পারেন।

মাহাথিরের শিবিরে মুহিউদ্দিন ঢুকে পড়েছেন। মালয়ী ও ভারতীয়দের কাছে এখন মুহিউদ্দিন বেশ প্রিয়। তদুপরি কোভিড চিকিৎসায় তার পদক্ষেপ দেশের ভেতরে ও আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত হওয়ায় পর কদর বেড়ে গেছে। তথাপি সাধারণ মানুষ ও নেতারা মনে করেন, মধ্যপন্থী মাহাথির ও ইসলামপন্থী আনোয়ারের মতো বিচক্ষণ রাজনীতিবিদ মালয়েশিয়ায় নেই।

লেখক : অবসরপ্রাপ্ত যুগ্মসচিব ও গ্রন্থকার


আরো সংবাদ

প্রদীপের জন্যই ব্যর্থ ইয়াবা অভিযান (১০৩০৯)প্রকাশ্যে সহকর্মীকে ওসির থাপ্পর, তদন্তে নেমেছে পুলিশের তদন্ত কমিটি (৭৫৯৪)দেশে যেসব কারণে এখন ধরা পড়ছে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ (৪১৬০)শেষ রক্তবিন্দু থাকা পর্যন্ত বিচার চাইবেন শিপ্রা: র‌্যাব (৩৯৮৫)সিনহার মৃত্যুতে সরকার কষ্ট পেয়েছে : হানিফ (৩৩৪১)পবিত্র কাবা ও আয়া সোফিয়া মসজিদে নকশা করে গর্বিত এই চিত্রশিল্পী (৩০৮৩)গানের মধ্যে তিনি বেঁচে থাকবেন অনন্তকাল : রুনা লায়লা (২৯১৭)আবার মানবিক নজির শাহরুখের (২৭৭৩)এটাই যেন বিচারবহির্ভুত হত্যাকাণ্ডের শেষ ঘটনা হয় : সিনহার মা (২৭১৯)ভারতের বিরুদ্ধে সোচ্চার না হলে বাংলাদেশের মুক্তি নেই : ডা. জাফরুল্লাহ (২৬৫৭)