১২ আগস্ট ২০২০

কী করবেন মাহাথির মোহাম্মদ

মাহাথির মোহাম্মদ - ছবি : সংগৃহীত
24tkt

চলতি সপ্তাহে মালয়েশিয়ার ‘পিকেআর’ সভাপতি আনোয়ার ইব্রাহিম মাহাথিরের কাছে নতি স্বীকার করতে অনিচ্ছা প্রকাশ করেছেন। সাথে আরো কিছু সংসদ সদস্যও মাহাথিরের দলে ভিড়বেন না বলে জানিয়ে দিয়েছেন। আনোয়ার বলেছেন, তারা এখন ‘একজন শাসককে আর চান না।’ 

পিপলস জাস্টিস পাার্ট বা পিকেআরের মতেÑ আনোয়ার ইব্রাহিম রাজনীতিতে অনেক ভুগেছেন, অথচ এই পুরো সময় তিনি মাহাথিরের সাথেই ছিলেন। ডা: মাহাথির ক্ষমতায় ফিরে আসার পর পিকেআর প্রেসিডেন্ট আনোয়ারের পরিবর্তে ওই দলের ডেপুটি প্রেসিডেন্ট আজমিন আলীকে ইকনমিক অ্যাফেয়ার্স মিনিস্টারের পদ দেন এবং নিজে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার ছক কষেন। পাকাতান হারাপানের অন্তর্বর্তী চুক্তিমতে দুই বছর পর আনোয়ার ইব্রাহিমকে প্রধানমন্ত্রীর পদ ছেড়ে দেয়ার কথা। এই চুক্তির উপরেই মাহাথির ও আনোয়ার একই সাথে নির্বাচন করে বিপুল ভোটে পাকাতান হারাপান জোট জয়ী হয়েছিল। আনোয়ার ইব্রাহিম অনেকবার বারাসাতু চেয়ারম্যান মাহাথিরের কাছে নতি স্বীকার করেছেন। এখন দু’জন কেউই পিছু হটছেন না এবং পরস্পর নতি স্বীকার করছেন না। আনোয়ারের সমর্থকরা অনড়। তারা মনে করেন এবার মাহাথিরকে পিছু হটতে হবে। কিন্তু পাকাতানের অন্য দল যেমন, আমানাহ ও ডিএপি মাহাথিরকে প্রধানমন্ত্রী ও আনোয়ারকে ডেপুটি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে পেতে চায়। উল্লেখ্য এমন অবস্থা ১৯৯৩ থেকে ১৯৯৮ পর্যন্ত মালয়েশিয়ায় ছিল। শেষের দিকে বিভিন্ন ঘটনায় আনোয়ার রাজনৈতিক দুর্যোগে পতিত হন। সুযোগ থাকা সত্ত্বেও আনোয়ারকে প্রধানমন্ত্রীর পদ ছেড়ে না দেয়ায় মনে করা হচ্ছে মাহাথির শঙ্কিত যে, আনোয়ার জেলে থাকার দিনগুলোর জন্য যদি প্রতিশোধ নেন তবে তা মাহাথিরের জীবনে সবচেয়ে বিষাদময় ও ভয়ঙ্কর পরিণতি নিয়ে আসবে। সেখান থেকে ফেরার আর কোনো পথ থাকবে না; অনেকের মনে প্রশ্ন, কেন ডিএপি বা ডেমোক্র্যাটিক অ্যাকশন পার্টি মাহাথিরকে সমর্থন করছে? সমালোচকরা বলেন, ডিএপি কি ভুলে গেছে মাহাথিরের সময়ে দু’জন এমপিকে জেলে ঢুকানো হয় কথিত তামিল টাইগার্সের সাথে যোগাযোগের জন্য। ডিএপি উপদেষ্টা লিম কিটকে চীনা ভোটাররা অপহরণও করেছিলেন। মাহাথিরের কিছু ইস্যু এখানে কাজ করেছে বলে সন্দেহ পিকেআরের। মাহাথিরের জন্য ডিএপি সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যান্থনি লোক ঘোষণা দেন যে, প্রস্তাবানুসারে মাহাথির নির্ধারিত সময় বা ছয় মাস পর প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়াবেন। যদি তিনি তা না করেন তবে পাকাতানের এক বড় অংশ সরকার থেকে সরে যাবে।

মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাকের আকাশ ছোঁয়া দুর্নীতির কারণে জনগণ ও রাজনৈতিক নেতারা ফুঁসে উঠেছিলেন। এরই রেশ ধরে নির্বাচন, বয়োবৃদ্ধ মাহাথিরের আবার রাজনীতিতে ফিরে আসা, জেল থেকে আনোয়ার ইব্রাহিমের ছাড়া পাওয়া, রাজনীতিতে রাজার হস্তক্ষেপ ইত্যাদি একের পর এক ঘটতে শুরু করে। কিছু দিন আগে ছোট্ট একটি ঘটনা নিয়ে বিরাট বিরোধ ঘটে রাজনৈতিক মঞ্চে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদের নিজের হাতে গড়া দল বারসাতু থেকে বহিষ্কারাদেশকে আদালতে চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে। দায়ের করা মামলায় বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের পদ থেকে মুহিউদ্দিন ইয়াসিনকে সরিয়ে দেয়ার আবেদনও করা হয়েছে। একই সাথে মাহাথিরসহ পাঁচ সংসদসদস্যকে বহিষ্কারাদেশ দেয়ার ক্ষমতা দলের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ সুহাইমি ইয়াহিয়ার নেই বলেও উল্লেখ করা হয়। গত ফেব্রুয়ারিতে সরকার পতনের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়ান মাহাথির মোহাম্মদ। জোটের আরেক নেতা আনোয়ার ইব্রাহিমের অনুরোধে পরে তিনি পার্লামেন্টের অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর পদে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন। এরপরই মাহাথিরকে পাশ কাটিয়ে মুহিউদ্দিন ইয়াসিন বিরোধী দলের সাথে মিলে সংখ্যাগরিষ্ঠের সমর্থন আদায় করে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। পরে পার্লামেন্টের অধিবেশনে মুহিউদ্দিনের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনার হুমকি দেন মাহাথির। ১৮ মে পার্লামেন্ট অধিবেশনে বিরোধী দলের সারিতে গিয়ে বসেন মাহাথিরসহ পাঁচ নেতা। এ কারণে তাদের সবাইকে বহিষ্কার করে চিঠি দেন বারসাতু পার্টির সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ সুহাইমি ইয়াহিয়া। আদালতে দায়ের করা মামলায় বহিষ্কারাদেশ পাওয়া পাঁচ নেতা দাবি করেন যে, মুহাম্মদ সুহাইমিকে নির্বাহী সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন মুহিউদ্দিন ইয়াসিন। এই নিয়োগ দলের গঠনতন্ত্র অনুমোদন করে না। মাহাথির পক্ষের দাবি, বিরোধী দলের আসনে বসলেই তাকে দল ছেড়ে দেয়া বা অন্য দলে যোগ দেয়া হিসেবে অভিহিত করা যায় না। 

বর্তমান প্রধানমন্ত্রীকে সরিয়ে মাহাথির আরেক দফা প্রধানমন্ত্রী হতে চান। কিন্তু আনোয়ার ইব্রাহিমের পিকেআর এতে কোনো সমর্থন এ পর্যন্ত দেয়নি। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ইয়াসিনকে ক্ষমতা থেকে সরানোর জন্য বিরোধী দলগুলোকে এক জোট করার চেষ্টা চালাচ্ছেন মাহাথির মোহাম্মদ। তিনি সাবেক জোটের দলগুলোর সমর্থন পাচ্ছেন। মাহাথির বিশ্বাস করেন বর্তমান সরকারকে ফেলে দিতে যথেষ্ট পার্লামেন্ট সদস্যের সমর্থন তার প্রতি রয়েছে। কিন্তু বর্তমান সরকার পড়ে গেলে পরবর্তী সরকারের প্রধানমন্ত্রী কে হবেন, এটাই মালয়শিয়ার রাজনীতিতে মুখ্য। 
মালয়েশিয়ার রাজনীতিতে নতুন কোনো দৃশ্যপট ভেসে উঠছে না, ধূম্রজাল বিস্তৃত হচ্ছে। মুহিউদ্দিন ইয়াসিনের সরকার কত দিন থাকবে, এক বা দুই বছর? মনে হচ্ছে নেতারা জনগণকে রাজনীতি শেখাচ্ছেন এবং বলছেন, এই তিনজন থেকে একজন প্রধানমন্ত্রী বেছে নাও। আর উত্তপ্ত আবহাওয়ায় মুহিউদ্দিন স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছেন। মালয়েশিয়ার রাজনীতিতে প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা অনেক, অফুরন্ত। কোনো নির্বাচন ছাড়া বা কারো ইস্তফা দেয়া ছাড়া এই পদে কেউ আসীন হতে পারেন না।

পাকাতান হারাপানের মধ্যে অন্তর্দ্বন্দ্ব ও কলহ এখন এত বেশি যে, ভোটাররা দলের ওপর বিশ্বাস হারিয়ে ফেলেছে। মাহাথির নিজেই বলেন, ‘পাকাতান হারাপান বলে এখন কিছু নেই।’ জনগণ মনে করে মাহাথির ও আনোয়ারকে একত্র হয়ে সামনে চলার পথ স্থির করতে হবে। নতুবা এই অস্থিরতা আরো চলবে এবং আমিরাতসহ অন্যান্য বহিঃশক্তি মালয়েশিয়ার রাজনীতিতে অনুপ্রবেশ করবে। মাহাথির এবং আনোয়ার উভয়ে জনমানুষের পরিচিত ও প্রিয়, তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির কোনো অভিযোগ নেই। উভয়ে মিলে মালয়েশিয়ার হাল ধরবেন এমনই আশা বেশির ভাগ জনগণের। আনোয়ারের সমর্থকরা মনে করেন, আনোয়ার মাহাথিরের চেয়ে কোনো অংশে কম নন। সেটি তিনি প্রমাণ করেছেন বড় বড় রাজনৈতিক গ্রুপ ও দলকে বশ করার মাধ্যমে। যেমন, বারিসন বা পার্ট বারিসন সাবাহ, পিবিবি বা পার্ট পেসাকা ভূমিপুত্র বারসাতু, জিপিএস বা গাবুংগাম পার্টি সারাওয়াক, এমনকি সারাওয়াক গভর্নরও। এসব পার্টি ও নেতার নিজস্ব ভিশন থাকা সত্ত্বেও তারা আনোয়ারকে সমর্থন দিয়েছেন। এসব বিষয়ে ‘ওস্তাদ ব্যক্তিত্ব’ কিন্তু মাহাথির মোহাম্মদ। তিনি আগেও এসব করে দেখিয়েছেন। আনোয়ার এবার সেটা দেখালেন। 

ডা: মাহাথির মানুষকে কাছে টানার এই সময়ে নিজের নির্বাচনী দ্বীপ এলাকায় কোভিড-১৯-এর কারণে যেতে পারছেন না। তবু তার অনেক সিডিউল আছে, দোকানপাট দেখা, পশুর খামারের খবর নেয়া, ছেলে মোখজানি মাহাথিরকে নিয়ে ভুট্টা প্রকল্পের কাজ দেখা, বিভিন্ন গোষ্ঠীর সাথে আলাপ আলোচনা করা, প্রিভূমি বারসাতুর লোকজনের সাথে সভা করা, যদিও এই দল থেকে তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে আবার সে পদের চেষ্টা করা, এই আবর্ত তিনি নিজেই তৈরি করেছেন। তবে জনগণের কোনো প্রতিবাদ নেই, কেন তিনি তৃতীয় দফা প্রধানমন্ত্রী হতে চান। মাহাথির মনে করেন, তার কমপক্ষে আরো ছয় মাস সময় দরকার কিছু কাজ গুছিয়ে আনার জন্য যেসব অনাচার করেছেন নাজিব রাজাক এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী মুহিউদ্দিন, তারপর আনোয়ার ইব্রাহিমকে ক্ষমতা ছেড়ে দেয়া যায়। তবে কথা হলো, ছয় মাসে এমন কী কাজ করবেন যা মাহাথির ২২ মাসেও সম্পন্ন করতে পারেননি! 

পাকাতানের সাথে মাহাথিরের এখন সুসম্পর্ক নেই। প্রতিষ্ঠিত ও বিশ্বস্ত একটি জরিপ প্রতিষ্ঠান ওয়েস্ট কোস্ট জরিপ চালিয়ে দেখেছে যে, মাহাথিরের গ্রহণযোগ্যতার রেটিং মালয়ীদের মাঝে ৩৫ শতাংশ, ভারতীয়দের মাঝে ২৮ শতাংশ এবং চীনাদের কাছে ৩৬ শতাংশ। এর বিপরীতে, মুহিউদ্দিন ইয়াসিনের রেটিং মালয়ীদের কাছে অভাবনীয় ৯১ শতাংশ, ভারতীয়দের কাছে ৬৫ শতাংশ এবং চীনাদের কাছে ২৫ শতাংশ। এ কারণে মালয়েশিয়া আগাম নির্বাচনের দিকে ধাবিত হতে পারে। নির্বাচন হলে মাহাথির অংশ নেবেন না জানিয়ে দিয়েছেন। এমন অবস্থায় তিনি অন্য কোনো প্রার্থীকে সামনে ঠেলে দিতে পারেন। যেমন, পার্টি বারিসান সাবাহর প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ শাফী আপদাল। পাকাতান হারাপানের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীর পদের জন্য তাকে বাছাই করা হয়েছে। মালয়েশিয়ার রাজনীতিতে এখন শাফীকে তৃতীয় শক্তির উত্থান হিসেবে দেখা হচ্ছে। তাহলে কি আনোয়ার ইব্রাহিম পাকাতান কোয়ালিশন থেকে বাদ পড়ে গেলেন? বলা হচ্ছে বর্তমান অচলাবস্থায় নিরপেক্ষ একজনকে পুশ করা হয়েছে। মাহাথিরের কাছের লোকজন বলেন, যদি মাহাথির কোনো বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেন, তবে তা আর বদলান না। কিন্তু এবার সব কিছু জালের মতো পেঁচিয়ে গেছে, এই জুলাই মাসে তাঁর বয়স ৯৫ বছর হচ্ছে, তাই অনেকেই তাকে বলছেন অবসর নিতে। 

পিকেআর সুপ্রিম কাউন্সিল ও এমপিরা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মাহাথিরকে চান না, আবার দেশের উন্নয়নের জন্য পাকাতান হারাপানের কার্যাবলি ও তৎপরতার প্রতিও বিশ্বাস রাখেন। প্রধানমন্ত্রী পদের জন্য আনোয়ারকে পদায়ন করা দলের জন্য কোনো নতুন বিষয় নয়। কিন্তু মাহাথির তৃতীয়বার প্রধানমন্ত্রী পদের জন্য চেষ্টা চালানোতে রাজনৈতিক সঙ্কটের শুরু। পিকেআর ভাইস প্রেসিডেন্ট চ্যাং লি ক্যাং বলেন, ‘আমরা দু’বার হতাশ হয়েছি, তৃতীয়বার হলে লোকজন হাসাহাসি করবে।’ পাকাতান সরকারের পতন ও প্রধানমন্ত্রীর পদের জন্য লড়াই তাদের পরম বিরোধী ও শত্রু পারিকাতান ন্যাশনালের সাথে যেন পেরে উঠছে না। পাকাতান, বারিসন ও ডা: মাহাথির একাধিক বৈঠক করেও কোনো কৌশল বের করতে পারেননি। লোকজন কী বলেছেন সে বিষয়ে আনোয়ার কিছু বলেননি। কিন্তু বিরোধী নেতারা টুইট করেছেন, ‘প্রয়োজনে কেটে সাফ করা ভালো। মাহাথিরের বাড়ির আঙিনায় বাঁশবাগানের উল্লেখ করে এই টুইট করা হয়। পিকেআর মনে করে মাহাথিরের সাথে সরকার গঠন করার চেয়ে বিরোধী-আসনে বসা ভালো। আনোয়ার এবং মাহাথিরের মধ্যে কোনো ইস্যু নেই। তথাপি একজন অপরজনকে নাকি সহ্য করতে পারছেন না। এখন মাহাথির কী করবেন? অনেকেই বলেন, মাহাথিরের কথা না শুনলে তিনি পলিটিক্যাল কেরিয়ার শেষ করে দেন। ডা: মাহাথিরকে অনেকে ‘লাউ মা’ বা ‘বয়স্ক ঘোড়া’ বলেও ডাকেন। 

তুন ডা: মাহাথির ও দাতুক সেরী আনোয়ার ইব্রাহিম উভয়কেই মালয়েশিয়ার প্রয়োজন। দু’জনকেই অতীতের তিক্ত কথা ভুলে একত্র হয়ে ভবিষ্যতের সোনালি সোপানের নকশা প্রণয়ন করতে হবে। এক অনগ্রসর ও জাতিগত বিভেদে পশ্চাতে থাকা মালয়েশিয়াকে মাহাথির কর্মপরিকল্পনার মাধ্যমে সেনাবাহিনীর সহায়তায় সমৃদ্ধ দেশের কাতারে নিয়ে গিয়েছেন। আনোয়ার ইব্রাহিমও এর অংশীদার ছিলেন। আনোয়ার ইব্রাহিম ও তদীয় স্ত্রী সাবেক উপপ্রধানমন্ত্রী ডা. ওয়ান আজিজাহ ওয়ান ইসমাইল ইসলামী আদর্শকে রাষ্ট্রের মূল চালিকার উৎস হিসেবে দেখতে চান। আনোয়ার মুসলিম বিশ্বের ঐক্য চান এবং ইসলামী ভাবধারা পুষ্ট একজন চিন্তাবিদ। মাহাথিরও মুসলিম বিশ্বকে সামনে এগিয়ে নিতে ঐক্যের কথা বলেছেন। মালয়েশিয়ার এই রাজনৈতিক সঙ্কটের সময়ে বিভেদ কাম্য নয়। দুই বিজ্ঞ নেতৃত্বে ঐক্য ফিরে এলে মাত্র ২৪ ঘণ্টায় অমানিশার কালো মেঘ দূরীভূত হবে। 

লেখক : অবসরপ্রাপ্ত যুগ্ম সচিব ও গ্রন্থকার


আরো সংবাদ