০৬ ডিসেম্বর ২০২২, ২১ অগ্রহায়ন ১৪২৯, ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৩ হিজরি
`

হোয়াইটওয়াশে চোখ টাইগারদের

প্রথম ম্যাচের জয়ের নায়ক আফিফ হোসেন -

জয়ের ধারা অব্যাহত রেখে স্বাগতিক সংযুক্ত আরব আমিরাতকে হোয়াইটওয়াশ করার লক্ষ্যে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টি-২০তে আজ মাঠে নামছে বাংলাদেশ কিকেট দল। দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় রাত ৮টায়।
টি-২০ ক্রিকেটে এ পর্যন্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে দু’বারের মুখোমুখিতে শতভাগ জয় বাংলাদেশের। সবমিলিয়ে এখন পর্যন্ত টি-২০তে ১৩৪টি ম্যাচ খেলেছে বাংলাদেশ। এর মধ্যে টাইগারদের জয় আছে ৪৬টিতে, হার ৮৫টিতে। তিনটি ম্যাচ পরিত্যক্ত হয়।
দুর্বল আমিরাতের বিপক্ষে গত রাতে প্রথম ম্যাচে ঘাম ঝরিয়ে টেনশনে রেখে জিততে হয়েছে বাংলাদেশকে। দলের পারফরম্যান্স মোটেই আশানুরূপ ছিল না। তাই দ্বিতীয় ম্যাচে পারফরম্যান্সের উন্নতি ঘটানোও লক্ষ্য টাইগারদের। প্রথমে ব্যাট করে পাঁচ উইকেটে ১৫৮ রান তুলে বাংলাদেশ। বাজে শুরুর পরও লড়াকু পুঁজি পায় টাইগাররা। আরব আমিরাত ইনিংসের শেষ পর্যন্ত আফজাল খান ক্রিজে থাকায়, কপালে চিন্তার ভাঁজ ছিল বাংলাদেশের। শেষ পর্যন্ত স্বস্তির জয় বাংলাদেশের। শেষ ওভারে ১১ রান দরকার পড়ে আমিরাতের। তৃতীয় ও চতুর্থ বলে শরিফুল বিপক্ষ আয়ান-জুনায়েদকে বিদায় দিয়ে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে বাংলাদেশ। তবে আরব আমিরাতের জন্য এই হার, জয়ের সমান।
ম্যাচটি জিতলেও টাইগারদের খেলায় উন্নতি চোখে পড়েনি। ওপেনিং সমস্যা প্রকট। কাকে রেখে কাকে ওপেন করাবেন তাতেই গলদঘর্ম টিম ম্যানেজমেন্ট। ব্যাটারদের ব্যর্থতা অব্যাহত থাকলেও, নিজের ফর্ম ধরে রেখেছেন আফিফ হোসেন। তার অপরাজিত ৭৭ রানের সুবাদেই ১৫৮ রানের সংগ্রহ পায় বাংলাদেশ। ফিল্ডিংয়ের সমস্যাটা ভলোভাবে আবারো ফুটে ওঠে। ক্যাচ ড্রপ, ফিল্ডিং মিস বাংলাদেশের জন্য বড় চিন্তার বিষয়।
অনেকদিন পর সিনিয়র খেলোয়াড় ছাড়াই এমন একটি ম্যাচ খেলতে নামে বাংলাদেশ। তবে আফিফ হোসেন মনে করেন, সিনিয়রদের অনুপস্থিতি কোনো প্রভাব ফেলবে না। কারণ দুর্বল প্রতিপক্ষের বিপক্ষে খেলেছে বাংলাদেশ। ‘কিছু সিনিয়র খেলোয়াড় না থাকলেও, আমাদের ওপর কোনো বাড়তি চাপ নেই। আমাদের সবসময় সেরা একাদশই থাকে। আশা করি পরের ম্যাচেও রান করতে পারব।’
উইকেট শুরুতে বেশ কঠিন ছিল বলেই বাংলাদেশের টপ অর্ডাররা ভালো করতে পারেনি বলে মনে করেন আফিফ, ‘শুরুতে একটু কঠিন ছিল। বল গ্রিপিং হয়েছিল। টপ অর্ডার ভালো করতে পারেনি। আশা করছি, পরের ম্যাচে ভালো করবে তারা। তবে এটি সমস্যা নয়।’
টি-২০তে খুব কাছে গিয়ে বাংলাদেশ বহু ম্যাচই হেরেছে। চাপের মুহূর্তে ভেঙে পড়ত দল। ক’দিন আগে এশিয়া কাপেও এমন দুরবস্থা হয়েছে। মেহেদী হাসান মিরাজ মনে করেন চাপের মুহূর্তে জয়টা প্রয়োজন ছিল, ‘এর আগে আমরা এমন ম্যাচ অনেক হেরেছি। সুতরাং জয়টা দরকার ছিল। গত কয়েকটা সিরিজে, এশিয়া কাপে আমরা জিততে জিততে হেরে গেছি। আমিরাতের বিপক্ষে পরিস্থিতি ও-রকমই ছিল। বোলাররা খুব ভালো কামব্যাক করেছে। এটা সবার ভেতরে বিশ্বকাপের জন্য আলাদা আত্মবিশ্বাস জোগাবে।’
শেষ ম্যাচ নিয়ে আফিফ জানান, ‘প্রথম ম্যাচটি নড়বড়ে হলেও দ্বিতীয় ম্যাচে এমনটি হওয়ার কথা নয়। বাজে ফিল্ডিং হলে তো আর কিছু করার নেই। তবে সবাই জয়ের জন্যই মাঠে নামবে। প্রথম ম্যাচের ভুলগুলো না-ও হতে পারে। আত্মবিশ্বাস নিয়ে নিউজিল্যান্ড যেতে চাই।’


আরো সংবাদ


premium cement
রুশ হামলায় বিধ্বস্ত পাওয়ার গ্রিড পুনরুদ্ধারের চেষ্টা ইউক্রেনের সমাবেশের স্থান নিয়ে সাংবাদিকদের যা বললেন এ্যানি সিদ্ধিরগঞ্জে গ্যাস বিস্ফোরণে একই পরিবারের ৪ জন দগ্ধ, হাসপাতালে গৃহবধূর মৃত্যু বিদেশী বিনিয়োগের আদর্শ জায়গা বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী হবিগঞ্জে আগুনে পুড়ে পুলিশ কনস্টেবলের মৃত্যু বরগুনায় জেলা ছাত্রদলের সভাপতি ও যুগ্ম সম্পাদককে গ্রেফতার কুমিল্লায় ট্রেনের ধাক্কায় অটোরিকশার ৩ যাত্রী নিহত মিরসরাইয়ে বাসের ধাক্কায় নিহত ১ নতুন বছরের ‘শুরুতেই’ দ্বিতীয় মেয়াদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন বাইডেন হারের পর জরিমানাও গুণতে হলো ভারতকে প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের পর ছাত্রলীগের সম্মেলন শুরু

সকল