০৫ জুন ২০২০

ইসরাইলে ‘করোনা’ উত্তাপ

নেতানিয়াহু - সংগৃহীত

ইসরাইলের ওপর মহামারীর চাপ নানামুখী দেখা যাচ্ছে। করোনাভাইরাস যেন মানুষকে যুদ্ধকালীন আপদের দিকে ঠেলে দিয়েছে। এর মধ্যে চলাফেরার অধিকার সঙ্কুচিত করা অন্যতম। বিশ্বব্যাপী আতঙ্কিত ব্যক্তিরা করোনার কোনো উপসর্গ দেখা দিলেই স্বেচ্ছানির্বাসনের মতো কোয়ারেন্টিনে থাকছেন। তারপরও ব্রিটিশ মেডিক্যাল জার্নাল ল্যানসেটের সম্পাদক রিচার্ড হরটন ব্রিটিশ সরকারকে দোষারোপ করেছেন এই বলে যে, ব্যবস্থা গ্রহণে সরকার ‘খুব ধীর গতির’।
নেতানিয়াহুর অনুমোদনে ইসরাইলি সিক্রেট পুলিশ, ‘শিন বেত’ অধিকৃত পশ্চিম তীর এলাকায় করোনার কারণে জনসাধারণের চলাচলের ওপর পুরো নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে এবং তাদের মোবাইল ফোন ট্র্যাকিং সিস্টেম আরো কঠিনভাবে প্রয়োগ করেছে। ইসরাইলি লেখক নুহ হারারি এ জন্য নেতানিয়াহুকে ‘করোনা ডিকটেটর’ বলে উল্লেখ করেছেন। হারিরি উল্লেখ করেছেন, নেতানিয়াহু নির্বাচনে হেরেছেন, সরকার গঠনে ব্যর্থ হয়েছেন। এখন নিরাপত্তার কথা বলে পার্লামেন্ট বন্ধ করেছেন, একজন ডিকটেটরই এমন আচরণ করতে পারেন। তিনি আরো বলেন, ১৯৪৮ সালের পর থেকেই ফিলিস্তিনিদের বিরামহীনভাবে নির্যাতন করা হচ্ছে। নেতানিয়াহুর ছেলে ইয়ারকে ‘টুইট দানব’ বলা হয়। পিতার বিরুদ্ধে কেউ কিছু বললেই তিনি দিন-রাত তার বিরুদ্ধে কলম চালাতে থাকেন।

জেরুসালেম পোস্ট পত্রিকা ও চ্যানেল ১২ জানিয়েছে, ‘মোসাদ’ বাইরের উৎস থেকে করোনাভাইরাস পরীক্ষার এক লাখ কিট সংগ্রহ করেছে। সংবাদটি এমনভাবে ছাপা হয়েছে যে, কোনো প্রকার অনুমোদন ছাড়াই এগুলো ইসরাইলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তাহলে এসব কি ‘চুরি’ করা? এমনও হতে পারে, যেসব দেশের সাথে ইসরাইলের কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই কিন্তু গোপনে ভালো সম্পর্ক আছে, সেসব দেশ এসব কিট বিক্রি করেছে। সমালোচকরা কিছু উপসাগরীয় দেশ, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সৌদি আরবের কথা উল্লেখ করেছেন এ বিষয়ে। মোসাদ এসব কিছু সাজিয়েছে; তবে প্রকৃত সত্য জানতে আরো সময়ের প্রয়োজন হতে পারে। জেরুসালেম পোস্ট আরো জানিয়েছে- অচিরেই মোসাদ আরো চার লাখ কিট সংগ্রহ করতে যাচ্ছে। এজেন্সি প্রধান ইয়োসি কোহেন এই তথ্য প্রকাশ করেন। জানা যায়, প্রয়োজনে তারা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কাজকর্মও নিয়ন্ত্রণ করবেন। সেখানেও পিপিইর সঙ্কট। এটিও বাইরে থেকে সংগ্রহ করার জন্য প্রতিরক্ষামন্ত্রী নাফতালি বেনেট নির্দেশ দিয়েছেন। বোঝা যায়, করোনাভাইরাস ইসরাইলের ওপর বিষাক্ত ছোবল মেরেছে। মানবিক সংগঠনগুলো এখন ইসরাইলি কারাগারে আটক ফিলিস্তিনিদের জীবন নিয়ে শঙ্কিত।

নেতানিয়াহু বলেছেন, অল্প সময়ের মধ্যে ইসরাইলে ১০ লাখ লোক ভাইরাসে আক্রান্ত হবে, এটা মোকাবেলার জন্য দৈনিক পাঁচ হাজার টেস্ট করতে হবে।, সমালোচকরা বলছেন, কারা মারা যাবে, কাদের টেস্ট করা হবে, বিষয়টি পরিষ্কার নয়। তারা বলছেন মৃতপ্রায় গাজাবাসী ও ফিলিস্তিনিদের যদি পরীক্ষা করা না হয় এবং জেলখানায় আক্রান্ত ফিলিস্তিনি বন্দীদের পৃথক করে রাখা না হয়, তাহলে অল্প দিনের মধ্যেই ওই বিপুল লোক মারা পড়বে। বর্ণবাদী প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু এখনই বলে বেড়াচ্ছেন, ফিলিস্তিনিরা ভাইরাসের বাহক, তাদের পৃথক করে রাখাই ভালো।
ইসরাইলের কারা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জেলখানায় অনেক ফিলিস্তিনি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত। এই খবরে হাজার হাজার ফিলিস্তিনি পরিবারকে আরেক দুর্যোগের কালো ছায়া গ্রাস করেছে। কারাগারে রয়েছেন সাধারণ ফিলিস্তিনি এবং রাজনৈতিক ফিলিস্তিনি বন্দী যারা অবৈধ ভূমিদ খলের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করেছেন। জেলখানায় এসব পরিবারের সবচেয়ে সক্ষম ও কর্মক্ষম ব্যক্তিকে নানা অপরাধের অভিযোগে বন্দী রাখা হয়েছে।

এসব ফিলিস্তিনি বন্দী সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। এক জেলখানা থেকে আরেক জেলখানায় স্থানান্তরের সময়, জেলাখানা থেকে আদালত এবং আবার জেলখানায় নেয়ার সময় করোনার সংক্রমণ হবে। বন্দীদের স্থানান্তরের সময় তাদের একটি সেলে রাখা হয়, সেখানে সর্বোচ্চ চারজন থাকতে পারে; অথচ সেখানে গাদাগাদি করে ২০ জন পর্যন্ত রাখা হয়। তখন সেখানে বসার পরিবর্তে সর্বক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। ডজন ডজন মেটাল হাতকড়ি কারারক্ষীদের হাতে থাকে। এসব জীবাণুনাশক লোশন দিয়ে ধৌত করার কোনো ব্যবস্থাই থাকে না। ইসরাইলি কর্তৃপক্ষের হিসাবে, কারাগারে বন্দীর সংখ্যা চার হাজার ৮০০ দেখানো হলেও প্রকৃত সংখ্যা ২০ হাজারের ঊর্র্ধ্বে। যে গাড়ি কয়েদিদের ব্যবহারের জন্য আছে, সেটিও ঝুঁকিপূর্ণ। গাড়ির সিটগুলো মেটালের তৈরি। বন্দীদের ঠাসাঠাসি করে বসতে হয়, তাদের হাত ও পা শিকল দিয়ে বাঁধা থাকে। তা ছাড়া ঘুমের সময়, খাওয়ার সময়ও তাদের মাঝে কোনো দূরত্ব থাকে না, একটি ‘ঠাসাঠাসির জীবন’ তাদের অতিবাহিত করতে হয়।

রোগীদের সাধারণ চিকিৎসার জন্য ব্যথানাশক ট্যাবলেট, অ্যান্টিবায়োটিক, মলম ও চোখের ড্রপ এসব দেয়া হয় মাত্র। ফিলিস্তিনিরা সন্দেহ করছেন, কোভিড-১৯ চিকিৎসার ওষুধ পরীক্ষার জন্য বন্দী ফিলিস্তিনিদের ‘গিনিপিগ’ হিসেবে ব্যবহার করলে বহির্বিশ্বের করার কিছুই থাকবে না। এমন অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে জাতিসঙ্ঘ জানিয়েছে, ফিলিস্তিনি বন্দীরা যাতে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত না হয় তার ব্যবস্থা নিতে ইসরাইল আইনত বাধ্য। জাতিসঙ্ঘের চতুর্থ জেনেভা কনভেনশনের ৫৬ নম্বর আর্টিকেলে এমন সিদ্ধান্ত রযেছে। জাতিসঙ্ঘ এমন অনেক কথা বলে, ইসরাইল পছন্দ না করলে যা সরাসরি প্রত্যাখান করে থাকে। জাতিসঙ্ঘের প্রস্তাব অমান্য করার তালিকার শীর্ষে ইসরাইল। করোনায় যারা ইতোমধ্যে আক্রান্ত হয়েছেন, তাদের কোয়ারেন্টিন করা না হলে জেলখানাগুলোর সব বন্দী অচিরেই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে পড়বেন।

১৯৬৭ সালে গাজা ও পশ্চিম তীরে ইসরাইলের অবৈধ দখলদারিত্বের পর সাত লাখ ৫০ হাজার ফিলিস্তিনিকে বন্দী করে জেলে ঢুকানো হয়েছে। ঠিক এখন কতজন বন্দী রয়েছে তার তথ্য ইসরাইল না জানালে জানার বিশেষ কোনো উপায় নেই। এ জন্য দশক ধরে প্রতিটি শান্তিআলোচনায় বন্দীদের বিষয়টি উঠে আসে। ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ কখনো ফিলিস্তিনি বন্দীদের সাথে মানবিক আচরণ কিংবা আন্তর্জাতিক নিয়ম-কানুনেরও তোয়াক্কা করেনি। ইসরাইলি মানবাধিকার সংস্থা বিত সেলেম বলেছে, ইসরাইল নিরাপত্তার নামে ফিলিস্তিনিদের ডিটেনশনে রেখেছে।
ইসরাইলের সেনাবাহিনীতে মোট সেনা সংখ্য ছয় লাখ ১৫ হাজার। পত্রিকা ‘মারিব’ জানিয়েছে, প্রায় ছয় হাজার সেনা কোয়ারেন্টিনে রয়েছে। ভাইরাসে আক্রান্ত ১০ সেনাকে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। পৃথিবীর কোনো প্রান্ত থেকে যে কেউ আসুক না কেন, ১৪ দিন কোয়ারেন্টিন করার নিয়ম আবশ্যিকভাবে পালন করতে হচ্ছে। গত সপ্তাহে ইসরাইলি সেনাবাহিনীর সবাইকে কোয়ারেন্টিন মেনে চলার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। সেনাবাহিনীতে প্রায় ৫০০ জন ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। করোনা ভয়ে হাজার হাজার সেনাসদস্যকে কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে। ওয়াল্লাহ নিউজ ওয়েবসাইট জানায়, এ পর্যন্ত প্রায় পাঁচ হাজার সেনাসদস্যকে কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে। প্রশাসন চিন্তিত যে, ওই দলে বড় সামরিক কর্মকর্তারাও রয়েছেন। আসলে কতজন সেনাসদস্য কোয়ারেন্টিনে রয়েছেন সেটি ধূম্রজালে পরিণত হয়েছে।

ভাইরাস আতঙ্কে দোকানপাট এবং বিভিন্ন সংস্থা কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে। বন্ধ করা হয়েছে হোটেল, কফিশপ, শপিংমল ও সেন্টার। ফলে হাজার হাজার লোক চাকরি হারিয়েছে। গত কয়েক দিনে চাকরি হারানোর কারণে ৬০ হাজার ইসরাইলি বেকারভাতা পাওয়ার জন্য রেজিস্ট্রি করেছেন। এই কলাম লেখা পর্যন্ত সরকারের কাছে সহায়তা পাওয়ার দাবিদারের সংখ্য এক লাখ ৮০ হাজার। যদি সরকার পুরো দিনের কোয়ারেন্টিন ও লকডাউন চালু করে, তবে এই ভাতা ও সহায়তা পাওয়ার প্রার্থীর সংখ্যা রাতারাতি বেড়ে যাবে এবং সরকারকে ইমার্জেন্সি দিতে হবে।

কোভিড-১৯ এর আক্রমণ সত্ত্বেও যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র বিক্রি দশ গুণ বেড়ে গেছে হঠাৎ করে। এর সাথে তাল মিলিয়ে ইসরাইল অস্ত্র উৎপাদন বাড়িয়ে দিয়েছে। অস্ত্র ছাড়াও উভয় দেশ বিশ্বব্যাপী ড্রাগের কর্তৃত্ব নিতে চায়। যুক্তরাষ্ট্র চায় তাড়াতাড়ি করোনা ড্রাগ তৈরি করে বিশ্ববাজার দখল করতে। কেননা, তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ অস্ত্রের পরিবর্তে অর্থনীতি ও জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। বোদ্ধারা বলছেন, এই যুদ্ধটি অনেক আগেই শুরু হয়ে গেছে।

করোনা মহামারীর সাথে অচিরেই যোগ হচ্ছে ‘অর্থনৈতিক মহামারী’। করোনা জীবন সংহার করে চলেছে, অর্থনৈতিক মহামারী সমাজ ও রাষ্ট্র-জীবনের মজ্জা ও নির্যাসকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। ইতালির মতো দেশে কলকারখানা ও প্রডাকশন লাইন বন্ধ হওয়ায় অনেক পরিবারের রোজগার নেই, এমনকি অনেকের ভিক্ষা করারও সুযোগ মিলছে না মর্মে রিপোর্ট পাওয়া গেছে। অচিরেই অনেক দেশ নিরাপত্তাহীন হয়ে পড়বে। চীন ও যুক্তরাষ্ট্র উভয় দেশ চায় অর্থনৈতিক মহামারীকে জয় করতে। কিন্তু চীন যেভাবে করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সক্ষম হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা দেশগুলো তা পারেনি। চীন ও জাপান করোনার ওষুধ আবিষ্কার করে যুক্তরাষ্ট্রের মনোপলি শুরুতেই ভেঙে দিয়েছে। চীন বৈশ্বিক পজিশনে যুক্তরাষ্ট্রকে পশ্চাতে ফেলার উপক্রম হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বে তার উৎপাদিত ড্রাগ ছাড়ার আগেই বিভিন্ন দেশে চীনের ড্রাগ ও টেকনিক গ্রহণের হিড়িক পড়ে গেছে। যুক্তরাষ্ট্র করোনা ড্রাগের ভ্যাকসিন আবিষ্কারের জন্য হন্যে হয়ে জার্মান রিসার্চ কোম্পানি ‘কিউরভ্যাক’কে যুক্তরাষ্ট্রে এসে কাজ করার আমন্ত্রণ জানিয়েছে।

জার্মানি জানিয়েছে, কিউরভ্যাক বিশ্বের জন্য ভ্যাকসিন বানাবে, বিশেষ কোনো দেশের জন্য নয়। তা ছাড়া ইতালি কোনো সহায়তা না পেয়ে রাশিয়ার দিকে ঝুঁকে পড়েছে। চীনা বিমানগুলো চীনের প্রোডাক্ট নিয়ে ইতালিতে সহায়তা দিচ্ছে এবং একই সাথে নগদে ওষুধ-সামগ্রী বিক্রি করছে। বেইজিং একইভাবে স্পেনেও সহায়তা দিতে প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট বলেছেন, অবস্থা এমন হলে তার দেশ চীনের সাথে সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করবে। এভাবে করোনা মহামারীর সুযোগে চীনের উত্থান ঘটছে। ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে যাওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রে শুরু করা ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ এবং ‘নিউ ওয়ার্ল্ড অর্ডার’ এখন থমকে দাঁড়িয়েছে। করোনাভাইরাসের কারণে চীনের নেতৃত্বে নতুন বিশ্বব্যবস্থা আসন গেড়ে বসতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের এই মহাসঙ্কটময় সময়ে চাপ পড়েছে ইসরাইলের ওপর। ইসরাইল ‘লাস্ট লাইন অব ডিফেন্স’ হিসেবে সহায়তার আপ্রাণ চেষ্টা করছে। ইসরাইল চায় পুরো ভাইরাস ব্যবস্থাকে নিয়ন্ত্রণ করতে। অবিশ্বাস্য মনে হলেও অনেক দেশকে এর ধাক্কা সামলাতে হবে!

ক্ষুদ্রকায় ভাইরাসও বিশ্বকে কাঁপিয়ে দিয়ে অর্থনৈতিক ব্যবস্থা এবং রাষ্ট্রক্ষমতার পরিবর্তন সাধন করতে পারে। ‘পাওয়ার শিফটিং’ রাজনীতিতে যেমন হবে, দেশের সরকার ব্যবস্থায়ও হতে পারে। কোনো দেশের পতনও হতে পারে। করোনা-পরবর্তী বিশ্ব নতুন রূপ নিতে পারে। ইসরাইল জরুরি ভিত্তিতে সংক্রমণ রোধের জন্য ডিজিটাল টেকনোলজির উন্নয়ন ঘটিয়েছে। ভাইরাসের আক্রমণের সাথে সাথে মোবাইল ও ঘড়ির মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে সংবাদ পৌঁছাবে এবং তা প্রতিহত করার জন্য ড্রাগস ব্যবহার করবে। এই পদ্ধতি ব্যবহারে ইসরাইল প্রস্তুত। এখন একটিই সমস্যা ভাইরাস যদি দ্রুত চরিত্র বা জিন বদল করে ফেলে, সেভাবে টেকনোলজির পরিবর্তন সম্ভব হবে না। মধ্যবর্তী সময়ে অনেক লোক মারা পড়বে। প্রাথমিকভাবে এই টেকনোলজি ইসরাইলের সেনাবাহিনীতে ব্যবহার করার জন্য তার আইন মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন চাওয়া হয়েছে। কেননা, এই পদ্ধতির ফলে মানুষের ব্যক্তিগত তথ্য-উপাত্তও পাচার হয়ে যাবে। আর পদ্ধতিটি প্রয়োগের ফলে কোয়ারেন্টিনের প্রয়োজন হবে না। এই টেকনোলজির কারণে অদৃশ্য ভাইরাসের গতিবিধি লক্ষ করা যাবে। এখন চেষ্টা চলছে নিয়ন্ত্রণের। নেতানিয়াহু বলেছেন ‘বাঁচতে হলে এই মুহূর্তে অন্য কোনো বিকল্প আমাদের হাতে নেই।’

লেখক : অবসরপ্রাপ্ত যুগ্ম সচিব ও গ্রন্থকার


আরো সংবাদ

যুগ্ম সচিব পদে ১২৩ কর্মকর্তার পদোন্নতি খাগড়াছড়িতে দৃষ্টি প্রতিবন্ধী নারীকে কুপিয়ে হত্যা সিলেটে রঙ্গখেলা শেষে নারীকে কুয়ায় নিক্ষেপ বরিশালে করোনা উপসর্গ নিয়ে দুজনের মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত ৬৪ বরিশাল পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকৌশলীর ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধ পরিদর্শন গণপরিবহনে ভাড়া বৃদ্ধি ও স্বাস্থ্য বিভাগে দূর্নীতি জনগণকে জিম্মি করার শামিল আবার আলোচনার প্রস্তাব দিলেন ট্রাম্প; জবাবে যা বলল ইরান ডেঙ্গু প্রতিরোধে শনিবার থেকে ডিএনসিসিতে চিরুনি অভিযান রাজবাড়ীতে ১৫ দিন পর স্কুলছাত্রের লাশ উত্তোলন বিশ্বকাপের তৃতীয় স্টেডিয়াম নির্মাণ সম্পন্ন করেছে কাতার নবীনগরে তিন পরিবারে ১৯ জনের করোনা শনাক্ত

সকল





justin tv